somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছেলেবেলার গল্প লিখবেন হাসান আজিজুল হক

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক দিন ধরেই ছোটদের জন্য ভালো লেখার অভাব বোধ করছিলাম। আমাদের শৈশব কিংবা কৈশোরে আলী ইমাম, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল আর শাহরিয়ার কবীরদের লেখা পড়ে কোথায় যেনো হারিয়ে যেতাম। কিন্তু আমার দু'বছর ছুঁতে যাওয়া সন্তান রোদ কী পড়বে? কোন লেখকের বইয়ের প্রকাশনার জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করবে? এই চিন্তাটা ভিড় করে আসার আগেই হাসান আজিজুল হকের কাছে পাড়লাম। অনুরোধ করলাম, অন্ততঃ কিছু না হোক, তার ছেলেবেলা নিয়েও কিছু কাজ তো করতে পারেন তিনি। দিন বাড়লো, আমার পীড়াপীড়িও সঙ্গে বাড়লো সমানতালে। আগুনপাখির কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। এখন রচনাসমগ্রের কাজে তিনি ব্যস্ত। এর পরেই হাসান আজিজুল হক তার ছেলেবেলা নিয়ে লিখতে বসবেন। আমরা অপেক্ষা করছি তার সেই লেখার জন্য।
এই ব্লগের সদস্যদের জন্য তার একটি লেখা (যা তার ছেলেবেলার লেখার মধ্যে থাকবে হয়তো) তুলে দিলাম। এই লেখাটির কিছু অংশ সমকালের পূজা সংখ্যায় বেরিয়েছিলো।



