জাতির জন্য আজ একটি বিরাট গৌরবের দিন। স্বাধীনতা ঘোষণার দিন, সার্বভৌমত্বের দিন। 1971 সালের এ দিনেই সমগ্র জাতি জেগেছিলো, ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো যুদ্ধে। 36 বছর অতিবাহিত হয়েছে এ স্বাধীনতার। বাঙালি জাতি এ দীর্ঘ সময়ে চেয়েছে অনেক, পেয়েছেও বেশ। তবু দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চাওয়া-পাওয়া অনেকটাই থেকে গেছে অপূর্ণ। আজ সময় এসেছে সে হিসাব মিলানোর। এতো বছর পর জাতি আজ সত্যিই স্বাধীনতাটাকে খুঁজছে, মিলাচ্ছে হিসাব।
না, কোনো অপ্রাপ্তি নিয়ে বলবো না। পঁচিশে মার্চের কালোরাতের ছায়ার মতোন গতকালও কেটেছে আমার উৎকণ্ঠায়। বৃষ্টি এসে বারবার ভন্ডুল করে দিতে চাচ্ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের বিজয়কে। অবশেষে বারমুডার বিপক্ষে 7 উইকেটের বিশাল জয় তুলে এনেছে বাংলাদেশের সোনার ছেলেরা। এ আমাদের স্বাধীনতা দিবসের প্রাপ্তি, বিরাট অর্জন। বাংলাদেশের সুপার এইটে খেলার স্বপ্নপূরণ হয়েছে। অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে, অভিনন্দন কোচ ডেভ হোয়াটমোর!
উপমহাদেশের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটদল পাকিস্তান এবং ভারতের সুপার এইট থেকে ছিটকে পড়াটাকে আমি তাদের পাওনা ছিলো বলেই ভাবছি। যোগ্য দল হিসেবে শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ সুপার এইটে উঠেছে। বাংলাদেশ-এর জন্য এটা আর কোনো অঘটন নয়। বাংলাদেশ এখন ভারতীয় উপমহাদেশে এক জ্বলজ্যান্ত এক ক্রিকেটশক্তি। আশা করি বিশ্বকাপের সামনের দিনগুলোতে ক্রিকেট বিশ্বের সবাই সমীহ করবে বাংলাদেশকে। তবু এখনও যারা নাক ছিটকাচ্ছে, বিভিন্ন অজুহাত খাড়া করাচ্ছে- তাদের জন্য সত্যিই অনুকম্পা হয়।
আফসোস জেগেছিলো 1997 সালে কেনিয়ার উপর। আইসিসি বিশ্বকাপের কোয়ালিফাইং রাইন্ডের শেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশকে তারা হারাতে পারেনি নাকি বৃষ্টির কারণে!? আফসোস আবারও জেগেছিলো গতকাল স্যাটম্যাক্সের মন্দিরার উপর। বৃষ্টি না হলে, পুরো ম্যাচ খেললে, বারমুডা বাংলাদেশের বিপক্ষে অনেক কিছুই করতে পারতো এসব শুনে। হায় রে! ঈর্ষা আর বলে কাকে? তবে যে যাই বলুক- জয়তু বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এগিয়ে যাও বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা। বিশ্ব দেখুক- আমরাও পারি!
26.03.2007
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




