somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাখাওয়াত হোসেন  বাবন
ব্লগিং শুরু করি প্রথম আলো ব্লগে "আমার কবিতা নামে" আমি ব্লগিং করি মূলত নিজের ভেতরে জেগে উঠা ব্যর্থতা গুলোকে ঢেকে রাখার জন্য । দুনীতিবাজ, হারামখোর ও ধর্ম ব্যবসায়িদের অপছন্দ করি ।

জিহাদ ..টু ..সিরিয়া (আগামী কাল কিংবা পরশুদিন আল্লাহর সঙ্গে দেখা হবে ভাই । )

১২ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনেকক্ষণ যাবত মোবাইলের ভাইভারে রিং হচ্ছে । বালিশের নিচে থাকায় খুব একটা শব্দ হচ্ছে না । ঘড়িতে কাটায় কাটায় রাত তিনটা । শহিদ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন । এই ফোন কলটার আশায় জাগতে জাগতে এক সময় ঘুমিয়ে পরেছে । আরো কিছুক্ষণ রিং হবার পর তা বন্ধ হয়ে গেল । ঠিক পাঁচ মিনিট বিরতির পর আবারও ফোনটা বেজে উঠল । আবার আর ভাইভার কল নয় । মোবাইলে রিং হচ্ছে । এবার একটা রিং হবার সাথে সাথে শহিদের ঘুম ছুটে যায় । তারা হুড়ো করে বালিশ সরিয়ে ফোনটা তুলে নিয়ে । নম্বরটা দেখতে চেষ্টা করে । চোখে ঘুম থাকায় পরিষ্কার দেখতে পায় না । রিসিভ বাটনে চাপ দিয়ে কানের কাছে ফোনটা নিয়ে - খুব মোলায়েম ভাবে বললো,আস সালামু আলাইকুম । সঙ্গে সঙ্গে অপর প্রান্ত থেকে উত্তর আসে, ‘ওলাই কুম আস সালাম ভ্রাতা । কেমন আছেন আপনি ?
জহির ভাই ? শহিদ বেশ উত্তেজিত ।
জি , জহির বলছি । কেমন আছেন ?
আমি ভাল আছি জহির ভাই । আপনি কেমন ? শহীদ উত্তেজনা চেপে রাখতে পারে না ।
আল-হাম দুল্লিলাহ আমি বেশ ভাল আছি । কামাল আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না । ভাইভারে বেশ কয়েকবার কল করেছে । আপনি ফোন ধরছেন না । আপনার ওখানে ৩টা বাজে তাই না ?
শহীদ তাড়াহুড়ো করে মোবাইলে ঘড়ি দেখে । তারপর বলে ।
জি ভাই , ৩টা বেজে ১৫ মিনিট । উঠে পড়ুন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ুন । তার পূর্বে কামাল ভাইকে একটা ফোন দিন । তিনি আপনার জন্য শুভ সংবাদ নিয়ে অপেক্ষা করছে । আল্লাহ্‌ আপনার ইচ্ছে পূরণ করবে ।
আমি এখুনি ফোন দিচ্ছি ভাইয়া । ভাইয়া আপনি এখন কোথায় ?
আমি মালয়েশিয়া থেকে চলে যাচ্ছি আমার গন্তব্যে । আল্লাহ্‌ চাহেন তো আগামীকাল সন্ধ্যায় পৌঁছে যাবো । আপনার সঙ্গে আর হয়তো কথা না ও হতে পারে । আগামী কাল কিংবা পরশুদিন আল্লাহর সঙ্গে দেখা হবে ভাই ।
তারমানে কি আপনার লক্ষ্য ঠিক হয়ে গেছে ভাই ?
হ্যাঁ ।
কোথায় ? কখন ?
সিরিয়ায় । আগামীকাল বিকালে পৌঁছে যাবো । রাতে কিংবা তার পরের দিন কোন এক সময় আল্লাহর সঙ্গে দেখা হবে ।
