somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সৌরভ (জ্যাকরেবিট)
যদিও তোমরা রুদ্ধ করে দিতে চাও আমার বলার কিংবা লেখার অধিকার,nযদিও তোমরা অনুপ্রাণিত করো মিথ্যের প্রচার ও প্রসারে,nযদিও তোমরা সম্ভোগের কথা বলো,nআমি বলি, চিৎকার করে বলি;nসত্য এবং শুধুমাত্র সত্যই তোমাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট আঘাত!

কিছু ভাবনা-চিন্তা এবং এ সংক্রান্ত

২৭ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা যখনই সেন্ট্রালাইজড করে কিছু ভাবি তখনই আমরা এতে এতোই বিভোর হয়ে যাই যে আশেপাশের সবকিছুর বলয় থেকে বেরিয়ে (এখানে ছিটকে পড়া বলাটা বোধহয় ঠিক হবে) সেই বিষয় নিয়েই ভাবতে থাকি এবং এর নেগেটিভিটি নিয়ে কখনোই চিন্তা করি না। কিন্তু দিনশেষে সবকিছু পজেটিভ হবে এটা ভাবারও কোনো কারণ নেই। আমাদের জীবনে পজেটিভ থিংস নেগেটিভ থিংস পাশাপাশি এক্সিস্ট করে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো কেন্দ্রীভূত হয়ে ভাবার কারণে পারিপার্শ্বিক বাকী সবকিছু আমরা বাদ দিয়ে দেই, অনেকটা নিজের অজান্তেই।
কিন্তু একটা সময় ঘোর ভাঙ্গে, আমাদের কেন্দ্রীভূত ভাবনা আমরা যেভাবে ভেবেছিলাম সেভাবে বাস্তবায়িত হয় না। আর তখনই আমরা ফ্রাস্টেইটেড হয়ে পড়ি এবং যেকোনভাবেই আগের অবস্থানে ফিরে যেতে চাই। কারণ যেকোন ভাবনা থেকেই আশার সঞ্চার হয়, এবং আশা একটা ভয়ংকর ব্যাপার, এটা মানুষকে কখনো কখনো উন্মাদেও পরিণত করতে পারে।
ডিসেন্ট্রালাইজেশনের দরকারটা এখানেই। আমাদের আবেগ, অনুভূতি, ভালোলাগার কাজ, প্যাশন এসব একমূখী করে ফেলা উচিত নয়। তাহলে আমাদের ক্ষেত্রটা ছোট হয়ে পড়ে, ভাবনা চিন্তাও একই কক্ষপথেই ঘুরতে থাকে। তখন আমরা আমাদের ব্রেইন কে ড্রাইভ করতেও পারি না। হ্যা, এটা ঠিক যে যেকোনো স্ট্রং ফিলিং আমাদের আমাদের বিচারিক ক্ষমতা কমিয়ে দেয় কিন্তু চুড়ান্ত কোনোকিছুর জন্য মনস্তাত্ত্বিক প্রিপারেশনের দরকারটা সবচেয়ে বেশী এবং আমরা তখনই প্রিপেয়ার্ড হতে পারি যখন আমরা সার্টেইন কিছু নিয়ে না ভেবে অনেক অনেক বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকি। এতে করে যেটা হয় সেটা হচ্ছে, আমাদের শিফট করতে সুবিধে হয়। আমাদের ব্রেইন কে আমরা এক চিন্তা থেকে অন্য চিন্তায় ডাইভার্ট করতে পারি। নলেজ গেদার করা, ইমেইজ করা এসব মূলত চিন্তা থেকেই জেনারেটেড হয়ে আসে। তাই চিন্তার গুরুত্ব অপরিসীম।
তাই ভাবুন, চিন্তা করুন, প্রশ্ন করুন,
জানার চেষ্টা করুন তবে শুধু এক বিষয়েই নয়;
অনেক বিষয়ে।
কাজ করুন ডিফারেন্ট ফিল্ড নিয়ে।
শুভকামনা।।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×