আমাদের শিক্ষকদের দেখে এখন আর বুঝার
উপায়ই নেই যে-তারা শিক্ষক। ১০বছর আগে যেমন
ছিল শিক্ষকদের লেবাস। আজ ১০বছর পর লেবাস
ঠিকই আছে। অন্তঃকরনে এসেছে বিপুল তফাত।
তারা এখন শিক্ষার্থীদের শেখানোর জন্য পড়ান
না। তারা পড়ান যাতে চাকরি ঠিক থাকে।
.
.
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে-প্রতিটা
স্কুল কলেজে কমপক্ষে ৪৫/৬০মিনিটের ক্লাস
থাকে। এই সময়ে একটা লেসন কম্পলিট করে
দেয়া অভিজ্ঞ শিক্ষকের জন্য কিছুই না। এটা তারা
১সপ্তাহে করে। তাও অসম্পূর্ণভাবে। উদ্দেশ-
শিক্ষার্থীররা না বুঝলে স্যারের বাসায় পড়বে। স্যার
আঙুল ফুলে কলাগাছ।
ক্লাসে যাবেন ১৫ মিনিট লেটে আর শেষ
করবেন ১০ মিনিট আগেই। এই হচ্ছে চাকরী। ৫টা
মিনিট বেশিও দেয়া যায় নাহ! চাকরী তো!
সরকার এই চাকরীজীবিদের চাকরীটাও যাতে
ভালভাবে পালন করে সেই ব্যবস্থাটা অন্তত
করলেও হয়তো অনেক আধপেটা শিশু শিক্ষার
প্রকৃত আলো পাবে।
হে সরকার! আমাদের এই চাকুরীজীবীদের
থেকে রক্ষে দিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



