দিল্লীর মানুষ বিশ্ববাসীকে বিশেষ করে উপমহাদেশের সকল মানুষকে চমৎকার কিছু মেসেজ দিল আর তা হল -
১. আজ দিল্লীর মানুষ বুঝিয়ে দিল নামের শেষে গান্ধী থাকলেই মহাত্মা গান্ধী (মহন দাস করমচাঁদ গান্ধী) হওয়া যায় না ।
২. আর পূর্বপুরুষদের কৃতিত্ব এর কীর্তন গেয়ে বা দোহাই দিয়ে বেশিদিন জনগন (সচেতন) দের ধোঁকা দেয়া যায় না। যদি না নিজের কোন কৃতিত্ব এর সাথে যুক্ত থাকে কারন একমাত্র কীর্তিমানেরই মৃত্যু নাই।
৩. ধর্মের দোহাই বা ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি করে দাঙ্গা (যা কোন ধর্ম মতেই বৈধ নয়) করে কিছু সময়ের জন্য জনপ্রিয়তা পাইলেও সচেতন জনগণ কখনোই তা ভালো ভাবে নেয় না। তারা ভালো সুযোগের অপেক্ষাতে থাকে এবং সুযোগ পেলেই এর উত্তর ব্যালটের মাধ্যমে দিয়ে দেন।
৪. সচেতন জনগন কখনোই দুর্নীতিবাজ, ক্ষমতা লোভী, দলীয় করন কারী অথবা স্বেচ্ছাচারী সরকার এর সহযোগিতা করে না।
জানি না আমাদের দেশে এমন কবে হবে কারন আমাদের জাতির মেরুদণ্ড তৈরির কারিগরদের বেশীরভাগই তাঁদের বিবেক এবং মাথা দুটোই বিক্রয় করে উটপাখির মত মাটির গর্তে মাথা লুকিয়ে আছেন।
আর যারা কেজিরঅয়াল হইতে চাইবেন তাঁদের তো আমরা সাধারন জনতা পাগল বলতে প্রস্তুত হয়ে থাকি। আর শাসক গোষ্ঠী তো তাঁদের গুম করতে কোন সুযোগ ই হাতছাড়া করবেন না।
তাই কেন যেন মনে হয় আমাদের সকলের কপালে এই সঙ্গীত ই আছে আর তা হল-
"মেরা জীবন পোড়া কাগজ পোড়াই রহে গিয়া"
৩০ লক্ষ্য জীবনের বিনময় এর মাধ্যমে পাওয়া স্বাধীনতা আজ প্রতিনিয়ত হরন হচ্ছে নিয়ন্ত্রণের নামে।
এর পরেও আরও জীবন দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা গণতন্ত্র মাঝে মাঝে ই স্বৈরতন্ত্রে রূপ নেয়। আবার তা পুনরুদ্ধারের নামে হাজার মানুষ আগুনে পুরে, বোমার আঘাতে কিংবা "ক্রস ফায়ারে" বিচার বহির্ভূত ভাবে মারা যাচ্ছে।
কারন আমরা যে আজো উপবৃত্তের দুই ফোকাস কে কেন্দ্র করেই পরিধি বরাবর ধাবমান আছি।
আর এভাবে ধাবমান থাকলে আমরা বারবারই একই সমস্যাতে জীবন দিতে থাকব কিন্তু সমাধান হবে বলে গত ৪৩ বছরে মনে হয় নি।
তাই আসুন দিল্লীর জনগনের মত ও আমরা পরিবার তান্ত্রিক গণতান্ত্রিকতা থেকে মুক্ত হয়ে ব্যাক্তির গুনাগুন বা অর্জন বিচার করে ব্যালটের রায় দেই। তা না হলে আজকের এই দুর্নীতিবাজ, ক্ষমতা লোভী, দলীয় করন কারী লোকজনের হুকুমের (ভোট এর মাধ্যমে এদের এগুলো করার ক্ষমতা দেবার কারনে) আসামি হিসেবে মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে আপনার নামে বিচার ঠুকবে পরবর্তী প্রজন্ম। যেখানে আপনার উকিল আপনি ই।
এখনো সময় আছে আমাদের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর নিজেদের শুধরে নেবার। কারন বুদ্ধিমান মাত্রই প্রকৃতি এবং পরিবেশ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। আশা করি আপনিও করবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



