somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাখাওয়াত হোসেন  বাবন
ব্লগিং শুরু করি প্রথম আলো ব্লগে "আমার কবিতা নামে" আমি ব্লগিং করি মূলত নিজের ভেতরে জেগে উঠা ব্যর্থতা গুলোকে ঢেকে রাখার জন্য । দুনীতিবাজ, হারামখোর ও ধর্ম ব্যবসায়িদের অপছন্দ করি ।

চোরের সাক্ষী মাতাল - ভিক্ষুকের টাকায় ভাগ বসিয়ে সমাজ সেবক সাজা

১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ দুপুর ২:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আগে জনসেবা মূলক, অলাভজনক, অরাজনৈতিক জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট কিংবা ফাউন্ডেশন স্থাপন করতেন রাজা, বাদশাহ, জমিদারের রেখে যাওয়া কোন বংশধর কিংবা রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠান অথবা বিলিয়ন বিলিয়ন অর্থের মালিক ধনী ব্যক্তিরা। তাদের মূল উদ্দেশ্যে থাকতো সমাজের বঞ্চিত নিপীড়িত,অসহায় জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা । এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এখনো বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পরিচালিত হচ্ছে । তাদের কারো কাছে হাত পাততে হয় না । দারে দারে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করে সেই টাকা গননা করার জন্য সেই টাকায় কর্মচারী রাখতে হয় না ।

কেননা ট্রাস্ট বা ফাউন্ডেশন এর ব্যয় ভার নির্বাহ করা হয় ট্রাস্টির রেখে যাওয়া সম্পদ ও সম্পদের আয় হতে । আর এখন এরা ঘেরা যে কেউ ট্রাস্ট বা ফাউন্ডেশন খুলে জনকল্যাণের নামে নিজেরা বাড়ির গাড়ির মালিক হয়ে দাতা সাজে বসে আছে । আয় রোজগারের হিসাব নাই নিজে সাজেন হাতেম তাই । যাদের নিজেরই পেট চলে না তাদের আবার ভিক্ষা দেবার খায়েশ। এসব আসলে ভারতীয় মন্দিরের আদলে এক ধরনের ব্যবসা। ইংরেজ এই একই পদ্ধতিতে মিশনারিগুলো চালাত। ধর্ম হচ্ছে, পৃথিবীতে বিনা মূলধনে সবচেয়ে বড় ব্যবসা ।

সম্প্রতি সময়ে ঠিক তেমনি একটি ভণ্ড প্রতিষ্ঠানের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে বিদ্যানন্দ ৷ এরা ভিক্ষুকের টাকায় ভাগ বসিয়ে ভিক্ষুকদের বঞ্চিত করে জনসেবক সেজে দানের টাকায় নিজেরা জমি জমা ফ্লাট বাড়ি কিনছে অফিসের নামে। সোজা কথায় এরা হচ্ছে ভিক্ষুকদের মধ্যস্বত্ব ভোগী কিংবা দালাল। অন্যান্য পণ্যের মতো এখন ভিক্ষুকদের কপালেও মধ্যসত্বভোগী জুটে গেছে ।

বাংলাদেশি বাঙ্গালি ভাইয়েরা এমনিতেই দুনিয়ার সবচেয়ে আবেগ প্রবণ জাতি। আবেগের ঠেলায় শরীরের কাপড় দান করে দিয়ে ন্যাংটা হয়ে ঘরে ফিরে । সেই সুযোগটাই এরা কাছে লাগাছে। কোলকাতার বাঙ্গালী হলে দান তো দূরের কথা, উল্টো এদের ঘটি, বাটি খুলে নিয়ে যেতো। তাই সময় থাকতে ইসকন,বিদ্যানন্দ এদেরকে বয়কট করুন। প্রয়োজনে মসজিদ,মন্দির,গির্জায় নিজেদের ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী দান করুণ।

কিন্তু এক টাকাও কেউ বিদ্যানন্দের কোন ফান্ডে দিবেন না। দিলে তাতে সোয়াব তো হবেই না উলটা পাপ হবে। কারণ এরা না হিন্দু না মুসলিম । এরা সোজাসপটা ভাষায় ভিক্ষুক , দরিদ্র মানুষের হকের টাকা মেরে দেওয়া মধ্যসত্বভোগী একটা শ্রেনী । বাংলাদেশের মানুষের দানের দাত অনেক বড় সে সুযোগটাই এরা কাছে লাগাচ্ছে ।

কারণ এদের আয় ব্যয়ের কোন হিসেব নেই। দানের টাকায় জমি, অফিসের নামে ফ্লাট কিনছে। হয়তো আরো গভীরে গেলে দেখা যাবে তারা অর্থ পাচার করছে। কিংবা তলে তলে বিজিপির কোন এজেন্ডা বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করছে । এসব বিষয়গুলো ভেবে দেখে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে৷
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৩ বিকাল ৩:৩৩
১৪টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:০২


ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×