উৎসবে মানুষ নতুন হয়ে ওঠে
-হাসান আজিজুল হক
রাঢ় বাংলায় আকাশ খুব বড় দেখায়। প্রান্তরগুলো আরো বড়। যে এলাকায় আমার জন্ম সে এলাকাকে বলা হতো বাংলার শস্য ভাণ্ডার। বিশাল বিশাল ধানের মাঠ। সেটা যে কী বিস্তৃত তা কল্পনা করা যায় না। কিন্তু মোটামুটিভাবে বৃশূন্য। তার ওপরে আকাশ। অতটা আকাশ একসাথে রাঢ়ে আমি যেভাবে দেখেছি তা পৃথিবীর আর কোথাও দেখিনি। আকাশ তো আর একরকম থাকে না! ঋতুতে ঋতুতে বদলায়। আকাশের এই রঙ বদলানো, চেহারা বদলানো, ছোটবেলায় আমার ল্য করার মতো বিষয় ছিলো। আকাশ বদলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে বাতাস বদলে যেতো, গাছ-পালা, প্রকৃতির চেহারা বদলে যেতো। রাঢ়ের আকাশে যখন বর্ষা আসতো তখন মনে হতো যেনো এক অৗেহিনীর সৈন্য মহোৎসবে এগিয়ে আসছে। তারপর বর্ষা যায় আস্তে আস্তে, কখন যে যায় ঠাহর করা যায় না। এরপর একদিন খেয়াল করতাম আজকের আকাশের রঙটা কী আশ্চর্য রকম নীল। আজকের বাতাস সি্নগ্ধ। আর হঠাৎ অনেক দূর থেকে ভেসে আসতো গুড়ু গুড়ু গুড়ু গুড়ু ঢাকের শব্দ। বুঝতাম পূজা এসে গেছে।
দূর্গাপূজা কিংবা যেকোনো উৎসবের মধ্যে বেশকিছু আনুষ্ঠানিক দিক থাকে। সেই আনুষ্ঠানিক দিকের মধ্যে বহু রকম আচার থাকে, সংস্কার থাকে, প্রথা-রীতি থাকে। কিন্তু এই আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিলে সর্বসাধারণের জন্য থাকে একটি বার্তা। বার্তাটি কীসের? প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়েছে, বর্ষা চলে গেছে, আকাশ সুনীল হয়েছে। পেজা তুলঅর মতো মেঘ আকাশে বেসে বেড়াচ্ছে। কখনো ননীর মতো নরম। কখনো পালকের মতো হালকা। কখনো পুরো আকাশ জুড়ে। আবার কখনো ছোপ ছোপ। যাই হোক- এই যে পূজার ডাকটা যখন আসতো তখন সুন্দর ঘোরলাগা একটা পরিমণ্ডল গোটা গ্রাম জুড়ে যেনো ছড়িয়ে পড়তো। এটাকে একক কোন সমপ্রদায়ের ব্যাপার বলে আমার কখনো মনে হয় নি। এ যেনো শান্তি আর ভালোলাগার ছড়িয়ে যাওয়া আবহ। মানুষ যেমন স্নান করে, সুগন্ধি মাখে নিজেকে নতুন করে তৈরি করে নিয়ে দেখাবার জন্য, তেমনি কোন উৎসবও এক ধরণের স্নান, এক ধরণের বস্ত্র পরিবর্তন, মানসিক পরিবর্তন। আমাদের গ্রামে যখন উৎসব আসতো তখন কী হিন্দুর উৎসব, কী মুসলমানের উৎসব, কী অন্তজ শ্রেণীর উৎসব তার আওতার মধ্যে সব মানুষই ঢুকে পড়তো। আমার বাল্যকালটা এভাবেই কেটেছে।
আমার জন্ম বর্ধমানের যবগ্রামে। ছেলেবেলা কেটেছে সেখানেই। পূজা যখন আসতো তখন আমার মনের মধ্যে দারুণ এক আনন্দ কাজ করতো। দুর্গাপূজা যে শুধুমাত্র বাঙালির উৎসব তা আমি পরে টের পেয়েছি। কারণ বাংলার বাইরে দুর্গাপূজার প্রচলনই নেই। দূর্গাপূজার ধারণাটা বাঙালির কাছে একটু অন্যরকম। তাদের ভাবনাটা এরকম যে কন্যা শ্বশুড়বাড়ি আছে, ছেলেমেয়ে নিয়ে আছে এবং ভালো নেই। অথচ সে ভালোই থাকবে। পৌরাণিক মতে, তার স্বামী তো ত্রিভূবনেশ্বর, দেবাধিরাজ মহাদেব। দুর্গার স্বামী মহিমান্বিত মহাবেদবতা বটে কিন্তু তার চালচুলো নেই। তার স্বামী শ্মশানে শ্মশানে ঘোরে, মদ গাঁজা ভাঙ খায়। সে ভোলানাথ, কিছুই তার মনে থাকে না। স্ত্রী সন্তানদের প্রতি কোনো দায়িত্বই সে পালন করে না। বাঙালির মনে এই হলো তার কন্যার সংসার সম্পর্কে ধারণা। তাই বাঙালির চিন্তা, মেয়ে তাদের কেমন আছে। একবছর পর সে মেয়ে আসবে তাদের মাঝে এটা বাঙালির জীবনে একটা অপূর্ব ঘটনা। মেয়ে আসছে। তার সন্তান লী, কার্তিক, সরস্বতী, গনেশকে নিয়ে। এখানে দূর্গার কন্যা মূর্তিই প্রধান।
