
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে বিএনপি তার পতনের শেষ আয়োজনটাও শেষ করে এনেছে । বিশ্বের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য এতোটা বাড়েনি যে , এক লাফে লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়াতে হবে । জ্বালানি তেল বিক্রি করে নাকি সরকারের লোকসান হয় । তাই লোকসান পোষাতে মূল্য বৃদ্ধি । কথাটা মোটেও সত্য নয় , এই খাত হচ্ছে, অর্থ পাচারের একটা মাধ্যম । হাসিনার সরকারের আমলেও এই খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে ।
কখনো শুনবেন না যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কোন কর্মকতা কর্মচারিদের চাকরি যায়। যে সরকার ক্ষমতায় আসে এরা সেই সরকারের গোলাম হয়ে কমিশনের ভাগ দিয়ে খুশি করে লাইন ঘাট ঠিক করে ফেলে । বেতন নয় চুরির টাকা দিয়ে এরা কোটি কোটি টাকার মালিক । বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্মকতা কর্মচারিদের সর্ম্পদের হিসাব নেওয়া হোক ।
তেল বিক্রির টাকা হচ্ছে , জনগণের টাকা । লাভ,লোকসান যা হবে তা জনগনের । অথচ কমিশন এর জন্য ইরান বা মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরাসরি তেল না কিনে কমিশনের লোভে চোর,বাটপারদের কাছ থেকে চড়া মূল্যে তেল কেনা । ( ১০ টাকার তেল চোরদের কাছ থেকে ২৬ টাকায় কিনে বাংলাদেশের কাছে ১৮০ টাকা খরচ দেখায় । )
বিশ্বে এতো এতো মাধ্যম, এতো এতো সোরর্স থাকার পরেও কেনো বাংলাদেশ এখনো উচ্চমূল্যে ভারত থেকে পেট্রোল, ডিজেল জানেন ? । কারণ এতে চুরি করাটা সুবিধা হয় । বহু আগে তৈরি করা সিষ্টেম হাসিনাও ব্যবহার করেছে বিএনপিও ব্যবহার করছে । ইউনুস ও ব্যবহার করে গেছে । আমার বাড়িতে গাড়ী পৌছি দিলে আমি করতাম । তাই দেশের স্বার্থে জনগনের স্বার্থে চোর ধরার ইচ্ছা নাই কারো ।
দেশে দু'টি তেল শোধনাগার থাকার পেরেও সেগুলো , ফেলে রাখা হয় ঠিক মতো ব্যবহার করা হয় না কাদের স্বার্থে জানেন ? উত্তর একটাই সে হচ্ছে, "কমিশন বাণিজ্য । জনগণ যতদিন না আর একটি আন্দোলন এর মাধ্যমে এদের শেকড় উপড়ে ফেলবে , ততদিন এইসব চুরি চলবেই ।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, জামাত ,এনসিবি এইসব বিরোধী দলগুলো দু'দিন খুব লং মার্চ, ব্যাঙ মার্চ করে , যেখানে আন্দোলন করা উচিত সেখানে চুপ করে আছে । আমি হলে, সারা দেশে প্রয়োজনে হরতাল ডেকে তৈলের মূল্য পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারকে বাধ্য করতাম ।
দেশের সর্ম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য, জ্বালানি তেল ও খনিজ সর্ম্পদের ব্যবহার ,উত্তলন , ক্রয় বিক্রয় এর জন্য স্বাধীন কমিশন প্রয়োজন । এই কথা কাউকে বলতে শুনবেন না ।
আমি বলবো, হাসিনার আমলে যেখানে দেশ চলছিলো , ঠিক সেই ভাবে দেশ চলছে । এক চুল ও পরিবর্তন হয় নাই ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


