somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খন্ড কথোপকথন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কেউ হিজাব না পরলে তাকে নিয়ে কটুক্তি করা কিংবা জোর করে হিজাব পরতে বাধ্যা করা যেমন তার ব্যক্তি স্বাধীনতা লঙ্ঘন। তেমনি কেউ হিজাব পরলে তাকে কটুক্তি করা কিংবা জঙ্গি বলা বা তার হিজাব খুলতে বাধ্য করাও ব্যাক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন। একদল লোক ধার্মিক পরিচয়ে মেয়েদের পোষাক নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। আরেক দল মুক্তচিন্তাবীদ পরিচয়ে মেয়েদের হিজাব নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। দুই দলই মন্দ লোক, আমি সর্বদাই এদের বিরুদ্ধে। তবে যারা একেবারেই অশ্লিল পোষাক পরিধান করে, তাদের খুব ভদ্র এবং মার্জিত ভাবে সেসব পোষাক পরিধান না করার জন্য পরামর্শ বা অনুরোধ করা উচিত। সে না শুনলে বা না মানলে তাকে এরিয়ে যাওয়াটাই ভদ্রলোকের কাজ, এক্ষেত্রে বাজে বা মন্দ কথা বলা ধর্মেও সমর্থন করে না।
"অনেক সময় সন্ত্রাসীরাও হিজাব দিয়ে নিজেকে আড়াল করে" এমন যুক্তিতে অনেক রাষ্ট্রই হিজাব নিষিদ্ধ করেছে। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে অনেক সময় বারে গিয়ে মদ্যপান করে মাতাল হয়ে বাহিরে এসে অনেকেই অনেক উল্টাপাল্টা কাজ করে, সেক্ষেত্রে বার এবং মদ কেন নিষিদ্ধ করা হয়না।

বঙ্গবন্ধু, মাওলানা ভাসানী এরা মানবতার জন্য এবং মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করেছে এজন্য তাদের ভালোবাসি শ্রদ্ধা করি। ধার্মিক হোক বা নাস্তিক হোক যারা মানবতার পক্ষে কাজ করে, ভালো ভালো কথা প্রচার করে, সমাজের খারাপ রূপ মানুষের সামনে তুলে ধরে আমি সর্বদাই তাদের সেই মানবিক কাজ, ভালো কথা, সমাজের খারাপ রুপ তুলে ধরাকে সমর্থন করি।
অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদকে একদল লোক প্রকাশ্যে কুপিয়ে মেরে ফেললো, অনেকে বাহবা দিলো, কারন সে খুব অশ্লীল অশ্লীল কথা লেখতো। অথচ সমাজ যখন অশ্লীল তখন তার প্রকৃত রূপটা তুলে ধরলে সেটা অশ্লীল হওয়াটাই কি স্বাভাবিক নয়?

কমিউনিজম একদিকে মানুষের সমঅধিকারের কথা বলে অন্য দিকে নাস্তিকতার ধারনা পোষণ করে। আমি যাস্ট তাদের প্রথম অংশটুকু অর্থাৎ সমঅধিকারে ধারনাকে সমর্থন করি। কারন ইসলামও মানুষের সমঅধিকারের কখা বলে। আরো বলে, এসো সেই কথায় যা তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে এক।

ড. মিজানুর রহমান, বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয়। দেশ বিদেশে তার কোটি কোটি অন্ধ ভক্ত রয়েছে। নাহ্, আমি তার অন্ধ ভক্ত নই (ইনফ্যাক্ট আমি কারোই অন্ধ নই) তবে তিনি ম্যাক্সিমামই ভালো ভালো কথা বলছে (আমি এ পর্যন্ত তার যেসব বক্তব্য শুনেছি তার আলোকে বলছি) তাই তার কথাগুলোকে সমর্থন করি। তার যেহেতু কোটি কোটি ভক্ত রয়েছে তাই সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটানোর সুযোগও তার রয়েছে।
এইযে বর্তমানে সমগ্র জাতী পদে পদে দূর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে তার মৌলিক কারন কি জানেন? দূর্নীতি, দূর্নীতিই হচ্ছে এর মূল এবং মৌলিক কারন। আবার দূর্নীতির মৌলিক কারন হচ্ছে লোভ। ড. মিজানুর রহমান সাহেব যদি তার ওয়াজে ঘুষ, ধর্ষন, কালোবাজারি, লোক ঠকানো, অন্যের সম্পদ দখল, পণ্যে ভেজাল ইত্যাদি বিষয় সমূহে সর্বদা ফোকাস করে এবং তার লেকচারের সিংহভাগে এই বিষয় গুলোই যদি বারবার তুলে ধরে, তাহলে আমার মনে হয় দূর্নীতির ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান আরো নিচে নামবে। মানুষের দূর্ভোগ ও কমবে।

ডাঃ জাকির নায়েক, বর্তমান সময়ে আমার দেখা ইসলামিক লেকচারারদের মধ্যে সেরা। তার মতো প্রতিটা কথায় পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে রেফারেন্স কেউ দিতে পারে না। আমার মতে ওয়াজ মাহফিল গুলোতে গল্প কিচ্ছা বাদ দিয়ে এভাবেই সরাসরি কুরআন ও হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে লেকচার দেয়া উচিত। অনেকেই বলতে পারেন মানুষকে বুঝানোর জন্য গল্প কিচ্ছা বলতে হয়। কই ডাঃ জাকির নায়েক তো এতো এতো গল্প কিচ্ছা বলেনা, তার কথা তো মানুষ ঠিকই বুঝছে। যারা ওয়াজ করে তাদের উচিত ডাঃ জাকির নায়েক কে ফলো করা, ভালোকিছু ফলো করাতে কোন লজ্জা নাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×