আমাদের গ্রামটা ছিলো বেশ বড়। হিন্দু প্রধান। সব বর্ণেরই হিন্দু ছিলো। তবে উচ্চ বর্ণের সংখ্যা কম। সারা গ্রামের প্রান্ত জুড়ে বাস করতে অন্তবাসী সমাজের মানুষজন- হাড়ি, মুচি, ডোম, বাউড়ি, বাগদি- এরা থাকতো এ প্রান্তে। আর ভেতরে হিন্দু পাড়া। গ্রামটা ছিলো মাঝারি কৃষকের। ব্রাহ্মন ঘরের সংখ্যা ছিলো চার। এদের মধ্যে মাত্র দ'ুঘর ছিলো পূজারি ব্রাহ্মন। বাকি দু'ঘর ব্রাহ্মণ হলেও পূজার অধিকারী ছিলেন না। তারা নিম্নশ্রেণীর হিন্দুদের বাড়িতে পূজার কাজ করতেন। পুরোতের কাজ করতেন প্রধানতঃ আমাদের স্কুলের হেডমাস্টার মশাই। তার উপাধি ছিলো পাঠক। আরেকটি ভট্টাচার্য পরিবারও ছিলো। গ্রামে উগ্রত্রীয় যাদের সংেেপ আগুড়ি বলা হতো এদের সংখ্যা ছিলো বেশ বেশি। সম্ভবতঃ এরা বহিরাগত। বর্ধমান জেলার বাইরে এদের আর কোথাও তেমন দেখা যায় না। আরেক সমপ্রদায় ছিলো তিলি সমপ্রদায়। পশ্চিমবঙ্গে এরা বেশ বড় সমপ্রদায়। আমাদের গ্রামে মুসলমানের সংখ্যা বড়জোড় 10 ভাগ হতে পারে।
গ্রামে দুর্গাপূজা হতো দু'টি। চাঁদা তুলে সার্বজনীন পূজার প্রচলন ছিলো না। আগুড়িপাড়ায় একটা পূজা হতো। ওরা কয়েকটা পরিবার মিলে আয়োজন করতো এ পূজার। আরেকটা পূজা করতো তিলি সমপ্রদায়। এই দুই পূজাই ছিলো গ্রামের সকলের। আগুড়িদের একটা পরিবার পরবর্তীতে বিত্তবান হয়ে উঠলে তারাও একটি পূজা শুরু করে। গ্রামের মানুষদের তখন দেখতাম, একটু টাকা-পয়সা হলে বাড়িটা ভেঙে একটা কোঠাবাড়ি করে আর হিন্দু সমপ্রদায়ের হলে হয়তো একটা বাৎসরিক দুর্গাপূজা চালু করে। সেটা খুব সম্মান ও গৌরবের।
ছোটবেলায় আমি দেখতাম পূজার বিভিন্ন পর্যায়। প্রথম বার্তাটি আসে হয়তো বহুদূরের কোনো গ্রামের ঢাকের আওয়াজে। তখুনি মনে হতো, এই যে পূজা এসে গেলো। গ্রাম থেকে তিন গ্রাম দূরের একজন কারিগর আসতেন প্রতিমা তৈরি করতে। তিনি যেদিন প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করতেন সেদিন থেকে আমাদের উদগ্র কৌতূহল_ আজ কতোটা হলো, কাল কতোটা তৈরি হবে। সারদিনে অন্তত একবার হলেও যেতাম প্রতিমা তৈরি কতটা হলো দেখতে।
পূজার সময় সবচে আকর্ষনীয় ব্যাপার ছিলো গ্রামে প্রবাসীদের আগমন। যারা চাকুরি, ব্যবসা কিংবা অন্য কারণে গ্রামের বাইরে থাকতেন তারা এ সময় গ্রামে আসতেন। নতুন মানুসে ভরে যেতো গ্রাম। তাদের মনে আনন্দ। তারা বাড়ির বাচ্চাদের জন্য আনতেন নানান উপহার, মেয়েদের জন্য শাড়ি, কর্তাদের জন্য ধুতি। তারা গ্রামে এলেই কোনো জাদুবলে যেনো গ্রামের পরিবেশ বদলে যেতো। গ্রামীণ জীবনের দৈনিন্দন সামান্যতা, কান্তি, একঘেয়েমি মুহূর্তেই ধুয়ে মুছে যেতো। জীবন বইতো নতুন খাতে। যারা প্রবাসে থাকতেন তারা যখন ফিরতেন আমাদের মতো ছেলেমেয়ারাও তো তাদের সঙ্গে ফিরতো। সময়টা তখন কাটতো অতি চমৎকার।
