
চিঠি লেখার প্রচলন আজকাল নেই। স্কুল লাইফএ ক্লাস এইট / নাইন এ পড়ার সময় পাশের বাড়ির এক মহিলাকে চিঠি লিখে দিতাম। তার হাসব্যান্ড বাহিরে থাকত তাকে। সাধারনত আমার খালা লিখে দিত। খালা না থাকলে আমি দিতাম। সে আমার কাছে সব বলতে পছন্দ করত। সে কি লিখবে সব শুনে তারপর নিজের মতো করে লিখতাম।
স্কুল লাইফ এর এই সময়টায় আমি আমার বড় ভাইয়ার বন্ধুর কাছ থেকে দুইটা প্রেম পত্র পাই। প্রথমটা নানা/নানির হাতে পরে, ২য় টা খালার হাতে পরে। এর পর কলেজ লাইফ এ চিঠি পাই। সে চিঠি পড়া হয়নি কারন কয়েক পেজ দেখে পুরিয়ে ফেলি।
তিন/চার মাস আগে আমি আমার এক পুরানো ফাইল এর ভিতর আমার বাবার চিঠি পাই। চিঠিটা আমার বাবা লিখেছে আমার মেঝ খালুকে , খালুর অফিসের ঠিকানায়,যখন আমি ঢাকা খালার বাসায় ছিলাম।
প্রায় ১৫/১৬ দিন আগে হসপিটালে আমার মায়ের চিঠি পাই। পুরা দুই পেজ । বাবার চিঠিটা এক পেজ।
দুটো চিঠি কয়েকবার পড়েছি । আরও পরতে ইচ্ছে করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


