আজকেও ক্লাস মিস। ইদানীং ইলেকট্রনিক এলারম এ কাজ হচ্ছে না। জীবন্ত এলারম দরকার। যে নরম হাতের গরম স্পর্শ দিয়ে বলবে, এই! উঠো! অনেক ঘুমিয়েছ!
জীবনটা খিচুরীর মত । একসাথে সব আছে বলেই মজার । আলাদা আলাদা করে চাল ডাল তেল নুন পেঁয়াজ রসুন হলে মজা লাগতো না ।
ছোট দল গুলার ডাকা হরতাল গুলোতে একটা সেক্সি সেক্সি ফিল আসে ফুরফুরে ভাব পরিলক্ষিত হয়।
হরতালের সমর্থনে আগের দিনে তাদের মিছিল হয়। ২০-২৫ জনের। মানুষ তাদের দিকে অবাক হয়ে চায়। কিছুক্ষণ চিল্লা পাল্লা করে চা নাস্তা খেয়ে বাড়িতে যাওয়া। রুটিন কাজ
দৈনন্দিন কার্যক্রম সঠিক ভাবেই চলে।
তবে এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধা পায় ছাত্ররা।
হরতাল সে যেই দিক না কেন, ক্লাস হবে না
আমছাত্রজনতা সর্বদা সকল পার্টির ডাকা হরতাল কে সমর্থন দেয় ভাইরে টানা ল্যাব, কুইজ, রিপোর্টের মাঝে যদি একদিন অযাচিত অপ্রত্যাশিত ছুটি হয় তাইলে তো মেঘ না চাইলে বৃষ্টি
রাত জেগে আড্ডা চলে, চলে এসব ওসব ও সেসব জাতীয় সিনেমা দেখা ঘুম থেকে ওঠা হয় সেই ভোর ১২ টায় মজাই আলাদা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


