somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি ব্লকায়িত ভালবাসা!! (খানিক ১৮প্লাস)

২৬ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মৃন্ময়ীকে যেদিন ডিপার্টমেন্টে প্রথম দেখে অনিক সেদিন থেকেই তার ভাল লেগে যায়। একটু লাজুক প্রকৃতির হওয়াতে সে কোনভাবেই তা বলতে পারেনা। প্রতিবার যখন অনিক ফেসবুকে লগইন করি একবার করে হলেও সে মৃন্ময়ীর অ্যাকাউন্ট এ ঢুঁ মারে। একটি মাত্র ছবি পাবলিক করা তার। তাও চুলে ঢাকা। তবুও সে একবার করে দেখে সেই ছবিটি। প্রতিবারই ভাবে না আজ ফ্রেন্ড রিকুয়েস্টটা পাঠিয়ে দেব। কিন্তু কিছুটা শঙ্কায় আর ডিপার্টমেন্টে জুনিয়র হওয়াতে কিছুটা ইগোর কারনে আর পাঠানো হয়না। কিন্তু আজকাল মৃন্ময়ীও নাকি ওকে আড় চোখে দেখে বলে তার মনে হয়। সেই সাহস নিয়ে দুবার না ভেবেই আজ অনিক ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিল মৃন্ময়ীকে। অবাক হয়ে অনিক দেখল ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে মৃন্ময়ীও ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট একচেপ্ত করে ফেলল। শুধু তাইই নয় মেঘ না চাইতেই বন্যার মত মৃন্ময়ী তাকে ইনবক্স এ নকও করে ফেলল।

মৃন্ময়ী- হাই
অনিক উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে শোয়া থেকে উঠে বসল। আর সেও মোবাইলটা দুহাতে চেপে ধরে তড়িঘড়ি করে লিখল-
- Hi
মৃন্ময়ী- কি খবর?
অনিক- Valo.
মৃন্ময়ী- আচ্ছা।

না অনিক ভাবল এই আচ্ছা মানে চ্যাট এখানেই শেষ। কিন্তু এই চ্যাট শেষ করতে দেয়া যায়না। চলতে থাকবে অনন্ত কাল। আজ হৃদয়ের মাঝে লুকিয়ে রাখা সব কথা সে মৃন্ময়ীকে বলে দেবে। এইবার সেই লেখা শুরু করল-

- To apnar ki obosta? :)

মৃন্ময়ী- ছিঃ!!! আমি আপনাকে ভাল ছেলে ভেবেছিলাম। আপনি তো দেখি আচ্ছা বিয়াদব। আপনার সাথে কথা বলতে আমার রুচিতে বাঁধে। আপনি আর কখনো আমার সাথে কথা বলবেন না। কথা বলা তো দূরে থাক আমার সামনেও আসবেন না।

সাঁই সাঁই করে যেন অনিকের কানের পাশ দিয়ে গেল মৃন্ময়ীর কথা গুলো। কিন্তু কি কারনে সে এভাবে বকা আর গালমন্দ করছে সেটা জানার জন্য যখনি অনিক লিখতে গেল দেখতে পেল you cannot reply to this conversation. মৃন্ময়ী অনিককে ব্লক করে দিয়েছে।

অনিক আজ খুব একা। কাউকে কিছু বলতেও পারেনা, সহ্যও করতে পারেনা। সবসময় মন খারাপ করে থাকে। না দুই মিনিটের চ্যাটে মৃন্ময়ী তাকে গালমন্দ করেছে বলে নয়। আবার তাকে ব্লক করে হৃদয়ে সুপ্ত করে রাখা মৃন্ময়ীর জন্য ভালবাসার দরজায় ব্লক দিয়েছে বলেও নয়।

কারন অনিক আজও মৃন্ময়ীকে বলতে পারেনি সেদিন মোবাইলে কিপ্যাড ডিকশনারি অন থাকায় "To apnar ki obosta" লিখতে গিয়ে কখন যে "apnar" শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে "sonar" হয়ে গিয়েছিল সে বুঝতেই পারেনি।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:২১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×