
প্রতিদিনের মত সকালে পিসিটা অন করলাম । প্রতিদিনের মত ব্রাউজারের বুকমার্কে রাখা স্বপ্নের দুয়ার খোলার চেষ্টা করলাম । তবে আজ হতাশ হলাম না।সকালে সামুর মানুষ গুলোকে দেখে ভালো লাগছে। সামুতে আট বছর দুই সপ্তাহ। সময়কাল খুব কম নয় মানুষের গড় আয়ু অনুযায়ী। তাই ভালোবাসাটাও সীমা ছাড়িয়ে গেছে। একেকটা দিন যায় , শক্ত দেয়ালে ইটের পরিমান বাড়তে থাকে। গাঁথুনি জোরালো হয়।
কত মানুষ ! কত জনকে চিনি ? কত জনের সাথেই বা মিশতে পারি ? কিন্তু বাস্তবতা হল সবাইকেই অনুভব করেছি খুব। সনেট কবিকে বহুদিন দেখিনা। কাল যখন সামু খুলে গেলো , ওনার কথা খুব মনে হলো। আশাকরি উনি ফিরে আসবেন আবার।
আজ ব্লগারের দের কলতানে মুখরিত সামুর বাগিচা। এক ৬৯ জন কে অনলাইনে দেখেছিলাম। প্রথম যখন সামুতে আসতাম তখন এই হিসাব গুলো মাথায় আসতো না। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৬৯ শুধু মাত্র সংখ্যা নয়! ভালোবাসা , আবেগ , স্বপ্ন আর বাঁধনহারা মুক্তির নেশা।
সামুর মুখরিত বাগিচায় আজ কাজের ফাঁকে উঁকি দেব খুব। কর্পোরেটে বাধা নিষেধ , ব্যস্ততা , জবাবদিহিতা উপেক্ষা করা সম্ভব না। তবুও মন পরে থাকবে । এই মন কোন ব্যারিকেডের ধার ধরে না।
অদ্ভুত এক অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে। অদ্ভুত উপলব্ধি। কখনো এভাবে ভাবিনি। সামুর মানুষ গুলোকে এতটা অনুভব করতাম !!
আজ সকাল থেকে বৃষ্টি। এখন আর নেই। ১০ তলার জানাল দিয়ে এক ফালি নীল আকাশ উঁকি দিচ্ছে। আমার এই শহর রং বদলায় , রং বদলায় আকাশ। শরৎ আসে , শরৎ যায়। এই কাল বদলের নিয়মে চেনা মুখগুলো খুব কি অচেনা হতে পারে ?
চোখ ঝাপসা হয়ে আসা কবীর সুমনের গান সামুর মানুষ গুলোর জন্য।
"অনেক দিন পর, আবার চেনা মুখ
বন্ধু কি খবর, মুহুর্ত বলুক।
মুহুর্তের টান, মুহুর্তে শরৎ
নতুন এই গান, মুসাফিরের পথ।
শরত আসে যায়, মেঘের ফাঁকে নীল
এই শহরটায় অতিথি গাঙচিল।
অতিথি ভালবাসা, হাওয়ায় তোলে সুর
আবার ফিরে আসা, আবার ভরপুর।
কেমন আছো বলো, বন্ধু কি খবর
আবার গাই চলো, অনেক দিন পর।"
কর্পোরেট ডেস্ক থেকে
২৪.১০.১৯
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



