somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শিশির খান ১৪
সময় পাইলে ব্লগ লেখাটা এখন নেশায় পরিণত হয়েছে। ব্যাস্ততার ফাকে যারা আমার ব্লগ দেখেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের অনুপ্রেরণা থাকলে নিশ্চই সামনের দিন গুলোতে লেখা চালিয়ে যাবো।

যাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে যেয়ে কাফনের কাপড় নিতে হলো

১১ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আসলেই খুব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এক দিকে মধ্যম আয়ের দেশ বলে আমরা লাফালাফি করি অন্য দিকে বাস্তবতা হচ্ছে সামন্য যাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে যেয়ে কাফনের কাপড় নিতে হলো ২৭ জন মানুষের। এটা নতুন কোনো দুর্ঘটনা নয় প্রতি বছরই এই ধরনের দুর্ঘটনা দেখা যায় আমার মনে আছে ২০০৫ সালেও যাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে যেয়ে ৩৫ জন নিহত হয়ে ছিলো।তবে এইবার দুর্ঘটনার পর পুলিশ একটু নড়ে চরে বসেছে ,বলছে এরকম ভাবে যাকাত দেবার আগে অবশ্যই পুলিশ কে জানাতে হবে। যদি যাকাত দিতে যেয়ে কোনো রকম দুঘটনা হয় তা হইলে এর দায় ভার যিনি যাকাত দিবেন তাকেই নিতে হবে।শুনলাম দয়িত্বে অবহেলার জন্য নাকি ওই এলাকার এক এসআই কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।আসলে আমাদের মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে না পারলে এই ধরনের দুর্ঘটনা তো ঘটতেই থাকবে।যাকাত শতকরা কি হারে দিতে হয় কি ভাবে দিতে হয় কাকে দিবেন এই সব কিন্তু পরিস্কার উল্লেখ করা রয়েছে কিন্তু আমরা তা একদম অনুসরণ করি না।দোকান গুলোতে গেলে লেখা দেখবেন এখনে পাইকারী মূল্যে যাকাতের কাপড় বিক্রি হয়।কাপড় গুলো ধরে দেখবেন একদম পাতলা এক বার ধুইলেই রং উঠে যায় এই রকম পাইকারী সস্তা পরার অযোগ্য কাপড় দিয়ে কি আসলেই যাকাত আদায় হয় ?যেই কাপড় ৩ মাস ও পরা যায় না তা মানুষকে দিতে আমাদের একদম বিবেকে বাধে না। এই রকম সস্তা পরার অযোগ্য কাপড় মানুষ কে না দিয়ে চেষ্টা করুন পরিমানে কম হলেও ভালো মানের কাপড় দিতে। মনে রাখবেন যাকাতের কাপড় এর হক সব চে বেশি আপনার নিকট গরিব আত্তীয় বা গরীব প্রতিবেশীদের।যাই হোক এইরকম দুঃখজনক কাহিনীর সাক্ষী আর হতে চাই না। এক দিকে বসুন্ধরা মার্কেটে গেলে কতো মানুষ এর ঢল হাজার হাজার টাকার ছরা ছরি অন্ন দিকে সামান্য সস্তা লুঙ্গি শাড়ির জন্য কতো মানুষ জীবন দেয়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:৪০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×