তোমাকে পাইনি বলে, এতকাল যে আক্ষেপটা ছিল প্রিয়,
সে তো ভীষণ হাস্যকর।
পাওয়া না-পাওয়ার হিসেব বুঝি কাছে-দূরে বেঁচে থাকায়!
এই যে আজ, বিরান পথে, গভীর রাতে, তীব্র গতির বাসে বসে, অনুভবে পাচ্ছি তোমায়,
সে কি কেবল মিথ্যে স্মৃতির অহেতুক রোমন্থন!
ঠিক সে তুমি, প্রথম ছোঁয়া, হাতটা ধরে শিহরে ওঠা-
এখনও তো এক-ই লাগে, আগের মতো, প্রথমবারের।
তারপরেও বলবে তুমি, পাইনি তোমায় এই জনমে!
ভুলটা বরং আমার ছিল-
পাইনি বলে হা-হুতাশে, শুধু শুধুই সময় গেল।
ঐ সময়ের ফাঁকটা দিয়ে, কেমন করে তুমি যেন
আমায় ভীষণ ভুলতে নিলে,
এতই সহজ, ভুলে যাওয়া কি!
জোরাজুরি করে বরং, তোমার মনে আসব ফিরে,
আচমকা অজানিতে।
ভয় পেও না, জগৎ জুড়ে মিথ্যে কোনো আলোড়নে
একটু কথা, একটু দেখা- কিছুই কভু হবে না গো।
মেয়ে আর বরকে নিয়ে, দিব্যি তুমি সুখে থাকো।
আল্লাহপাকের অশেষ কৃপায় তোমার সকল গ্লানিও, এক লহমায় মুছে যাবে।
সব স্বাভাবিক, শান্ত হবে,
তারই মাঝে কখনো বা, হঠাৎ হঠাৎ- কী জানি হায় বুকের পাশে, মৃদু মৃদু কম্পনেতে, পড়বে মনে আমার কথা, ঠিক যেমন, এ-ই গভীর রাতে, বিরান পথে, বাসে বসে, ভাবছি তোমায়, পাচ্ছি তোমায়, তীব্রভাবে অনুভবে।
১৫ এপ্রিল ২০২২
রাত ৪টা
ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ যাত্রাপথে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


