এই ব্লগে ইতিমধ্যে অনেকেই জামাত-শিবিরের সাফাই গেয়ে মহা পুলকিত বোধ করেন। তাদের অনেকেই আবার দাবি করেন, তাদের বাপেরা নাকি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন! আবার কেউ কেউ বুক ফুলিয়ে বলার চেষ্টা করে, তারা একাত্তরের দিনগুলি পড়ে বড় হয়েছে। এই একাত্তরের দিনগুলি পড়ে বড় হওয়া জামাতীদের সাফাই গায়ক সেই ব্লগারকে আমি বলতে চাই, আপনারা এইসব বই পড়েন তাদের লেখকদের ওপর আক্রমণ চালানোর কৌশল খুঁজে বের করতে। এটাই আপনাদের ধান্দা। আপনারা যাই পড়েন না কেনো, আপনাদের বাপেরা যাই করেন না কেনো, আপনারা কিন্তু দিনে দিনে দালাল ছাড়া আর কিছুই হচ্ছেন না।
যাক, এবার ফিরে আসি তাদের কথায় যেসব দালাল হাসান আজিজুল হককে ধরে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করছে। তাদের পত্রিকাগুলো বলেছে, হাসান আজিজুল হক নাকি ধর্মকে কেটে ফেলার কথা বলেছেন। কোথায় পেলেন তারা এই বক্তব্য। তাদের রিপোর্টার ওই আলোচনা সভায় গিয়েছিলেন? তা যেতে পারেন অবশ্য। কিন্তু ওই নিউজের শেষে সেই রিপোর্টার আবার জানিয়েছেন, আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে অজয় রায় অংশ নেন। কিন্তু সিডিউলে থাকলেও অজয় রায় অসুস্থতার জন্য ওই অনুষ্ঠানেই আসতে পারেননি। বর্ক্তৃতা করা কিংবা আলোচনায় অংশ নেয়া তো দূরের কথা। তাহলে বিষয়টি কী দাঁড়ালো? রিপোর্টার যদি ঘটনাস্থলে যান তাহলে তো তার এই ভুল হবার কথা নয়। এথেকে বুঝতে কষ্ট হয় না, অনুষ্ঠানে না গিয়েই একটি হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে জামাতীদের পত্রিকাগুলো অনুষ্ঠানে রিপোর্টার না পাঠিয়ে হাসান আজিজুল হকের মনগড়া বক্তব্য ছেপে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির উস্কানি যুগিয়েছে। আর সেই জের ধরে শিবির রীতিমতো মাঠে নেমে গিয়েছে। আসলে জামাত-শিবিরের আসল চরিত্র এটাই। একই চরিত্রতাদেরও যারা নানা রূপে নানা স্থানে এদের দালালি করে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



