ব্লগের বন্ধুরা আমি দুঃখিত , অনেক দিন আপনাদের সাথে থাকতে পারিনি তাই ।এই সময়টা আমি আমার ৮৭ বৎসর বয়সী আম্মাকে দিয়েছি । আমরা পাঁচ ভাই -বোন এবং সবার জীবন সঙ্গীরা সবাই চেষ্টা করেছি শেষ সময় ওনার কোন অবহেলা না হয় । তিনি এ-বয়স পর্যন্ত একাই চলা ফেরা করতে পারতেন ।কিন্তু
কখন যেন মা-মনির মাথার বা পাশে মাইল্ড স্ট্রোক হয়ে গেল , মুখে খাওয়া বন্ধ হয়ে গেল ।আর চলাফেরা করতে পারছিলেন না ।
আমরা সবাই মাকে নোয়াখালী প্রাইম হাসপাতালে নিয়ে গেলাম, আমার মা শহীদ জননী , আমার মা-মনি ওখানে একটি ভি আই পি কেবিনে ২২ দিন সময়
কোমায় ছিলেন। এ কয়টা দিন সংসার ত্যাগ করে মাকে দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম । আমার মা-মনিটা কোমায় থাকলেও উনি কিন্তু আমাদের উপস্থিতিটা বেশ বুঝতে
পারতেন , যেমন আমি যখন গরম পানিতে পাতলা কাপড় ভিজিয়ে আম্মার দাঁত , মুখ,জিহবা পরিষ্কার করে দিতাম তখন বেশ আদরের একটা ছোট্ট একটা কামড় দিতেন আঙ্গুলে মুখে একটা মিষ্টি হাসি দেখতে পেতেম, আমার তখন বড্ড ভাল লাগত , মনে হত , হ্যাঁ আমার মা-মনি ভাল আছেন ।এখনও আমার ইচ্ছা করে আমার আঙ্গুলে আম্মার কামড় খেতে । কিন্তু তা আর কখন সম্ভব নয় । আমাদের আম্মা ,শহীদ জালাল উদ্দিন রতনের মা - আর নাই ।২০ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ১০ঃ২৫ মিনিটে উনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন ) আমার ব্লগের সব সাথীরা আমার আম্মার জন্য দোয়া করবেন যেন উনি বেহেশতবাসী হতে পারেন ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৮:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