মাশাল্লা, আপনি কতো ভাগ্যবান ভাই । শহীদ এর শরীর তরতর করে কাঁপছে । কেমন একটা ভয় আর উত্তেজনা ওকে গ্রাস করে । হঠাত করে ঠোট আর গলা শুকিয়ে আসে । নিজের ভেতরের উত্তেজনা কিছুতেই চেপে রাখতে পারছে না । আল্লাহ্‌ সঙ্গে দেখা করার অর্থ হচ্ছে জহির ভাই আগামীকাল কিংবা পরশু শহীদ হয়ে যাবেন । কোন আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে । জহির ভাইয়ের চেহারাটা শহীদ চোখে ভেসে উঠে । বেশ হাসি খুশি আর শান্ত চেহারার অধিকারী জহির ভাই । ছোট বড় সবাইকে বেশ সন্মান করে কথা বলেন । ছোটদের ও আপনি ছাড়া সন্মধন করেন না । মাস দুয়েক হল একটা মেয়ে হয়েছে । বউ বাচ্চা জহির ভাইয়ের বাবা, মায়ের সঙ্গে উত্তরাতে থাকে । শহীদ যেন হঠাত ঘোরের মধ্যে চলে যায় ।
কি হল, শহীদ ভাই ? আমার কথা শুনছেন তো ?
জি ভাই । কিন্তু ভাই আপনি তো সন্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে শহীদ হতে চেয়েছিলেন ।
সব আল্লাহ্‌ র হুকুম, ভাই । তিনি যেভাবে চাইবে সেভাবেই সব হবে ।
সিরিয়ার কোথায় আমি কি জানতে পারি ?
না ভাই । অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিশন । আমিও জানি না । সিরিয়ায় পৌঁছাবার পর জানতে পারবো ।
শহীদ ও জানে আত্মঘাতী হামলার ব্যাপার যোদ্ধার আগে ভাগে কিছু জানে না । বড় জোর এক কি দুই ঘণ্টা পূর্বে প্রস্তুত হতে বলা হয় ।
ভাই, ভাবি কি জানে ?
না ওনাকে বলিনি ।
আপনি আমার ছোট্র একটা কাজ করবেন ভাই ?
অবশ্যই ভাই , আপনি হুকুম করুণ ।
পরশুদিন পর্যন্ত আমার কোন ফোন না পেলে আমার শহীদ হবার খবরটি আমার বাসায় পৌছে দেবেন।
দিবো ভাই , দিবো । বলে শহীদ কান্নায় ভেঙ্গে পরে ।
ছি : কাঁদছেন কেন । আমি আল্লাহ্‌ সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি ভাই । কাঁদতে নেই । আমার জন্য দোয়া করুণ, যেন আল্লাহ আমাকে কবুল করেন ।
নিশ্চয় ভাই , নিশ্চয় । শহীদ আর কথা বলতে পারে না । চোখের পানি কিছুতেই থামতে চায় না ।
এভাবে ভেঙ্গে পরলে তো চলবে না । আপনিও ভাগ্যবান । নিশ্চয় আপনার সঙ্গেও আল্লাহ্‌ দেখা হবে এবং তা খুব শিগ্রহই । নাকি আসবেন না ?
না, ভাই না । আমরা আসছি ।
কতজন আপনারা ?
তিনজন ।
মাশাল্লা । কামাল ভাইকে ফোন দিন । উনি হয়তো চিন্তিত হয়ে পরেছেন ।
ঠিক সে সময় ভাইভারে রিং আসে ।
কমাল ভাই ফোন করেছে, ভাই । আমি রাখি তা হলে । জিহাদ জিন্দাবাদ ।
ঠিক আছে । আল্লাহ হা-ফেজ
আল্লাহ হা-ফেজ, জিহাদ জিন্দাবাদ বলে শহীদ লাইন কেটে দেয় ।

