বিশ শব্দের গল্পসমগ্র- দুই
১)
- মারফি'স ল'য়ের উদাহরণ দেতো।
- তুই ক্রাশের কিংবা ক্রাশ তোর গাড়িতে লিফট নিলেই শহরের জ্যাম উধাও হয়ে দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌছাবি!
২)
করোনায় অর্ধেক বেতনে স্বল্প টাকায় চাকুরীরত কাজিনের দেখাদেখি সিক্স ডিজিটের বেতন পাওয়া ছেলেটিরও একই স্ট্যাটাস, বেতন যাই হোক বেকারতো নই!
৩)
- তুই সবসময় উবারে বিকাশে পেমেন্ট করিস কেনরে?
- গাড়ি থেকে নামার সময় ড্রাইভারকে ক্যাশ না দিলে সবাই ভাবে গাড়িটা আমার নিজের!
৪)
প্রতিবেশী আঙ্কেলের জানাযায় তিন প্রবাসী ছেলের একজনও আসেনি।
আব্বুকে নিজ হাতে কবরে শুইয়ে দিয়ে আসার পর কথাটা মনে পড়ল আরেকবার!
৫)
- সারাজীবন চাকরি করলে কলিজা একসময় মুরগীর কলিজা হয়ে যায়!
- মানে! আমার আব্বুর কলিজা মুরগীর কলিজা?
- নাহ্ ওনারটা কবুতরের কলিজা সাইজের!
৬)
-বিবিএর তুলনায় এমবিএর সিজিপিএ এত পুওর কেন!
-বিবিএতে হবু বউয়ের খাতা দেখে লিখতাম আর এমবিএতে আমার কোন হবু বউ ছিলনা!
৭)
জরুরী প্রয়োজনে রাত আটটায় কাস্টমারকে ফোন দিলাম।
ওনার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ফোন ধরে জানাল, আঙ্কেল আব্বুতো এখন হাগু করছে!
৮)
মানিকের ফেইক আইডিতে পোস্ট, রেস্টুরেন্ট পার্টনার চাই।
রতনের কমেন্ট, ইনবক্স প্লিজ।
অত:পর একদিন তারা শহরের অন্যতম সেরা বার্গার ব্র্যান্ডের কো-ফাউন্ডার!
৯)
- ওগো শুনছ, আমার ম্যানফোর্স ওয়াচটা কোথাও পাচ্ছিনা, একটু খুঁজে দেখবা প্লিজ?
- নাউজুবিল্লাহ্, ওইটা ন্যাভিফোর্স ওয়াচ! মাথায় শুধু এইসব ঘুরে তোমার!
১০)
কলিগ বলল, গতকাল আসেননি কেন?
মুখে বললাম অসুস্থ ছিলাম আর মনেমনে বললাম, জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে আর সিকলিভ সবই উপরওয়ালার ইচ্ছা!
১১)
-টাকা খরচ করে একটা মোটিভেশনাল সেশনে গিয়েছিলাম!
-তা কেমন মোটিভেটেড হলি!
-বেশ ভালোই! মোটিভেশনাল স্পীকার দেখলেই এখন পিটাইতে মন চায়!
১২)
- ভাইয়া জানেন আমার এমবিএ সিজিপিএ খুব পুওর!
- আহারে কত তোমার? আমার অবশ্য এমবিএর সিজিপিএ ভালোই আলহামদুলিল্লাহ্
- 3.80 মাত্র! আপনার?
- 2.99!
১৩)
গাড়ি থামিয়ে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার বুনোহাতির ছবি তুলছিল।
বুনোহাতি বিষয়টি একেবারেই পছন্দ করেনি এবং মুহুর্তেই ক্ষেপে গিয়ে তাকে পিষে মেরে ফেলে।
১৪)
সারাজীবন শত চেস্টায় একটি প্রেমও করতে না পারা ছেলেটি ফেসবুকে বিয়ের এলবাম আপলোড করে লিখল, সরি গার্লস আই এম টেইকেন!
১৫)
চারজন পিএইচডিহোল্ডারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-ইকোনমিস্ট যেই করুকনা কেন ডিগ্রীটা কেন ডক্টর অফ ফিলোসফি!
স্রেফ একজন ঠিকঠাক বলতে পেরেছিল!
১৬)
দুজনেরই কঠিন প্রেম ছিল!
ব্রেকাপের পর এরেঞ্জড ম্যারেজের ছমাসেই সুখের সাগরে ভাসতে ভাসতে টের পেল, শরীর আসলেই সবকিছু ভুলাইয়া দেয়!
১৭)
- তোর বন্ধুরা সব কানাডা চলে যাচ্ছে!
- হুমম
- সবাই বাড়িগাড়ি, জমিজমা কিনতেছে!
- তোহ্!
- তুই কিনবিনা!
- নাহ্, তাদের বেশীরভাগই এত শান্তিতে ঘুমায়না!
১৮)
- তাহলে কথা দে, তুই শুধু আমাকেই ভালবাসবি!
গাল টিপে এভাবেই বলেছিল সে ... ... ...
জ্যামে টাকা দিতে অপারগতায় এক হিজড়ার অদ্ভুত আবদার!
১৯)
টিনএজ লাইফে প্রায়ই বিনা দাওয়াতে বিয়ে খেতাম!
আজ আমার একমাত্র মেয়ের বিয়েতে খাবার শর্ট!
পাপের প্রায়শ্চিত্ত এভাবে করব কোনদিন ভাবিনাই!
২০)
'ছোট্ট একটি রুম
সেথায় থাক যখন ঘুম
চুপচাপ চুপ
যেন রূপকথার রূপ!'
অনুকাব্যটা আয়নায় লিখে মীরাকে নাজাগিয়েই অফিসে যায় নীলয়!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




