somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাম্প্রতিক তিনটি ইস্যু- আমানতের বীমা একলাখ টাকা, নামাজ না পড়ার শাস্তি বেতন কাটা আর কচুরিপানা: আমার বিশ্লেষণ

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইস্যু নম্বর এক: এক লাখ টাকার আমানত বীমা
সরকার আমানত সুরক্ষা আইন নামে নতুন একটি আইন করতে যাচ্ছে। নতুন আইনটির খসড়া অনুমোদন করে মতামত চেয়ে পনের কার্যদিবস সময় দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে। খসড়া আইনটি এখনো ওয়েব সাইটে মতামতের জন্য। হঠাৎ একটা বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে যে, ব্যাংক দেউলিয়া হলে যত টাকাই রাখুক গ্রাহক এক লাখ টাকা পাবেন। টাকার বিষয়টি সঠিক। তবে কথা হলো- বিষয়টি নূতনও না। আইনটি আগের ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ রহিত করে করা হচ্ছে৷ আমানত বীমা আইন, ২০০০ এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী কোন ব্যাংক দেউলিয়া বা অবসায়নের আদেশ হলে বীমার আওতায় সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পাওয়া যাবে৷ এখনো মতামত দেয়ার সময় আছে- ২০০০ সালে এক লাখ টাকা হলে মুদ্রাস্ফীতির হার ধরে টাকার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করাটাই হবে যৌক্তিক। অথচ এটা না করে পুরা অনলাইন জুড়ে যার যা খুশী তাই লিখে যাচ্ছে৷

ইতিহাসটা জানি:
এবার আসুন, আমানতের বিপরীতে এই বীমার ইতিহাসটা একটু জেনে নেই। সরকার ১৯৮৪ সালে আমানত বীমা তহবিল গঠন করে । ওই সময় The Bank Deposit Insurance Ordinance, 1984 প্রণয়ন করা হয়। অধ্যাদেশে বীমার টাকার পরিমাণ ছিল ৬০ হাজার টাকা। পরে ২০০০ সালে সংশোধন করে ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ আইনটি প্রনয়ণ করা হয় এবং বীমার আওতা বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়। সেই আইনটিই বর্তমানে সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং বীমার আওতা এক লাখ টাকাই প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তহবিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তার অধীনস্থ ব্যাংকগুলো থেকে আমানতের বিপরীতে প্রিমিয়াম আদায় করে। ২০১৩ সাল থেকে ঝুঁকি বিবেচনায় ভালো ‘ক্যামেলস রেটিং’ পাওয়া ব্যাংকের একশ’ টাকা আমানতে ৮ পয়সা প্রিমিয়াম কাটা হয়। আরলি ওয়ার্নিং তথা মধ্যম মানের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের একশ’ টাকার বিপরীতে ৯ পয়সা এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে ১০ পয়সা করে আদায় করা হয়। এ অর্থ সাধারণভাবে সরকারি ৫ ও ১০ বছর মেয়াদি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবছর বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তহবিলের হিসাব প্রকাশ করে। সর্বশেষ প্রকাশিত হিসাবে দেখা যাচ্ছে- এ তহবিলে ৭ হাজার ৯৪ কোটি টাকা রয়েছে।

