বুঝতে পারলাম আমার সামনে যিনি বসে আছেন তিনি সাভারের বিখ্যাত সর্পপল্লীর বিখ্যাত সর্পরাজ আব্দুল মান্নান সর্পভুক! ভিজিটিং কার্ডের শুরুতেই লেখা আল্লাহ সর্বশক্তিমান- যাক বাবা সর্পরাজ তাহলে নাস্তিক নয়। নামের বাম পাশে লেখা কামরুখ কামাক্ষা, আসাম- জানতে পারলাম সর্পরাজ হবার জন্য ওনাকে দীর্ঘ ১৩ বছর গুরুর কাছে কামরুখ কামাক্ষায় সাধনা করতে হয়েছে! জিজ্ঞেস করলাম সাপ নিয়ে খেলা দেখান ছাড়া আর কি কি করতে পারেন? কনফিডেনটলি বললেন, যত বিষধর সাপই হোক না কেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উপস্থিত হতে পারলে উনি সাপে কামড়ান মানুষকে বাঁচাতে পারেন। সপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণও দেখালেন ব্যাগ থেকে ছবির এ্যালবাম বের করে! ওনার গুরুর ছবি দেখে সাপ দেখবার মতই ভয় পেলাম
মহামুল্যবান একটি সার্টিফিকেটও দেখালেন ১৯৭৯ সালে চিটাগাং ইউনিভার্সিটির ভিসি'র সাইন করা!
ভিজিটিং কার্ডের এক কোণায় লেখা, চলচিত্রে সাপ দেওয়া হয়- পরবর্তীতে দেখা হলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করব, বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না ছবিতে ওনার কোন সাপ অভিনয় করেছিল কিনা জিজ্ঞেস করলেন কখনও সাভারে গিয়েছি কিনা। হেসে বললাম, আমি জাবির ছাত্র! কার্ডের একদম নীচে মহামুল্যবান কথা লেখা (খেয়াল কইরা কিন্তু ), জীবনে কখন কাকে কাজে লেগে যায় বলা যায় না! তাই ওনাকে কথা দিলাম, পরিচিত, স্বল্প পরিচিত, অল্প পরিচিত কিংবা সম্পূর্ণ অপরিচিত কাউকে সাপে কামড়েছে খবর পাওয়া মাত্র ওনাকে ফোন দিব।
চলে যাবার আগে সপরিবারে সর্পপল্লীতে গিয়ে এক বেলা ভাত খাবার দাওয়াত দিয়ে গেলেন। ভদ্রতাসূচক হিসেবে আমারও ওনাকে আমার বাসায় এক বেলা ভাত খেতে বলা উচিত! আমি এবারও সেরকম কোন সৌজন্যতার ধারে কাছ দিয়েও গেলাম না ........
![]()
![]()
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ১০:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



