-ভাই,আপনি কি করেন?
-এইতো ভাই, হাটি...
-হুম, তা তো বুঝলাম... আর কিছু করেন না?
-হুহ করি...
-কি করেন?
-অনেক কিছু
-পড়াশুনা করেন না?
-হুম করি...
-কোথায় করেন?
-টেবিলে ভাই, মাঝে মাঝে বেডে
-ধুরবাই, কই পড়েন? মানে ভার্সিটি কলেজ নাকি স্কুলে?
-ওহ.. ভার্সিটি তে
-বাহ, এইত লাইনে আইছেন... কোন ভার্সিটি?
-ঢাকা ভার্সিটি...
ছেলেগুলা কয়েক পা পিছাল
তখন ঠিক আজিমপুর মোড়ে, পলাশীর দিকে হাটছি
ওরা চারজন টোকাই মতন ছেলে...আমি একা একজন পথিক
আমার হাতে ওয়াল্টন প্রিমো G4...ওদের কারো কারো হাতে সম্ভবত চাইনিজ চাক্কু
ক্যাম্পাসের ছেলে শুনেই ভরকে গেছে
হাসলাম এবং বললাম,
-তোমাদের আজকের ইনকাম কত?
-কি কন ভাই? কিসের ইনকাম?
-জিগাইছি কয়জনের পেটে চাক্কু দিতে পারছিস?
অন্ধকারে মুখ চাওয়াচাওয়ি হল। ফোন এগিয়ে দিলাম...
-নে বাবারা ফোন নে
তারা নিলোনা, দৌড় দিতে চাইল। হুংকার ছাড়লাম,
-এক পা এগুলে পকেট থেকে পিস্তল বাইর করুম
ওরা স্তব্ধ। চারপাশে নির্জন নিরবতা।
একজন মিনমিন করে বলল,
-ভাই, সরি ভাই। ক্যাম্পাসের ছেলে জানলে পিছু লইতাম না
আবার হাসলাম। অট্টহাসি। একজনের কাধে হাত দিয়ে বললাম,
-চল, তোদের চা খাওয়ামু...
আরেক দফা মুখ চাওয়াচাওয়ি।
পলাশীর রশীদ মিয়ার চায়ের কাঁপে ধোয়া উঠছে...
চায়ে চুমুক দিল ওরা।
ভাবছি ওদের ডিনারপার্টি দিলে মন্দ হয় না...
"হুহ, এইটা একটা ফ্যান্টাসি স্টোরি। চারটা পোলা সত্যিই পিছু নিছিল। দৌড়ায়া বাঁচছি। ঘটনাটা হিমুর সাথে ঘটলে যা হইত তাই বর্ণনা করছি"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



