somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাঘ (২)

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১ম পর্বের লিংক ---
বাঘ
মানুষের রক্তের স্বাদ বাঘেদের কাছে সবচেয়ে প্রিয়। এর থেকে উৎকৃষ্ট খাবার আর হয় না। যেসমস্ত বাঘ এইপর্যন্ত মানুষের রক্ত পান করেছে তাদের কাছে সেই স্বাদের প্রসংশা শুনে শেষ করা যায় না। আমাদের এই বাঘপাড়ায় এমন বাঘের সংখ্যা মাত্র তিনজন। তারাই এখন আমাদের এই বাঘ সমাজের নেতা। সাহস, বুদ্ধি আর শক্তির দিক দিয়ে তাদের মতো কেউ নেই এখানে। আমাদের সবার জীবনের লক্ষ্যই একদিন তাদের মতো হওয়া। কথাগুলি মাইকেল তার ভাগ্নে নিটন আর তার বন্ধুদেরকে বলছিলো।

লিটনের বন্ধু টিসার বলে উঠলো – আমার কাকা গতবর্ষায় মানুষ্য বসতিতে মানুষ শিকার করতে যেয়ে তাদের পাতানো ফাঁদে ধরা পড়ে যায়। এই মানুষ শিকারে যাবার জন্যে আমি আমার কাকাকে হারিয়েছি। তাই আমি চাই না যে আর কেউ এই শিকারে যাক।

মাইকেল তার ভ্রু কুঁচকে বলল – দেখ, আমার বাবা-সহ আরও অনেক বাঘই মানুষের গুলির আঘাতে মারা গেছে। মানুষের জন্য আজ আমরা বিলুপ্ত প্রায়।

কথার মাঝে নাক গলিয়ে নিটন বলে উঠলো – মামা ঠিক বলছে। আসলে মানুষেরা আমাদের থেকেও সাংঘাতিক হিংস্র জন্তু। তারা সর্বভূক, দক্ষ শিকারি আর অনেক সমাজবদ্ধ প্রাণী।

মাইকেল এবার উঁচু একটা মাটির ঢিবির উপর উঠে গম্ভীর গলায় সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল – মানুষেরা আমাদের শিকার হরিণ, মাছ ধরে নিয়ে খায়। আমাদের যাবতীয় কার্যক্রম তারা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে তাদের বাড়ির দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখে। আমাদের জীবন-মৃত্যূকে তারা তাদের বিনোদন বানিয়েছে। আমরা যদি তাদের সামনে বিড়াল হয়ে থাকি তবে তারা আমাদের সবাইকে শেষ করে ফেলবে। তখন পৃথিবীতে আমাদের আর কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। মানুষদেরকে মেরে ফেলতে হবে আমাদের। এবার শুরু হবে বাঘের সাথে মানুষের যুদ্ধ।

অত্র বাঘপাড়ায় মানুষ খেকো যে তিনজন বাঘ আছে তারা এখন মানুষ বাদে অন্য প্রাণীর যেমন, গরু, মহিষ বা হরিণের রক্ত খেয়ে মোটেও তৃপ্তি পায় না। কিভাবে তারা মানুষ শিকার করেছিল, সেই গল্প মাইকেল তার ভাগ্নেদেরকে সাথে নিয়ে তাদের মুখ থেকে শোনে। কিভাবে মানুষ শিকার করা যায় তার জন্যে মাইকেল নিজ এলাকার ছোট বাঘদের নিয়ে একটা ট্রেনিংএর ব্যবস্থা করে। নিটন সেই ট্রেনিংপ্রাপ্ত বাঘেদের মধ্যে সেরা। শক্তির চেয়ে বুদ্ধিই যে মানুষ শিকারের জন্যে আসল বিষয় সেটা নিটনের মাছ আর হরিণ শিকারের কৌশল দেখলেই বোঝা যায়। শিকারকে কোথায়, কতো ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে থাবা মেরে সর্বোচ্চ ঘায়েল করা যায় আর শিকারের গলার কোন অংশে কামড় দিতে হবে সেটা মাইকেল সব বাঘকে ভাল মতো শিখিয়ে দেয়। বাঘপাড়ায় মাইকেলের মতো দক্ষ শিকারি, শিক্ষক বাঘ আর একটাও নেই বললেই চলে।