( ২ )

আস সালামু আলাইকুম কামাল ভাই কেমন আছেন ?
ওলাই কুম আস সালাম শহীদ তোমার খবর কি ? সেই কখন থেকে ফোন করছি । রিং হচ্ছে, রিং হচ্ছে কিন্তু তুমি ধরছ না । কামালের কণ্ঠে স্পষ্ট বিরক্তি ।
আপনার ফোনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পরেছিলাম ভা্‌ই । শহীদ কিছুটা লজ্জিত হয়ে বললো ।
ওকে সমস্যা নেই । তোমাদের জন্য শুভ সংবাদ আছে ।
আলহামদুল্লিলাহ্ ভাই বলেন ?
তোমাদের দোয়া আল্লাহ্‌ কবুল করেছেন । তোমার ছোটন আর রাসেলের ভিসা হয়ে গেছে । আগামী সপ্তাহের মধ্যে রওনা হতে পারবে তো ?
জি ভাই পারবো ।
বেশ , মানিক ভাই থাকেন সাভারে আগামীকাল তার সঙ্গে মগবাজার বড় মসজিদে দেখা করে তোমাদের পাসপোর্ট আর কাগজ পত্র নিয়ে নিবা । আগামী সপ্তাহ রওনা হয়ে যাও । আমি কুয়ালালামপুরে তোমাদের রিসিভ করবো ।
সত্যি কামাল ভাই সব হয়ে গেছে ?
কেন তুমি প্রস্তুত না বুঝি ?
আপনাদের দোয়া আর আল্লাহ্‌ র রহমতে একশ ভাগ প্রস্তত ভাই । ইনশা আল্লাহ আমরা আসছি ।
সাবধানে থেকো । দেখ, কেউ যেন আবার জানতে না পারে । তাহলে কিন্তু সব ওলট পালট হয়ে যাবে ।
কাক পক্ষীও জানতে পারবে না ভাই ।
গুড । কামালের কণ্ঠে স্পষ্ট সন্তুষ্টি ।
তবে ভাই, আমার একটা কথা আছে ।
কি ? বলে ফেল । আমার অনেক কাজ । জহির ভাই রওনা হয়ে গেছে, শুনেছ নিশ্চয় ?
জি ভাই । একটু আগে জহির ভাই এর সঙ্গে কথা হল ।
বেশ ভাল । দেখেছো আল্লাহ জহির ভাই এর ডাক কবুল করছেন । এর চেয়ে আল্লাহর কাছে পৌঁছাবার আর কোন সহজ রাস্তা নেই । বলো আছে ?
না,ভাই ।
তোমার কি কথা বলে ফেল । কামালের কথা শুনার পর শহীদ নিজের কথাটা বলার সাহস পায় না । আমতা আমতা করতে থাকে ।
কি হলো বলছো না কেন ?
না, মানে ভাই , আমি অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করে শহীদ হতে চাই ।
আমি বুকে বোমা বেধে শহীদ হতে পারবো না ।
ওপর প্রান্ত থেকে কামাল কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে । তারপর ফুস করে একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলেন । সে দেখা যাবে । জিহাদিদের ভয় পেলে চলে না ভাই ।
আমি ভয় পাচ্ছি না কামাল ভাই ।
ঠিক আজে আগে আসো তারপর দেখা যাবে ।
না, ভাই আমাকে আপনি কথা দিন আমাকে সন্মুখ যুদ্ধের ময়দানে পাঠাবেন । তা না হলে আমি আসবো না ।
দেখ শহীদ তুমি একজন পরীক্ষিত জিহাদি ভাই । বাংলাদেশে বসে জিহাদ করা আর এখানে এসে জিহাদ করা এক কথা নয় । চারিদিকে শুধু মরু ভূমি । বালু আর বালু । তুমি আমি একদিন ও টিকতে পারবো না । চব্বিশ ঘণ্টা ৫০ কেজি ওজনের অস্ত্র নিয়ে এখানে থেকে ওখানে ছুটে বেরাতে হবে । তুমি এতো কষ্ট করতে পারবানা । তাছাড়া ট্রেনিং নেওয়াল ব্যাপার আছে ্
আমি সব পারবো ভাই । আপনি শুধু কথা দিন ।
ঠিক আছে আসো । যদি পারো আমি আপত্তি করবো না । সাবধানে থাকবে । আগামীকাল মানিক ভাইয়ের ফোন পেলে তার সঙ্গে দেখা করে সব বুঝে নাও । আজ রাখি আল্লাহ হাজেজ । জিহাদ জিন্দাবাদ ।
আল্লাহ হাজেজ , জিহাদ জিন্দাবাদ । ওপর প্রান্ত থেকে লাইন কেটে যায় । বিপ বিপ শব্দ হতে থাকে । শহীদ তবুও ফোন কানে চেপে রেখে বসে থাকে ।

এরপরের ঘটনা খুব দ্রুত ঘটে । শহীদরা পরের দিন মানিক ভাই এর কাছ থেকে পাসপোর্ট, এয়ার টিকেট, আর কাগজ পত্র সঙ্গে এক হাজার করে ডলার বুঝে নেয় ।

পেপারগুলো দিতে দিতে মানিক ভাই বলেন, স্টুডেন্ট ভিসা । সঙ্গে মালয়েশিয়ার একটি বিখ্যাত কলেজে ভর্তির কাগজপত্র । ইমিগ্রেশন অফিসারের বাপের সাধ্য নাই আটকাবার । বিসমিল্লাহ করে পরশুদিন রওনা হয়ে যাও ।

ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় তিনজনেরই বুক ধুক ধুক করতে থাকে । কিন্তু খুব সহজেই ওরা ইমিগ্রেশন পার হয়ে প্লেনে গিয়ে বসে । প্লেন উড়তে শুরু করলে শহীদ জানালা দিয়ে তাকিয়ে নিজের মাতৃভূমি বাংলাদেশ দেখতে থাকে । হঠাত ওর মনে পরে যায় জহির ভাই এর কোন ফোন আসেনি । জহির ভাইয়ের বাড়িতে কোন খবরও দেয়া হয়নি ।






সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাসের ঘর বনাম বাস্তব হিসাব

লিখেছেন মোবারক, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২০

পরিবারে বড় ভাই হওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্যাগী বা মহান হয়ে যাওয়া নয়। আমাদের সমাজে একটি অলিখিত নিয়ম রয়েছে যে, পরিবারের প্রথম সন্তান মানেই তিনি অনেক ত্যাগ করবেন এবং ভাইবোনদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই হচ্ছে না

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৪



কিছুই হচ্ছে না, আবার সবকিছুই হয়ে যাচ্ছে। এই যে বয়সটা পা টিপে টিপে এসে ঘাড়ের কাছে দাঁড়ায়, টেরই পাই না। আয়নার সামনে দাঁড়াইলে একজন অচেনা লোক তাকায়, চোখের নিচে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসার মোল্লা হুজুর থেকে আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×