somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দক্ষিণ কোরিয়ার করোনা রাজনীতি

০১ লা মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দক্ষিণ কোরিয়া রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র। প্রেসিডেন্টের নাম মু জে ইন। ২০১৭ সালের মে মাসে তিনি ১২ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। আমি বর্তমানে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি, কিউং হি ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্র তিনি। বলতে গেলে প্রেসিডেন্ট বড় বিপদে আছেন। করোনা ভাইরাস তার চলার পথকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন করে দিয়েছে। দেশটিতে উদার গণতন্ত্র রয়েছে। প্রেসিডেন্ট অফিসের ওয়েব সাইটে প্রেসিডেন্টের কাছে যেকোন বিষয়ে আবেদন বা দাবি করা যায়। আবেদনের প্রক্রিয়াটা অনেকটা চেঞ্জ ডট ওআরজির মতোই। জনগণ তাতে সমর্থন করেন। প্রেসিডেন্ট অফিস ইচ্ছা হলে যেকোন আবেদনের জবাব দেন। তবে আবেদনে স্বাক্ষরের বা সমর্থনকারীর সংখ্যা দুই লাখের অধিক হলে এর উত্তর দিতে বাধ্য থাকেন।

দক্ষিণ কোরিয়া করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে কোরিয়ার নাগরিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে সরব ছিলো, যাতে চীনা নাগরিককে কোরিয়াতে ঢুকতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে মুন প্রশাসন কিছুতেই চীনা নারিগকদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন নি। আর এদিকে দিন দিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বাড়তে থাকে। বেড়ে যায় ফেস মাস্কের চাহিদাও। তবে চীনের আকাশচুন্বী চাহিদা ও বেশি মুনাফা পেতে ব্যবসায়ীরা চীনে মাস্ক রপ্তানী অব্যাহত রাখে। সরকার অনেক দেরি করে মাস্ক রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যা ভালোভাবে নেয়নি কোরিয়ান জনগণ। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ার একজন নাগরিক প্রেসিডেন্ট দপ্তরের ওয়েব সাইটে প্রেসিডেন্ট মুনের ইমপিচমেন্ট দাবি করে একটি আবেদন করে। এরপর যা ঘটেছে তা ইতিহাস। এ যাতবকালের সবচেয়ে বেশি সমর্থন পায় ওই আবেদনটি। এ পর্যন্ত তাতে সমর্থন জানিয়েছে ১৪ লাখ ১১ হাজার ৮১১ জন কোরিয়ান নাগরিক। সমর্থনের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। প্রতিদিন বিষয়টি নিয়ে নিউজ হচ্ছে। এখনো প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এ আবেদনের উত্তর আসেনি। একটা জবাব আসবে হয়ত। কী জবাব দেবেন মুন সেদিকে তাকিয়ে আছেন কোরিয়ানরা।

এখন প্রশ্ন আসবে প্রেসিডেন্ট মুন কেন জনগণের দাবি এড়িয়ে গিয়ে চীনকে প্রাধান্য দিয়েছেন। কোরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সরাসরি উপস্থিতি রয়েছে। এই বাহিনীর নাম ইউনাইটেড স্টেটস ফোর্স ইন কোরিয়া বা ইউএসএফকে। এই বাহিনীর ২৩ হাজার ৪৬৮ জন সৈন্য বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করছে। সেখানে চীনকে গণনায় না ধরলেও চলে দক্ষিণ কোরিয়ার। বাস্তবে সেটাই হয়েছে। ২০১৭ সালে চীনের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে দক্ষিণ কোরিয়া দেশটিতে এন্টি মিসাইল প্রতিরক্ষা সিস্টেম স্থাপন করে। এ সিস্টেমটি টার্মিনাল হাই এলটিটিউট এরিয়া ডিফেন্স বা থাড ডিফেন্স সিস্টেম নামে পরিচিত। এর ফলে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের একটা টানা পোড়েন শুরু হয়। চীন ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে কিছুটা হলেও মুখ ফিরিয়ে নেয়। এর ফলে কোরিয়ায় ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দাভাব শুরু হয়। বেকারত্ব বেড়ে যায়। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে এদেশে বেকারত্বের হার গিয়ে দাড়ায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশে। ২০১০ সালের পর এটাই সবোর্চ্চ বেকারত্বের হার। করোনা ভাইরাসের পর পুরো বিশ্ব যেখানে চীনের জন্য দড়জা বন্ধ করেছে, দক্ষিণ কোরিয়া সেটাকে চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন চীনের প্রেসিডেন্টকে ফোন করে প্রতিবেশির ব্যথাটা নিজের বলে মন্তব্য করে সকল সহযোগিতা করবে বলে জানায়। চীনে মাস্ক রপ্তানিও অব্যাহত রাখে। তবে করোনা ভাইরাসে কোরিয়ার অবস্থা গুরুতর হতে থাকলে চীনারাই আসা কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন যেখানে ২০ হাজার চীনের নাগিরক কোরিয়ায় আসতো সেখানে তা এক হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। মাস্ক রপ্তানিও বন্ধ করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে করোনা ভাইরাসের কারণে কোরিয়া এখন শোচনীয় অবস্থার দিকে যাচ্ছে।


বর্তমানে তিন হাজার পাঁচশ’র ও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন দুইশ থেকে পাঁচশ পর্যন্ত করোনার রোগী চিহ্ণিত করা হচ্ছে। কোরিয়ার দেগু শহর যা রাজধানী থেকে ২৫০ কিলোমটার দূরে, কার্যত তা রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। পুরা শহর জনশূন্য মনে হয়। আমাদের স্প্রিং সেমিস্টার পনের দিন পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এটি আজ ১ মার্চ থেকে চালু করার কথা ছিল। চীনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসতে শুরু করেছে। তারা ডরমিটরিতে উঠছে। আর আমাদেরকে আরেকটি ডমরিটরিতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তাদেরকে আগামী ১৫ দিন কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে। প্রতিদিন আমাদের শরীর চেক আপ করা হচ্ছে। রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে সরকারের কাছে। আজকে মেইল পেলাম, পনের তারিখের পর আরো পনের দিন ক্লাসরুমে যেতে হবেনা। অনলাইনে কোর্স শুরু হবে। ক্লাসও হবে অনলাইনে। এদিকে অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চীন থেকে আসা একজন শিক্ষাথীর শরীরে ভাইরাস ধরা পড়েছে। এনিয়ে পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক। ডরমিটরির কক্ষেই দিন রাত কাটিয়ে দিচ্ছি। এ ডরমিটরিতে রান্নার ব্যবস্থা নেই। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে। সরকার ডিসইনফেকশনের কাজ করছে। পুরো রাস্তাঘাট। পরিবহন। কোন কিছু বাদ নেই। মাস্ক কিনতে গিয়েও পাইনি। পরে কোরিয়া সরকারের সংস্থা কইকা আমাদের কাছে মাস্ক, থার্মোমিটার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাঠিয়েছে। প্রতিরোধের কোন কিছুর কমতি নেই। এত উন্নত প্রযুক্তি তারপরেও বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছেনা।

দক্ষিণ কোরিয়ানরা চীনাদের পছন্দ করেনা। কারণ এদেশে বিদেশীদের সংখ্যা বাড়ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনসংখ্যা ৫ কোটি ১২ লাখের মতো। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এ দেশে বিদেশীদের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৫ লাখেরও বেশি, যা মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৯ ভাগ। অথচ ২০০৭ সালে বিদেশীদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ লাখ। বিদেশীদের মধ্যে চীনের লোকসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০১৮ সালের হিসেবে চীনা বংশোদ্ভূত ১০ লাখ ৭০ হাজার ৫৬৬ জন কোরিয়ায় বসবাস করছে। চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যাটাও বেশি। ৭১ হাজার ৭১৯ জন চীনের শিক্ষার্থী দক্ষিণ কোরিয়ার পড়াশুনা করছে। এ কারণেই চীনকে নিয়ে আতংক বেশি। এখানে একটা বিষয় বলে নেই, দক্ষিণ কোরিয়ায় বিদেশীদের তালিকায় বাংলাদেশিদের অবস্থান ১৮ নম্বরে। ১৬ হাজার ৬৪১ জন বাংলাদেশি এখানে বসবাস করছেন।


যাই হোক ইমপিচ দাবির আবেদনে ফিরে যাই। প্রেসিডেন্টর ইমপিচ দাবি করে বলা হয়েছে, মুন করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যত বেশি কাজ করবেন তাতে তাকে কোরিয়ার প্রসিডেন্ট মনে হবেনা। চীনের প্রেসিডেন্ট মনে হবে। যেখানে ৬২ টি দেশ চীনের লোকজনের ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেখানে কোরিয়া হুবেই প্রদেশে বিগত দুই সপ্তাহ অবস্থানের ভিত্তিতে কোরিয়া ভ্রমণ সীমিত করেছে। এটা কার্যকর করা অসম্ভব। কে বিগত ১৫ দিনে হুবেই ছিল তা যাচাই করা সম্ভবও নয়। কারণ উহান রুদ্ধ করার আগে ৫০ লাখ মানুষ সরে পরতে সক্ষম হয়েছে। এমতাবস্থায়, এখনো প্রতিদিন ২০ হাজার চাইনিজ দক্ষিণ কোরিয়ায় ঢুকছে। দক্ষিণে কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোরিয়ানদের অগ্রাধিকার দেয়াটা কী উচিত ছিলনা? এটা ভাবলে কোরিয়ায় চাইনিদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হতো। এই পদক্ষেপ না নিয়ে মুন কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা হারিয়েছেন।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এর কোন জবাব না পাওয়া গেলেও সরকারের পক্ষে কথা বলেছেন, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রী পার্ক নিউং-হু। গত বুধবার জাতীয় পরিষদের আইন ও বিচার বিভাগের কমিটির একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন চলাকালীন পার্ককে নতুন করোনভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি জবাবে বলেছেন, কোরিয়ায় করোনা ভাইরাস প্রসারের বড় কারণ হ'ল আমাদের কোরিয়ানরা যারা চীন থেকে ঢুকেছে। এর আগেও ২১ শে ফেব্রুয়ারি পার্ক এক ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন," কোরিয়ায় চীনাদের প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা ঠিক হবেনা। কিছু ক্ষেত্রে চীনা পর্যটকদের মাধ্যমে সংক্রমণ হয়েছিল ঠিকই, তবে চীন ফেরত কোরিয়ানদের মাধ্যমে সংক্রমণের আরও বেশি ঘটনা ঘটেছে। তার এ বক্তব্যে কোরিয়ার মানুষ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনায় তারা সরব হন। এ সুযোগকে কাজে লাগান কোরিয়ার খ্রিস্টান কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জুন কোয়াং-হুন। তিনি জনসমাবেশের ডাক দেন। যদিও কোরিয়ার সরকার করোনা ভাইরাসে নিয়ন্ত্রণে এ মুহূর্তে যেকোন ধরণের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এরপরেও তিনি সিউলের গুয়াংমুন স্কয়ারে তার সমর্থকদের নিয়ে মুন বিরোধী সমাবেশ করেন। সেখানে তিনি আগামি ১৫ এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কনজারভেটিভ দলকে সমর্থন দেন। আদালত তাকে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের কারণে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠান। তবে প্রেসিডেন্ট মুন বিষয়টিকে কতটা সিরিয়াসলি নিয়েছেন তা বুঝা যাবে করোনা আক্রান্ত শহর দেগু সিটি পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উহান পরিদর্শনে যাননি। তবে মুন গেছেন। জাপানি ভাষায় প্রকাশিত জাপানের একটা সংবাদপত্রে দেখলাম, মুন দেগু শহরে যাদের সাথে বৈঠক করেছেন তাদের একজন করোনা পজেটিভ। এখন মুন কী কোয়ারেন্টাইন করবেন? আসলে চীন, জাপান, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া সংবাদপত্রের কাজ হলো- নিজের দেশ বাদে অন্য তিনটি দেশ নিয়ে মুখরোচক সংবাদ পরিবেশন করা। যাই হোক, সব মিলিয়ে করোনা ভাইরাস কেন্দ্রিক রাজনীতি জমে উঠেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়।

এর আগে ২০১৪ সালে ফেরী দুর্ঘটনায় জনসমর্থন তলানীতে গিয়ে ঠেকে দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন হি’র। পরে জন অসন্তোষ এমন চরম মাত্রায় পৌছায় যে, তদন্ত করতে হয়। এসময় তার বান্ধবির বিরাট দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া যায়, যাতে তার সায় ছিল। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্টকে ইমপিচ করা হয়। ওই সাবেক প্রেসিডেন্ট এখন দুর্নীতির মামলায় ২৪ বছরের জেল খাটছেন। এই কেলিংকারি নিয়ে একদিন লিখতে হবে। বাংলাদেশের জন্য বড় ধরণের শিক্ষা আছে এ ঘটনায়।

নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান প্রেসিডেন্টের সামনেও বড় ধরণের একটা ঝুঁকি রয়েছে। সংকটকালে কোরিয়ার রাজনীতিতে একটা ট্রাম্প কাজ করে। তা হলো উত্তর কোরিয়া। দেশে কোন সমস্যা দেখা দিলে প্রেসিডেন্টরা উত্তর কোরিয়া নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে দেন। বর্তমান প্রেসিডেন্টের বাবা উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। মানুষ ভেবেছিলো, সাবেক উত্তর কোরিয়ান একজনের সন্তান হিসেবে কোরিয়া যুদ্ধের তিনি সমাপ্ত ঘোষণা করতে পারবেন। এজন্য তিনি উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে প্রেসিডেন্ট কিম জং ইলের সাথে বৈঠক করেছেন। তবে অগ্রগতি নেই। উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং ইল বড়ই ত্যাদোড়। কোন ক্রেডিট তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে দেননি। উল্টা দক্ষিণ কোরিয়া কয়েকবার সহায়তার হাত বাড়ালেও তা নিতে অস্বীকার করে মুখের উপর না বলে দেন। আর এখন তো উত্তর কোরিয়ার সীমান্তই সীল করে দিয়েছেন। সব ধরণের যোগাযোগ বন্ধ।

আমার মনে হচ্ছে এই করোনার রাজনীতিই দক্ষিণ কোরিয়ার আগামি প্রেসিডেন্ট নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

ছবি- ১: সিউল শহর (লেখক)
ছবি-২ : করোনা আক্রান্ত কোরিয়ার দেগু শহর (কোরিয়ান দৈনিকের ভিডিও থেকে ক্রপ)
ছবি-৩ : প্রেসিডেন্টর ইমেপিচমেন্টর আবেদনের স্ক্রীন শট

দক্ষিণ কোরিয়া
১ মার্চ ২০২০
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০২০ রাত ১০:১১
৪টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুরাগের বুকে আমার ছোট ভাইদের লাশ ২০২৪-এর উপহার ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম গেল ছালাও গেল

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

বাধ্যতামূলক ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে।
বর্তমানে আইন অনুযায়ী এনআইডি নবায়নের সুযোগ থাকলেও সেটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×