হাইয়া নামের মেয়ে সুন্দরী বাঘটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। তার কান খুব খাড়া এবং পরিষ্কার। আর তাই সে কোন শব্দ শুনে তার সঠিক ব্যাখ্যা করতে পারে। কোন কিছু না দেখেই সে কেবলমাত্র শব্দ শুনেই বলে দিতে পারে যে, এখান থেকে কত দূরে কয়টি হরিণ আছে। শব্দ শুনে সে আরও বলতে পারে যে এটা শূকর, হরিণ না মানুষের সৃষ্টি করা শব্দ। হাইয়ার পিতামহ সমাজের সেই তিনজন মানুষ খেকো বাঘেদের একজন। সে তার পিতামহের কাছ থেকে মানুষ শিকারের গল্প শুনে শুনে, মানুষ শিকার বিষয়ে খুবই আগ্রহী। মেয়ে বাঘ হওয়া শর্তেও দারুন শ্রবণশক্তি আর আগ্রহের জন্যে হাইয়াকে এই শিকারের ট্রেনিংএ নিয়েছে মাইকেল। হাইয়ার বুদ্ধি আর শক্তি থাকলেও মেয়ে বাঘ বলে ওর মধ্যে হিংস্রতা অন্যান্য ছেলে বাঘের তুলনায় কিছুটা হলেও কম।

মানুষ খেকো বাঘেদের মতে, বর্ষাকালের দুপুর সময়টা মানুষ্য বসতিতে যেয়ে মানুষ শিকারের জন্যে ভাল। এসময় বেশির ভাগ মানুষেরা তাদের দুপুরের খাবার খেয়ে তাদের ঘরে ঘুমিয়ে থাকে। যেকোনো প্রয়োজনে বাইরে কেউ না কেউ বের হবেই তখন। আর তখন আমরা তাদেরকে খুব সহজেই আমাদের শিকারে পরিণত করতে পারি। তবে বিপদের কথা এই যে, বসতিতে গেলে আমাদের ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি। ধরা পড়লে ওরা আমাদের পিটিয়ে বা গুলি করে মারবে। আমাদেরকে মানবজাতী খায় না। তারা শুধু আমাদের চামড়াটা দেহ থেকে খুলে নেয়। আমাদের দেহটা যে তারা কি করে তা আমরা আজও জানি না।

উপরের কথাগুলো যখন হাইয়া তার পিতামহের অভিজ্ঞতা থেকে অন্যসব বাঘদেরকে বলছিল তখন বাঘগুলো হা করে তা শুনছিল। তার কথা শোনার পর ছোট ছোট বাঘেদের মধ্যে ভয়ে একপ্রকার নিরবতা নেমে এলো। সে সময় হঠাৎ নিটন গুংকার ছেড়ে বলে উঠলো – মানুষদেরকে মেরে আমাদের প্রতিশোধ নিতেই হবে। এবার আমরা মানুষের চামড়া ছিঁড়ে নিয়ে আসবই।

বর্ষাকাল। মাইকেল মানুষ্য বসতিতে মানুষ শিকারের সমস্ত প্ল্যান সেরে ফেলল। সে, নিটন আর হাইয়া মিলে তিনজনের একটি দল যাবে মানুষ্য বসতিতে। আজ দুপুরেই যাবে তারা। আজ সন্ধ্যায় তারা তাদের মায়ের জন্যে মানুষের দেহ উপহার হিসেবে নিয়ে আসবে। রাতে সবাই গলা ভেজাবে মানুষের রক্তে।

নদী সাঁতরে পার হয়ে যখন তিনজন ঠিক মানুষ্য বসতির কাছাকাছি পৌঁছালো তখন সূর্যটা তাদের মাথার উপর হবে। আকাশে মেঘ, সাথে আবার ঝিরিঝিরি করে বৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশটা অনেকটা সন্ধ্যা সন্ধ্যা ভাব। তারা একটা গোলপাতার ঝোপের পেছনে ঘামটি মেরে বসে তাদের শিকার খুঁজতে লাগলো। ঝোপের অন্ধকারে তাদের চোখগুলো জলজল করছে। হাইয়া তার কান খাড়া করে মানুষ্য বসতির শব্দ শোনার চেষ্টা করছে। বাচ্চার কান্নার শব্দ, মানুষের পায়ের শব্দ, গুরুর ডাক, কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ সবই শুনতে পাচ্ছে সে। শব্দ শুনে বোঝা যাচ্ছে যে তাদেরকে এখানে আরও বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। শিকারের জন্য পরিবেশটা আর একটু শান্ত হওয়া চায়।

অস্থির হয়ে নিটন বললেই ফেলল – আমরা কি এখানে অপেক্ষা করতেই এসেছি? মামা, চলো এবার আগানো যাক।

চিন্তিত মাইকেল বলল – এতো সোজা না। আমরা কেবলমাত্র একটাই আক্রমনের সুযোগ পাবো। মানুষ মারতে পারলে সেটাকে মুখে নিয়ে পালাবো। আর মারতে না পারলেও আমাদেরকে পালাবার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তোমরা মনে রেখো, শিকারের সুযোগ বার বার আসবে তখনই যখন ভাল পালাতে পারবে। আর পালাতে না পারলে ওরা আমাদেরকে ধরে ফেলবে। ধরা পড়লেই মৃত্যু।