অন্যান্য দেশে কী অবস্থা:
পাশের দেশ ভারতে আমানতের বিপরীতে বীমার পরিমাণ এক লাখ রুপি ছিল। ১৯৯৩ সালের পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি তা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ রুপি করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতেও বীমার অংকটা এক। মানে এক লাখ ইউরো। পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে ডিপোজিট বীমা তাদের কারেন্সিতে এক লাখের অংকটাই বেশি। তবে কোরিয়ায় এর পরিমাণটা ৫০ মিলিয়ন বা পাঁচ কোটি ওন। যা বাংলাদেশের টাকায় সাড়ে ৩৫ লাখ টাকার মতো। চীনে এর পরিমাণ পাঁচ লাখ ইউয়ান। যা বাংলাদেশী টাকায় ৬০ লাখ টাকার মতো। যুক্তরাষ্ট্রে এ টাকার পরিমাণ আড়াই লাখ ডলার। এ থেকে যেটা বুঝতে হবে- কেউ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে পাঁচ লাখ ডলার আমানত রাখলেন। ওই ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলো। তিনি আড়াই লাখ ডলার ফেরত পাবেন। পৃথিবীর কোন দেশে আমার জানা মতে, ব্যাংক দেউলিয়া হলে বীমার বাইরে পুরা টাকা গ্রাহক পায়না। এ বীমার টাকা দেয়ার জন্য বিভিন্ন দেশ একটি স্বতন্ত্র বীমা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেডেরাল ডিপোজিট ইন্সুরেন্স করপোরেশন (এফডিআইসি) ও ন্যাশনাল ক্রেডিট ইউনিয়ন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনসিইউএ), জাপানে এ ধরণের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তিনটি। ডিপোজিট ইন্সুেরেন্স করপোরেশন অব জাপান ছাড়াও মৎস্য ও কৃষি আমানতের জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠান আছে। বাংলাদেশ এ ধরণের একটা প্রতিষ্ঠান করে দিতে পারে। আমানতের উপর বীমার আওতাটা আরো বাড়ানো যেতে পারে।

ব্যাংক দেউলিয়া হয় কী না?
বাংলাদেশে আমার জানামতে এ পর্যন্ত দুইটি ব্যাংক অবসায়ন করা হয়েছে। ১৯৯২ সালে ব্যাংক অব ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ইন্টারন্যাশনাল (বিসিসিআই) থেকে ইস্টার্ন ব্যাংক করা হয়। ২০০৬ সালে দেউলিয়া হয় ওরিয়েন্টাল ব্যাংক। পরে মালিকপক্ষের ৮৬ শতাংশ শেয়ারের বড় অংশ কিনে নেয় আইসিবি গ্রুপ। তারা ব্যাংকটির নাম দেয় আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক। যতটুকু জানি, বিসিসিআই'র বিভিন্ন দেশের গ্রহকরা এবং ওরিয়েন্টালের গ্রাহকরা এখনো টাকা ফেরত পাননি। ভারতের অবস্থাও একই। দেশভাগের পরপর দেউলিয়া হওয়া পাইওনিয়ার ব্যাংক এবং ক্যালকাটা মর্ডান ব্যাংকের লিকুইডেশনের সমস্যা এখনও সমাধান হয়নি।

গ্রাহকের যা করণীয়:
ভালো ব্যাংক কখনোই দেউলিয়া হয়না। এজন্য টাকা রাখার আগে দেখে নিবেন ব্যাংকটির মালিক কারা বা এর ক্যামেল রেটিং কোন পর্যায়ে। রুগ্ন ব্যাংকগুলো সাধারণত বেশি সুদ দিয়ে থাকে। লোভে পড়া যাবেনা। বাংলাদেশ ব্যাংকের শত অনুমোদন থাকলেও এ ধরণের ব্যাংকে টাকা রাখা যাবেনা। টাকা থাকলেই হবেনা, নিজেদেরও একটা দায়িত্ব আছে। এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এ নিয়ে হইচই না করে ওয়েবসাইটে সুচিন্তিত মতামত দিন।

ইস্যু নম্বর দুই: গার্মেন্টসে কর্মরতদের নামাজ বাধ্যতামূলক এবং শাস্তি
বিষয়টা প্রথম ইসলামের দৃষ্টিকোণে দেখি। ইসলাম হলো তিনটা হকের সমন্বয়। প্রথমটা হলো আল্লাহর হক। দ্বিতীয়টি হলো- বান্দার হক। তৃতীয়টি হলো- পিতামাতার হক। এখানে নামাজ পুরোপুরি আল্লাহর হক। নামাজ পড়েলে আল্লাহ পুরস্কার দেবেন, না পড়লে শাস্তি দেবেন। দুনিয়াতে কোন শাস্তি আল্লাহ দেবেন না। ইসলামের বিধানমতে, পিতামাতা বা শিক্ষক একটা বয়স পর্যন্ত নামাজে বাধ্য করতে পারেন। পৃথিবীর সভ্য বহু দেশেও এখন এটা সম্ভব নয়। এটা অন্য কথা। আমাদের দেশের মতো একটি দেশে পরিবার বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামাজ পড়তে বাধ্য করতে পারে। পরিবার চালাতে গেলে অনেক আইন আছে। আইনের বাইরে অনেক কিছু করার সুযোগও আছে। অন্যদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলেও আইন আছে। তবে আইনের বাইরে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক বা নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে প্রতিষ্ঠানে ভালো যেকোন কিছু চালু করতে পারেন। মুসলিম শিক্ষার্থীদের নামাজ পড়তে বাধ্য করতে পারেন। তবে শিল্প প্রতিষ্ঠান চলে আইন মোতাবেক। কাজ কীভাবে করবে তার জন্য শ্রম আইন আছে। তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ নামাজ না পড়লে শাস্তির ব্যবস্থা করে নিজেদেরকে আল্লাহর স্থানে বসিয়ে দিয়েছে। কেউ নামাজ না পড়লে আল্লাহ মাফও করতে পারেন- এটা তার বেলায়েতের অধিক্ষেত্র। কিন্তু গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের কাছে মাফ নেই। বেতন কাটা হবে। একজন মানুষ আট ঘন্টা কাজ করলে তিনি তার পারিশ্রমিক পাওয়ার হকদার হয়ে যান। নামাজ না পড়লে তার পারিশ্রমিক বা বেতন কাটা হবে- এটা কোন ইসলামে আছে? তারা যেটা করতে পারতো- নামাজের জন্য অনুরোধ করতে পারতো। যে নিয়মিত নামাজ পড়বেন তার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখতে পারতো। কে নিয়মিত নামাজ পড়ে সেটা দেখে নিয়োগ দিতে পারতো। তা না করে তারা শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছে। বেতন কাটার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। একজন মহিলা শ্রমিক বিশেষ সময়ে শারিরীক কারণে নামাজ পড়তে পারেন না, তিনিও কী কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, তার এ কারণে নামাজ পড়তে পারছেন না। তার বেতনটা কীভাবে কাটবে। দেশে হাবিজাবি বক্তার ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তিকর ওয়াজের ফসল এগুলো। সাইড অ্যাফেক্ট।
সংবিধানের কথা যদি বলি, ব্যক্তি স্বাধীনতা আছে। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৩২ অনুচ্ছেদে এটা বলা আছে। বাংলাদেশ এখনো তালেবানের হাতে যায়নি। এদেরকে আইনের আওতায় আনা দরকার। নয়তো কয়েকদিন পর আরেকজন আইন করবে দাড়ি না রাখলে বেতন কাটা যাবে। এটা এখনি থামানো দরকার।

নজরুলের একটা কবিতা মনে পড়ছে। শুধু এটি পড়লেই মুর্খগুলোর এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ছিলনা।
মসজিদে কাল শিরনি আছিল, অঢেল গোস্ত-রুটি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটিকুটি!
এমন সময় এল মুসাফির গায়ে আজারির চিন,
বলে, ‘বাবা, আমি ভুখা- ফাখা আছি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়াঁ হইয়া হাকিল মোল্লা---“ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভুখা আছ মর গো-ভাগারে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?”
ভুখারি কহিল, “না বাবা!” মোল্লা হাঁকিল,“তা’ হলে শালা,
সোজা পথ দেখ!” গোস্ত-রুটি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভখারি ফিরিয়া চলে, চলিতে চলিতে বলে-
“আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করোনি প্রভু,
তব মসজিদ-মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবি,
মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!''

ইস্যু নম্বর তিন: কচুরিপনা খাদ্য
আমি এখন দক্ষিণ কোরিয়াতে আছি। এখানে একটা দামি খাবার আছে। তবে আমি খেতে পারিনা। ট্যাবুর কারণে। আমার কাছে মনে হয়, শ্যাওলা। যাকে এরা বলে সী উইড বা সামূদ্রিক আগাছা। এটা কী করে খাবার হয়। অথচ খাবারটা খুব স্বাস্থ্যসম্মত।

এই যে খেতে পারিনা- এর পেছনে আমাদের দেশের দীর্ঘদিনের খাদ্যাভ্যাস আর চিন্তা শক্তির গন্ডিবদ্ধতা এর জন্য দায়ী। ছোট বেলা থেকে যা খেয়ে এসেছি, খাবার হিসেবে যা দেখে এসেছি, এর বাইরে অন্যকিছু খাবার হিসেবে চিন্তাই করতে পারিনা। সারাজীবন একটা বদনাকে দেখেছি টয়লেটে। সেই বদনা খাবার টেবিলে যে পানি খাওয়ার ভালো একটা বিষয় হতে পারে, এটা মানতে পারিনা। টেবিলে বদনা দেখলে ক্ষুধা মরে যাবে- এরকম লোকজন আমাদের দেশে অধিকাংশ। ফলে কচুরিপানা খাদ্য হতে পারে কীনা -ট্যাবুর সুতিকাগার এমন একটি দেশে এ বিষয়টি গবেষণার কথা বলে ট্রলের মুখে পড়েছেন মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী।

কথা হলো সমূদ্রের শ্যাওলা তো কচুরিপানার চেয়েও জঘন্য। কী রকম পিচ্ছিল। বরিশালের ভাষায় যাকে বলে লোট লোট। সেটি শুকানো হয়। শুনেছি, কক্সবাজারে এই সিউইড চাষ করা হয়। সেন্ট মার্টিনে দেখেছি একদল শিশু সমূদ্রের তীরে এই শ্যাওলাগুলো কুড়াচ্ছে।আমি তখনো জানতাম না, এটা খাবার। ভাবলাম, সমূদ্রের তীরের মানুষ, এত গরীব যে শ্যাওলা খেতে হচ্ছে। অথচ বিদেশে এসে বুঝি এর কত মূল্য। পিজ্জা, সমুসা, পাকোড়া, স্যুপ, সালাদ, ডেজার্ট, কেক, বান, সিঙ্গাড়া, শাক ইত্যাদিতে সি-উইড ব্যবহৃত হচ্ছে।
ডায়াবেটিকস রোগ আছে এমন লোকদের জন্য মহৌষধ। এছাড়া ব্যাঙ'র ছাতার কথা নাই বললাম। এই লেখা পড়ে এরপরেও কী নাক সিকটাবেন?

আমার ধারণা অন্য কোন উন্নত দেশে আমাদের দেশের মতো এত বেশি কচুরিপানা থাকলে তা থেকে তারা ঠিকই খাদ্য বা অন্য কিছু উৎপাদন করে ফেলতো। এ থেকে খাদ্য উদ্ভাবন করা যায় কীনা তা নিয়ে গবেষণা করতে বলা একজন মানুষের অনেক দূরদৃষ্টিতার লক্ষণ। আমি দেশে থাকার সময় কচুরিপানা থেকে কাগজ উৎপাদন করা যায় কীনা তা নিয়ে অনেকের সাথে কথা বলেছি। কর্ণফুলি কাগজকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমাকে বলেছিলেন, তিনি যখন পিএইচডি করছিলেন, তখন কচুরিপানা ছোন ঘাস নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। দেখেছেন, কচুরিপানায় আঁশ না থাকায় তা দিয়ে লেখার মতো কাগজ বানানো সম্ভব নয়। তবে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এই কচুরিপানা দিয়ে হাতে কাগজ তৈরি করা হচ্ছে। তা দিয়ে তৈরি কার্ড খেলনা দেশ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। সুতরাং কচুরিপানাকে ফেলনা বলার কোন কারণ নেই।

কথা হলো- এরকম একটা আউট অব বক্সের কথা শুনে যেদেশের মানুষ ঠাট্টা করে ট্রল করে টিটকারি মারে নাক সিটকায়, সেদেশে আর যাই হোক বিজ্ঞানীর জন্ম হবেনা- তা হলফ করে বলা যায়।

দক্ষিণ কোরিয়া
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫৪
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুরাগের বুকে আমার ছোট ভাইদের লাশ ২০২৪-এর উপহার ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্রিকেটের রাজাকার ট্যাগ পাচ্ছেন বুলবুল আহমেদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

বাধ্যতামূলক ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে।
বর্তমানে আইন অনুযায়ী এনআইডি নবায়নের সুযোগ থাকলেও সেটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×