সবকিছুই সময়ের দাবী। এই সময়ের সাথেই অনেক কিছুর পরিবর্তন। পরিবর্তন হয় মূল্যবোধের তা সে ব্যক্তি, ব্যক্তি থেকে পরিবার সবখানেই। সেই ষাট-সত্তর দশকে বাংলাদেশের মফস্বল এলাকাগুলোতে টেলিভিশন ছিল স্বপ্নের ব্যাপার। বিদ্যুৎ সরবরাহ একটা প্রধান বিষয় ছিল এব্যাপারে। যাহোক, এখনকার প্রেক্ষাপটে যদি দেখি তবে টেলিভিশনসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী চ্যানেল দেশের একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌছে গেছে অবাধে যার প্রভাব পড়ছে এ প্রজন্মের সন্তানদের উপর তথা সকল পরিবারের উপর। যে কারণে সাংস্কৃতিক রুচিবোধ পর্যন্ত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। এই যে পরিবর্তন এ তো সময়েরই দাবী; কিন্তু তবুও হয়তো অনেকখানি সীমাবদ্ধ থাকতো বা শ্লথ হতো এ পরিবর্তনের ধারা যদি না জাতি হিসাবে আমাদের মূল্যবোধকে আমরা ধরে রাখতে পারতাম। আমাদের এ অবক্ষয়ের মূল কারণ যে একটা দু'টো ঠিক তা নয়, অনেক। এসংক্রান্ত সঠিক নীতিমালা থাকলেও তার বিন্দুমাত্র প্রয়োগ নেই। তাই, সময়ের সাথে যে পরিবর্তন অবশ্যই হয়, তার সাথেও যদি আমাদের জাতিগত সত্ত্বা ও তার মূল্যবোধকে ঠিক রাখি তবে পরিবর্তন যা হবার তা একটি ইতিবাচক দিক দিয়ে হতে পারে; অন্ততঃপক্ষে অবক্ষয়ের গতিকে অনেকখানি ধীর করে দিতে পারি। যুগ বা সময় কোনোটাই এসবকিছুর জন্য দায়ী নয়। সময় বা যুগ তার নিয়ম অনুযায়ী যা করার করে যায়। আর এই সময়কে পরিবর্তিত হতে যে রসদ দরকার তার যোগান দিয়ে যাই আমরা এই মনুষ্যজাতি আমাদের বিভিন্ন আবিষ্কারের মাধ্যমে যার প্রভাব পড়ে আমাদের জীবনযাত্রার উপর। আবিষ্কার আমরাই করি, অথচ নিয়ন্ত্রনের সবকিছু আমাদের হাতে থাকলেও আমরা তার পুরো সদ্ব্যবহার করি না। এ সীমাবদ্ধতার কারণ কী?
আলোচিত ব্লগ
মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ পাখির জগত

টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।
টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।
বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহভঙ্গ!

পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।