দার্জিলিং ভ্রমণ
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
কিছুদিন আগে ১৩জন বন্ধু নিয়ে ঘুরে এলাম দার্জিলিং। এটা আমার প্রথম দার্জিলিং ট্যুর। তাই শুরুতেই খুব এক্সাইটেড ছিলাম। অনেক গল্প শুনিছে যারা ইতিপূর্বে গিয়েছিল। তাই একটা প্রবল আগ্রহ ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার। ঢাকা থেকে বুড়িমারি বর্ডার হয়ে ভারতের চেংরাবান্ধা বর্ডার দিয়ে চলে গেলাম শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি যেতে আমাদের ৫টা বেজে গেল। ওখারকার অনেকে বলছিল পাহাড়ি রাস্তায় সন্ধ্যায় না যেতে। কিন্তু আমাদের সবার আগ্রহটা ছিল দার্জিলিং। তাই ওখানে না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের মন ভরছিল না। তাই কারো কথার তোয়াক্কা না করে ৬টার দিকে দুটো গাড়ি ভাড়া করে চলে গেলাম দার্জিলিং। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে সময় লেগেছিল ৩ ঘন্টা। পাহাড়ি রাস্তা। যত উপরে উঠছি ততই শীত বাড়তে থাকে। এবং তার সাথে পাহাড়ি রাস্তার মোড় গুলো এতটাই ভয়ংকর ছিল যে আমরা মোটামুটি শিহরণ নিয়ে যাচ্ছি। যখনই দূর থেকে রাতের দার্জিলিং দেখলাম সবার মন ভালো হয়ে গেল। এতটা সুন্দর যে রাতের দৃশ্য আমরা কল্পনা করিনি। মনে হচ্ছিল পাহাড়েরর গায়ে কোটি কোটি জোনাকি পোকা জ্বলজ্বল করছে। অনেক আনন্দ নিয়ে দার্জিলিং এর একটি হোটেলে উঠলাম। ওখানে তখন অনেক শীত। আমরা তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরদিন সকালে গেলাম রোপওয়ে দেখতে। রোপওতে বসে দূরে সিকিম দেখা যাচ্ছিল। অনেক মজা লাগলো। ওখানকার একটি চা কোম্পানি থেকে চা কিনলাম। দার্জিলিং-এর বিখ্যাত চা। এরপর ম্যল চত্বর থেকে দেখলাম কাঞ্চনজঙ্ঘা। পরদিন সকালে চলে গেলাম সূর্য উদয় দেখতে কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশ দিয়ে। চমত্কার একটা অনুভূমি এই অনুভূমি কাউকেই বলে বোঝানো যাবে না। অবশ্য সবসময় এই দৃশ্য দেখা যায় না। আমরাও পুরোপুরি দেখতে পারিনি কুয়াশার জন্য। তবুও যা দেখেছি তাতেই মুগ্ধ। এর পর কিছু টেম্পল দেখলাম। এরপর রওনা দিলাম কালিম্পং এর উদ্দেশ্যে। যাওয়ার রাস্তা আরো পাহাড়ি। তবে এবার ভয়টা অনেক কমেছে। যাওয়ার মাঝপথে দেখলাম তিস্তা সে আরেক ভালোলাগার ক্ষণ। আমাদের সবাই চিত্কার করে করে তিস্তার পাড়ে চলে গেলাম। অনেক ছবি তুললাম। এর পর পাইন গাছের মাঝদিয়ে মেঘ। নিজেকে ছুইয়ে যাওয়া মেঘ দেখলাম কালিম্পং এর গিয়ে। অনেক অনেক আনন্দ ও স্মৃতি নিয়ে ফিরলাম। আসার সময় কারোরই দার্জিলিং ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছিল না। তবুও মন খারাপ করে চলে আসতে হলো তবে সবাই বললো আবার আসবো। আমাদের এতোকাছে এতো সুন্দর প্রকৃতি সুযোগ থাকলে সবারই উচিত একবার ঘুরে আসা। আমাদের প্রতিজন খরচ পড়েছে ১০ হাজার টাকা। ৪ রাত ৫ দিন ছিলাম। তবে গ্রুপ করে গেলে সুবিধা পাওয়া যায়। এবং মজাও হয় অনেক।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে। খুলনা...
...বাকিটুকু পড়ুনআমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,...
...বাকিটুকু পড়ুনমন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন