হাসানুল হক ইনুকে তথ্যমন্ত্রী থেকে সরিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদকে প্রতিমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান বিএনপির।
বুদ্ধিটা খারাপ নয়। যেভাবে ইনু ও মাহমুদ কাজ বাদ দিয়ে খালেদা জিয়াকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে তাতে দাবীটা অযৌক্তিক নয়। যদিও খালেদা জিয়া এই ঐতিহাসিক (!) সংসদের কেউ নয়, তারপরও তাকে নিয়েই সকলের ঘুম হারাম। ভয়ে কোনঠাসা। বিষয়টা অনেক মজাদার। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটা একটা মজার বিষয় বলা যায়।
খবরে প্রকাশ, হাসানুল হক ইনুকে তথ্যমন্ত্রী থেকে সরিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদকে প্রতিমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, হাসানুল হক ইনুর অধীনে বর্তমান সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু তিনি তার নিজ দ্বায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। আর এ ব্যর্থতা ঢাকতে তিনি বার বার বিএনপি নেতা তথা ২০ দলীয় জোটের নেত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করেন এবং তার সমালোচনা করেন। তিনি তার ব্যর্থতার চিন্তা না করে খালেদা জিয়াকে কখন কোন মামলায় বিচার করা হবে এবং ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে কিনা তার আলোচনা করেন। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার নিকট বিশেষ অনুরোধ তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে খালেদা জিয়া বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্ব দেওয়া হোক।
প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সুবিবেচনা করবেন বলে আশা প্রকাশও করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে সঙ্গে হাছান মাহমুদকেও একই মন্ত্রণালায়ের প্রতিমন্ত্রী করার জন্য প্রস্তাব করেন তিনি। কারণ হাসানুল হক ইনু যেহেতু পূর্ণাঙ্গমন্ত্রী এবং হাছান মাহমুদ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন সে হিসেবে দ্বায়িত্ব বণ্টন করার জন্য বলেছি।- Reference
হাসান মাহমুদ যে কিনা রাজন হত্যার সাথে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার কতা বলেছেন এটা অনেকটা রানা প্লাজা হাত দিয়ে নারাচারা করে ফেলে দেবার মত হাস্যকর বিষয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদের কাছে মানুষ কি শিখবে তাহলে?
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




