
রাস্তায় বের হয়েছিলাম বলে এখনো পিঠে ও পাছায় কালচে দাগ ।
লজ্জায় কাউকে দেখাতে পারিনি
সেদিনও পেটে ক্ষুধা ছিল, তাই রিক্সার প্যাডেলে চাপ দিয়ে
এগিয়ে গেছি তিন রাস্তার মোড় ।
এখন সুমনও জানে, তার মালিক বড্ড হিসেবি মানুষ
লকডাউনের পর কতজন কর্মচারী ছাঁটাই করতে হবে
তার তালিকাটাও ইতোমধ্যে করে ফেলেছে সে
ভিক্ষুকের পা দু'টো তবু হেঁটে চলে ফাকা রাস্তায়
ফেরিওয়ালা মাছ নিয়ে ঘোরে বাড়ি বাড়ি,
কিছু ভন্ড মানবসেবি ফটোসেশন করেই যায়
দুটি কলা, একটা সাবান, একটা মাস্ক আর
আধা কেজি চাল দেখিয়ে, মেকি দয়ায়
তারপরও মহামারি থেমে থাকেনা
পয়ত্রিশ থেকে একচল্লিশ, একচল্লিশ থেকে চুয়ান্ন,
চুয়ান্ন থেকে এক'শ বারো ।
বাড়তি লাশগুলো হয়ে যায় শুধু করোনা উপসর্গ,
কেউ তাকে ধরেনা, ছুঁয়ে দ্যাখেনা; পড়ে থাকে
হাসপাতালে, বারান্দায়, বাড়ির বাহিরে, রাস্তায়
এসব দেখেও যে ছেলে এখনো রাস্তায় ঘোরে
ফুক ফুক করে সিগরেট টানে, ধোঁয়া ছাড়ে
চায়ের দোকান গরম করে কিছু বলদায়
আমি জানি, এরাও একদিন তালাবদ্ধ হবে
নিজের ঘরে, একদম স্বেচ্ছায় ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