এদিকে ঠাকুরগড়া চলছে। প্রথমে আগের বছরের কাঠামোটা ঠিকঠাক করা হতো। তারপর মাটিটা ভালো করে তৈরি করা হতো। সেও এক দেখার মতো ব্যাপার ছিলো! এর মধ্যে এক ধরণের সুগন্ধি ঘাস কেটে দেয়া হতো। প্রথমে কাঠমোটা ঢাকা পড়তো। এইভাবে একদিন দেখা যেতো মাটি দিয়ে লেপে পুরো জিনিসটাই তৈরি হয়ে যেতো। তখন বুঝতাম আর দেরি নাই। তখন শুধু এ বাড়ি ও বাড়ি গেলেই মিষ্টান্ন পাওয়া যেতো। তারপর প্রতীমার গায়ে রঙ চাপানো। প্রথমে খড়িমাটি লেপে দেয়া হয়। দেখতে তখন ভালো লাগতো না। তারপর আবার প্রলেপ দেয়া হতো খড়িমাটি দিয়ে। প্রতিমার রঙ একেবারে শাদা করে তোলা হতো। তারপর যে ঠাকুরের যে রঙ সে রঙ দেয়া শুরু হতো। লীর রঙ হলুদ, দুর্গার রঙ হলুদ, স্বরস্বতী সাদা। রঙ স্থায়ী করতে কাঁচা বেল ভেঙে সেখান থেকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আঠা বের করা হতো। এ ছাড়া পাতিলের গায়ে লেগে থাকা কালো রঙ ব্যবহার করা হতো। রঙ দেয়ার যখন শুরু হতো তখন আমি সেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতাম। সে সময় গোটা গ্রাম জুড়ে এক অন্যরকম সুগন্ধ ভেসে বেড়াতো। কখনো কাঁচা বেলের গন্ধ, কখনো আমলকি-বহেরার গন্ধ, গর্জন তেলের গন্ধ, ধূপ-ধূনোর গন্ধ, সেই বাঙালির চিরকালের প্রিয় ফুল শেফালির সুগন্ধ। সব মিলিয়ে এ যেনো পূজার গন্ধ।
বোধন দিয়েই শুরু হতো পূজা। তারপর আসতো মহাঅষ্টমী। আমাদের ওখানে অষ্টমীতে বলিদানের প্রথা ছিলো না। যতোদূর মনে পড়ে, দিনে দু'বার করে আরতী হতো। এ সময় ঢাক, ঢোল, কাশি, খঞ্জনি, ডুগি, সানাই ইত্যাদি গ্রামীণ বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হতো। সৃষ্টি হতো এক তুমুল শব্দ সমুদ্রের। কখনো কখনো পূজা উপল্যে যাত্রা, কবিগান আয়োজিত হতো। তখন তো বৈদু্যতিক আলো ছিলো না, হ্যাজাক লাইট, ডেলাইট, কারবাইড গ্যাসের লণ্ঠন জ্বালিয়েই চলতো অনুষ্ঠান।
এরপর বিসর্জনের পালা। কন্যা সন্তানদে;র নিয়ে মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে, তাতে যেমন বিষাদ আছে, ঠিক তেমনি মঙ্গলের ধারণাও আছে। কন্যা আগামী বছর আবার আসবেন। এই যে তিনি চলে গেলেন, সমস্ত অশুভকে দূর করে গেলেন, মঙ্গলের সি্নগ্ধ আলোয় সংসার ভরিয়ে তুললেন, আবার সামনের বছর তিনি ফিরে আসবেন। বাঙালির জীবন এভাবেই চলতে থাকবে। #
উজান, রাজশাহী, 26 সেপ্টেম্বর, 2006

লেখাটি ব্লগে ব্যবহারের জন্য হাসান আজিজুল হকের মৌখিক অনুমতি নেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ ইলিশ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৬


ইলিশ!ইলিশ!! রূপালী ইলিশ, কোথায় তোমার দেশ? 
ভোজন রসিকের রসনায় তুমি তৃপ্তি অনিঃশেষ। 

সরষে- ইলিশ, ইলিশ-বেগুন আরও নানান পদ
যেমন তেমন রান্না তবুও খেতে দারুণ সোয়াদ

রূপে তুমি অনন্য ঝলমলে ও চকচকে।
যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মানবাধিকার' (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

'মানবাধিকার' একটা এনজিও। তারা বিদেশী সহায়তা নিয়ে মানুষ, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে। আজ তারা একটা বড় সমাবেশ করছে প্রেসক্লাবে। সমাবেশে সাংবাদিকসহ নানান পেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। টিভি সাংবাদিকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×