somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শিবলী নোমান
আমি অপেক্ষা করি ...

অনেকদিন পর রাজশাহীর রাস্তায় হাঁটলাম একসঙ্গে

০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকায় প্রায়ই দেখা হয় তাদের সঙ্গে। পুরানো সহকর্মী, সুহৃদ। একসঙ্গে তাদের সঙ্গে ৫/৬টি বছর কাটিয়েছি সুখে-দুঃখে। কখনো কখনো যে একে অপরের পেছনে লাগিনি- তাও নয়। তারপরেও আমরা ছিলাম একটি পরিবারের মতো। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক পরিবার। মতিহারের সবুজ এই চত্বরে সাংবাদিকতার সব থেকে স্বর্ণালি সময় আমরা কাটিয়েছি একসঙ্গে। সে জন্যই এতোদিন পরেও বোধ করি যেনো নাড়ীর টান। কিন্তু ঢাকায় গেলে কথা হয়। বড়জোড় আড্ডা, একটি দু'টি সিগারেট বা আধাঘন্ট খোশগল্প। কিংবা একআধকাপ চা, কখনো বা একবেলা, একপেট খাওয়া। একসঙ্গে। কিন্তু মন খুলে, প্রাণ জুড়িয়ে কথা বলা হয়ে ওঠে না। তাদের কাজের চাপ, আমার মাথার ওপরে অফিসে দেন দরবারের চাপ। আমরা একসঙ্গে দল বেঁধে আগের মতো আর মেতে উঠতে পারি না প্রাণের উচ্ছ্বাসে। এ কান্না চাপা থাকে, কষ্ট হয়ে বুকে বাজে। আমরা প্রকাশ করি না। ঢাকার কনক্রিটের ভিড় আমাদের প্রকাশে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। আমরাও পাথর হয়ে যাই।
আজ আমরা আর পাথর হয়ে থাকি না। আজ আর কনক্রিটের ভিড় নেই। পুরানো শহর, স্মৃতির শহর রাজশাহীতে প্রায় ৪ বছর পর আমরা পুরানো ৪ বন্ধু একসঙ্গে হলাম। মাহবুব আলম, সমীর কুমার দে আর আবু নোমান সজীব। সঙ্গে আমি। সিটি নির্বাচন কাভার করতে তারা ঢাকা থেকে এসেছে। পেশাগত কাজেই আমরা একত্রে। কিন্তু তারপরেও রাজশাহীর রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে আমরা যেনো আবার নতুন করে ফিরে পেলাম নিজেদের হারিয়ে যাওয়া সময়। নিজেদের মধ্যে মগ্ন হয়ে পথচলা আমাদের এই ছবিটি সমকাল রাজশাহী ব্যুরো অফিসের চারতলার বারান্দা থেকে টুক করে তুলে নিয়েছেন আমাদের দীর্ঘ দিনের সহকর্মী জাবীদ অপু। ছবি আর অনুভূতিগুলো ব্লগার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×