somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৫৩ লাখ অপুষ্ট শিশুকে বাঁচাতে তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধির দাবি

১২ ই মে, ২০১১ রাত ৮:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধূমপায়ী অর্থাৎ তামাক সেবীদের তামাকের জন্য ব্যয় করা অর্থের ৬৯ভাগ যদি খাদ্যের পেছনে ব্যয় করা হয় তবে অপুষ্টির কারণে যেসব শিশু অকালে মারা যায় তার ৫০ভাগ শিশুকে বাঁচানো সম্ভব। দরিদ্র বিড়ি সেবনকারীরা প্রতিদিন গড়ে ৮ কোটি টাকা এবং প্রতিবছর প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে। এ বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে দেশে ৭২ লাখ অপুষ্ট শিশুর প্রত্যেককে এক গ্লাস দুধ অথবা ৫৩ লাখ অপুষ্ট শিশুর প্রত্যেককে এক গ্লাস দুধ ও একটি ডিম দেয়া সম্ভব, যা অপুষ্টিজনিত মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বাসস্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে সিরাক-বাংলাদেশ ও ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা আরও বলেন, বিড়ি-সিগারেটের উপর কর বৃদ্ধি ঘটলে এসব তামাকজাত দ্রব্যের দাম বাড়বে। দাম বাড়লে সেবনের হার কমবে। ২০০৮ সালে এইচডিআরসি’র এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিড়ি-সিগারেটসহ তামাক খাত থেকে সরকার যে পরিমাণ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও রাজস্ব (ট্যাক্স) বাবদ যে পরিমাণ অর্থ পায় তার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি পরিমাণ অর্থ তামাকজনিত রোগে আক্রান্তদের স্বাস্থ্য সেবায় ব্যয় হয়।

বক্তারা নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আন্তজার্তিক তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি)-র আর্টিকেল-৬ নং ধারায় তামাক ব্যবহার হ্রাসে কর বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। বিগত ২০ বছরে দেশে চাল, ডাল, তেল, লবনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। কিন্তু মরণঘাতি পণ্য বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্যের দাম বাড়েনি। ফলে দেশে দরিদ্র জনগণসহ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ধূমপানের হার বেড়ে চলেছে। তাই অবস্থান কর্মসূচী থেকে সকল জনপ্রতিনিধিদের প্রতি জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতি রায় সকল তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধি বিষয়ে বলিষ্ঠ পদপে গ্রহনের আহবান জানানো হয়।

অবস্থান কর্মসূচীতে সিরাক-বাংলাদেশ’র প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মোঃ বরকত উল্লাহ ভূঞা’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী মোঃ আসাদুল হক, ডা. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রবীন সমাজসেবী মোহাম্মদ আলী, ব্যবসায়ী মোঃ মোশাররফ হোসেন, সিরাক-বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ অলি আহাদ সহ উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করেন। পরে একটি স্বার গ্রহন কর্মসূচীতে উপজেলার ১০০ জন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ সকল প্রকার তামাকের উপর কর বৃদ্ধির জন্য দাবি জানিয়ে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×