somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে, বিরাট শিশু....আনমনে, খেলিছো!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একটা কুকুরের দিকে তাকিয়ে আছি অনেকক্ষণ ধরে। কুকুরটা রাস্তার কোণে দাঁড়িয়ে আছে। পাশ দিয়ে মানুষজন হেঁটে চলে যাচ্ছে। কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। মাথা একবার ডান দিকে ঘোরায়, আবার বাম দিকে। একবার সামনে রাস্তার ওপারেও চেয়ে দেখলো। হঠাৎ একটা প্রশ্ন জাগলো মনে। এই যে সে তাকিয়ে তাকিয়ে মানুষ দেখছে, তার মনে কি কোন ভাবোদয় হয়? ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে কুকুরের মনোস্তত্ব বা জীবন নিয়ে কোন এপিসোড দেখেছি বলে মনে পড়ে না।

কুকুরটা কি আজ সকালে কিছু খেয়েছে? তার কপালে কি জুটেছে আজ? রাস্তার পাশের কোন ডাস্টবিনে হয়তো মানুষের ফেলে দেওয়া পাউরুটির বাইরের অংশ তার অপেক্ষায় ছিলো। আমার ছোট ভাই পাউরুটির বাইরের অংশ ফেলে দেয়।

এই রকম শত মানুষের ফেলে দেওয়া পাঊরুটির অংশ হয়তো কুকুরের ভাগ্যে জোটে প্রতিদিন। সকালবেলা কোন রেস্টুরেন্টের আশে-পাশে গিয়ে থাকলে মানুষের ফেলে দেওয়া নেহারীর হাড্ডিও জুটতে পারে। আহা, নেহারী! অনেক দিন খাওয়া হয়নি! বাসার বাবুর্চিকে বলে দিলে সে হয়তো বানিয়ে নিতো। দিবো নাকি নেহারী'র অর্ডার? নাহ, থাক। আজ বেশি দেরী হয়ে গেছে। একটু আগেই মাত্র বেশ করে পুরি খেয়েছি।

একটু আনমনা হয়ে গিয়েছিলাম। আবারো, জানালার বাইরে দিয়ে তাকালাম। ইচ্ছে ছিলো কুকুরের পেটের দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করা আজ সকালে সে খেয়েছে কি খায়নি। ব্যাটাকে আগের জায়গায় দেখতে পেলাম না। নিশ্চয় রাস্তা পার হয়ে অপরদিকে কোন অজানা পথে হেঁটে চলে গেছে।

আজ দুপুরের ঘুম ভাঙতে ভাঙতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো। আমার স্টাডি রুমের বড় জানালা দিয়ে রাস্তা দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের বিল্ডিংটার পাশেই একটা বিরাট মাঠ। মাঠ আর বিল্ডিঙ্গের মাঝে একটা রাস্তা। সেই রাস্তার দু'পাশে ফুটপাত। ঐ ফুটপাথের মাথাতেই দাঁড়িয়ে থাকা কুকুরটাকে এতোক্ষণ ধরে পর্যবেক্ষণ করছিলাম।

খাবার আগের ঔষধ এইমাত্র দিয়ে গেলেন বৌ। ২টি বড়ি একসাথে খেয়ে ফেললাম পানি দিয়ে। খুব ক্ষিধে পেয়েছে। আধো আধো ঘুমেও চোখ জড়িয়ে যাচ্ছে। সেটার প্রভাবে কি না একটা হাই তুললাম। চেয়ার থেকে উঠে খাওয়ার রুমের দিকে রওনা দিতে হবে। তারপর, টাইটসে একটা ঘুম। যেতে ইচ্ছে করছে না। পাশের একটি দোকান থেকে একটা গান ভেসে আসছে। অনুপ জালোটা'র গাওয়া নজরুলের একটি গান! সেদিকে কান পাতলাম-




সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩২
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টাঙ্গাইলের সব জমিদার বাড়ি একসাথে

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৮



(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: পোস্টটি অনেক বড়।)

আজকে আমি টাঙ্গাইলে, আমার জানামতে সবগুলো জমিদার বাড়ি নিয়ে কথা বলবো। কিভাবে একদিনে প্রায় সবগুলো জমিদার বাড়ি ঘুরে আসবেন সে তথ্যও জানাবো। আমি কোন জমিদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযোদ্ধারা তো এমন চেতনাবাজ'ই হতে চেয়েছিলেন!

লিখেছেন Sami Al Shakib, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪৬


১.
'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ' নামে সরকারের মদদপুষ্ট কিছু সন্ত্রাসী 'দৈনিক সংগ্রাম' পত্রিকায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা'কে একটি আর্টিকেলে 'শহীদ' হিসেবে উল্লেখ করার প্রতিবাদে গতকাল(১৩/১২/১৯ইং) বিকেল হতে পত্রিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি বীরাঙ্গনা বলছি

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩৯


এখনো রক্তের দাগ লেগে আছে আমার অত্যাচারিত সারা শরীরে।
এখনো চামড়া পোড়া কটু গন্ধের ক্ষতে মাছিরা বসে মাঝে মাঝে।
এখনো চামড়ার বেল্টের বিভৎস কারুকাজ খচিত দাগ
আমার তীব্র কষ্টের দিনগুলোর কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইনস্টাইন, হকিং ও মেরিলিন মনরো

লিখেছেন মুনির হাসান, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২০


আজ থেকে ১০০ বছর আগে, ১৯১৯ সালের ৬ নভেম্বর স্যার আর্থার এডিংটন তার এক্সপেডিশনের রেজাল্ট প্রকাশ করে বলেন - আইনস্টাইনের থিউরিই ঠিক। ভারী বস্তুর পাশ দিযে আসার সময় আলো বেঁকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)

লিখেছেন নীল আকাশ, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৩



মুক্তিযুদ্ধের হে বীর সেনানী
লও লও লও সালাম,
অকুতোভয়ী হে বীর যোদ্ধা
লও লও লও সালাম।

স্বাধীন এই দেশের প্রতিটা ক্ষনে
বিনম্র শ্রদ্ধায় তোমারই স্মরণে,
ভালোবাসার এই পুষ্পাঞ্জলি
স্পন্দিত হৃদয়ে রাখতে চাই তোমারই চরণে।

তুমিই বিজয়ী বীর,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×