''হালারে আমি ১০ টাকা দিসি।''......রিক্সায় করে মানিক মিয়াঁ এভিনিউ পার হওয়ার সময় কথাগুলো বললো রিক্সাওয়ালাটি। তাকিয়ে দেখি- ওমা! সে একজন আনসারের দিকে তাকিয়ে আছে। পরে সে যা শুনালো তা বেশ চমকপ্রদ!...সংসদ ভবনের সামনেই দাঁড়ানো এই মহাশয়রা মাঝে মাঝেই টাকা দাবী করেন রিক্সাওয়ালাদের কাছে...রং সাইড দিয়ে চালানোর অনুমতি নিতে এই ভাইজানরাও ১০-৪০ টাকা করে ঘুষ দিয়ে থাকেন দু' শিফটে- সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা এবং ২টা থেকে রাত পর্যন্ত।
আমিও তাই কম গেলাম না। তরুণ রিক্সাওয়ালা ভাইজানকে বললাম- ''তুমিও আনসার হিসেবে নাম লিখাও। সারাদিন রাস্তায় রোদে দাঁড়িয়ে হাতের কসরত করতে করতে করিয়ে টু-পাইস পেয়ে যাবে!''
সারা দিন রোদে দাঁড়ানোর কথা মনে পড়তেই প্রশ্ন জাগলো- আচ্ছা, রোদে দাঁড়ালে তো অনেক পানির পিপাসা হয়। আর পানি পান করলে তো প্রশাবও পাওয়ার কথা। আমাদের পুলিশ ভাইয়েরা তখন কোথায় প্রশাব করেন? ঢাকায় পাবলিক টয়লেটের যা আকাল, সেখানে রাস্তার পাশে দেয়ালে মুত্র ত্যাগ করা ছাড়া তো উপায় দেখি না!
কোন কথা থেকে যে কোন কথায় এসে পড়লাম! কোথায় ঘূষ খাওয়া নিয়ে কথা বলবো, সেখানে কিনা প্রাকৃতিক কার্য নিয়ে আলাপ করা শুরু করেছি! হা কপাল!
আচ্ছা, এ দুটির মাঝে কোন মিল আছে কি?
আছে কিনা জানি না, তবে মদীনা'র আনসার (অর্থঃ সাহায্যকারী) সাহাবীদের নাম দিয়ে যাদের নাম রাখা হয়েছে, সেই 'আনসার'-রা যে মোটেই ভালো কাজ করছেন না, তা বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ৯:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



