
সোহাগী জাহান তনুকে সেনানিবাসের ভেতরে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়নি তনুর লাশ সেনানিবাসের ভেতরেও পাওয়া যায়নি । পাওয়া গেছে সেনানিবাসের বাহিরে অলি পুর আর সেনানিবাসের সীমানা প্রাচীরের কাছাকাছি কালভাটের নিচে । সেনানিবাসের দরজায় তখন এম পি পাহারারত অবস্থায় ছিল । সুতরাং কেউ যদি তনুকে সেনানিবাসের ভেতরে ধর্ষণ বা খুন করতো তাহলে কোন অবস্থাতেই মৃতদেহ সেনানিবাসের ভেতরে থেকে বের করতে পারতো না ।
আমি কয়েকজন অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জেনেছি । যারা কয়েক বছর কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থান করেছেন । তনুরা থাকতো সেনানিবাসের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে বেসামরিক কর্মচারীদের থাকার জন্য তৈরি করা একটি কলোনিতে সেখান থেকে অলিপুর যেখানে তনু পড়াতে যেতো তার দূরত্ব দেড় কি দুই কিলোমিটার ।
তনুদের কলোনির সামনে রয়েছে একটি বিশাল পাহাড় সেখানেও জঙ্গল রয়েছে । পাহাড়ের বাম পাশে রয়েছে সাধারণ সৈনিকদের থাকার জায়গা । খুব সম্ভব তনুকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে সেনানিবাসের বাহিরে কোথাও । তারপর তার লাশ সেনানিবাসের সীমানা প্রাচীর আর অলিপুর এর সীমানার কাছাকাছি কালভাটের নিচে ফেলে গেছে । যদি সৈনিকদের কেউ এ কাজ করতো তবে তনুর লাশ পাওয়া যেত, সেনানিবাসের ভেতরে তনুদের বাসার সামনে যে পাহাড় রয়েছে তার জঙ্গলে । সেনারা কিছুতেই জীবনের রিক্সা নিয়ে লাশ এম পি বা মিলিটারি পুলিশ এর চোখ ফাকি দিয়ে সেনানিবাসের বাহিরে কালবাটের নিচে নিয়ে ফেলতো না । কারণ তাতে ধরা পরার সম্ভাবনা ছিল ৯৯% । বোকারাও এমন কাজ করবে না । অলিপুর থেকে সেনানিবাসে ঢুকতে বা বাহির হতে হলে মিলিটারি পুলিশ এর সামনে দিয়ে যাওয়া আসা করতে হবে । সুতরাং লাশ বের করা বা ভেতরে ঢোকানো কিছুতেই সম্ভব নয় । অথচ মিডিয়ায় তিন চারদিন ধরে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে, তনুর লাশ সেনানিবাসের ভেতরে পাওয়া গেছে । ছবি নিয়ে কি করা হয়েছে তা তো আগেই বলেছি ।
সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য এসব করা হয়েছে । যখন দেখেছে দুই দিন দিন যাওয়ার পরের সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হচ্ছে না বা রা করছে না । তখন ভুয়া ছবি আর ভিডিও দিয়ে সকলের নজর কাড়তে চেয়েছে কুচক্রী মহল । কেউ বিশেষ একটি উদ্দ্যেশ্য নিয়ে ছবি আর ভিডিও শেয়ার করেছে, আবার কেউ করেছে স্রেফ না বুঝে আবেগ থেকে বশিভুত হয়ে । মাঝ খানে বদনাম হয়েছে দেশের সব চেয়ে বড় একটি প্রতিষ্ঠানের ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