এমন সময় বুদ্ধিমতী হাইয়া বললো – এই ঝোপের কিছু সামনে একটা রাস্তা আছে। রাস্তার পাশে আছে একটা গেরোস্ত বাড়ি। সেখানে তিনটা গরু বাধা আছে। বর্ষার জন্য মানুষ এই রাস্তাতে নেই বললেই চলে। গেরোস্ত বাড়ির মানুষগুলোর কয়েকটির নাক ডাকার শব্দ পাচ্ছি। আর কেউ কেউ ঘরের ভেতরে কথা বলছে। আমাদের উচিত হবে ওদের বাড়ির পাশে যেয়ে ঘাপটি মেরে বসে থাকা। ওরা ঘর থেকে বেরোলেই আমরা ওদের আক্রমন করবো।

মাইকেল বলল – হাইয়া, তুমি এখানে থেকো। আমি আর নিটন যাবো।

কিছুক্ষণ পর হাইয়াকে রেখে মাইকেল আর নিটন এগিয়ে যেতে লাগলো সামনে। যাবার সময় মাইকেল হাইয়াকে বলল, আমাদের উপর পাল্টা আক্রমন হলে পালাতে দেরি করোনা। যেভাবে পার, পালিয়ে নিজের জীবন বাঁচাবে। এই বলে তারা হাইয়ার দৃষ্টি সীমার বাইরে মিলিয়ে গেল।

রাস্তার উপরে কোন মানুষ ছিল না। মাইকেলের কথা মতো নিটন একটা বটগাছের উপরে উঠে গেল। আর মাইকেল ধীরে ধীরে দৌড়ে গেরোস্ত বাড়ির পাশে কলাগাছের পেছনে যেয়ে বসলো।

অনেক শান্ত পরিবেশ। তাজা মানুষের রক্তের গন্ধ পাচ্ছে মাইকেল। সে অনেক সতর্ক। ওদিকে হাইয়া উত্তেজনা নিয়ে তার কান খাড়া করে বসে আছে। আর গাছের মোটা ডালের উপর নিটন তীক্ষ্ণ দৃষ্টির সাথে তাকিয়ে মানুষ ঘর থেকে বেরোনোর অপেক্ষার প্রহর গুণছে।

এমন সময় গরুগুলো বাঘের উপস্থিতি টের পেয়ে ভয়ে লাফালাফি আর জোরেজোরে ডাকা শুরু করে দিলো। সাথে সাথে দুইটি মানুষ ঘর থেকে লাঠি নিয়ে বাইরে কি হয়েছে তা দেখতে আসলো। মাইকেল একলাফে মানুষের সামনে এসে দাঁড়ালো। নিটন গাছের উপর থেকে হুংকার ছাড়ছে। মাইকেল লাফ মেরে একথাবা মারতে যাবে, এমন সময় পাশথেকে গুলি ছুড়লো মানুষগুলো। গুলিটা মাইকেলের পেছনের পায়ে লাগলো। সাথে সাথে মাইকেল মাটিতে পড়ে গেল। নিটন গাছ থেকে নিচে নেমে আসলো। মাইকেল নিটনের দিকে তাকিয়ে বলল – পালাও নিটন, পালাও।

নিটন দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে পেছন ফিরে দেখল তার মামা মাইকেল মাটিতে পড়ে আছে। আর মানুষগুলো বন্দুক, লাঠি নিয়ে তার দিকে তেড়ে আসছে।

নদী পার হয়ে হাইয়া আর নিটন যখন এপাশের তীরে এসে উঠলো তখন তারা দেখলো যে ওপাশে আগুন জ্বলছে। মানুষগুলো ঢোল বাজাচ্ছে আর চিল্লাচ্ছে। তাদের মামাকে তারা যে হারিয়েছে এটা তাদের বুঝতে আর বাকী রইলো না।

বাঘপাড়ায় তারা ফিরে ছিল অনেক রাতে। ছোট বাঘেদের মধ্যে মানুষের ভয় আর সবার মধ্যে এক বেদনার ছায়া নেমে এসেছিল। একজন ভাল শিকারি, শিক্ষক বাঘ মাইকেলকে এভাবে হারানোর ঘটনাটা তাদের সবাইকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দিল।

এদিকে পেছনের পায়ে গুলি লেগেছে মাইকেলের। লাঠির আঘাতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল। যখন তার জ্ঞান ফিরলো তখন সে দেখল যে, সে লোহার খাঁচায় বন্দী। তার চোখ অনেক ভারী হয়ে আছে। অনেক দুর্বল সে। তার কানে সে মানুষের আওয়াজ পাচ্ছিলো। আর পাচ্ছিলো মানুষের রক্তের গন্ধ। মনে মনে ভাবল সে, মানুষ তোমরা জেনে রেখো নিটন ও তার বন্ধুরা একদিন না একদিন ঠিকই এর প্রতিশোধ নেবেই। ভাবতে ভাবতে সে আবারও অজ্ঞান হয়ে গেল।

(ধারাবাহিক)
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×