somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

সম্পর্ক

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাল হঠাৎ ফেসবুকে একজনের ছবি চলে আসল। তার প্রোফাইলে গিয়ে দেখলাম তিনি অনেক জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব ফেসবুকে। তিনি আমার পরিচিত । এবং আমিও তাকে বেশ ভালো বলেই জানতাম।
কিন্তু একজন মানুষকে কাছে থেকে জানা আর বন্ধুর মতন মিশে জানার মধ্যে অনেক পার্থক্য। যারা উনাকে প্রচণ্ড ভালো মনে করে উনার লেখাগুলোকে দারুণ ভাবে সাপোর্ট করে তারা জানেই না ব্যক্তিগত জীবনে তিনি কতটা নীচু মনের মানুষ। এবং এই কদর্য স্বভাবের খবর জেনে আমি আকাশ থেকে পরিনি শুধু অনেকটা পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু কথাগুলো তার কাছের একজন মানুষ বলছিলেন। যার সাথে তার প্রতিদিনের জীবন যাপন। এবং সে জীবন যাপন কেমন লোক দেখানো একটা অবস্থায় এসে থেমে আছে যেখানে ভালোবাসার কোন মূল্য নেই। শুধু সামাজিকতা। স্নেহভাজন মানুষ দুটোর জীবন এমন খাপ ছাড়া হয়ে চলছে জেনে মন অনেক খারাপ হয়ে গেছিল।
যার ছবির নিচে লেখা আছে হাসিতে মু্ক্তো ঝরে। সে হাসি আলো হয়ে আলোকিত করে না নিজ পরিবারকে।
এমন অনেকের গল্প এ জীবনে জেনেছি। লোক দেখানো ভন্ডামির কারণটা বুঝি না।
ঠিক তার পরেই একটি খবর আসল সুন্দর একটি ছেলের। হাত ধরাধরি করে দুজন সুন্দর মানুষের দাম্পত্য জীবনের ছবি। যা দেখতে খুব সুন্দর। কিন্তু বিস্তারিত পড়ে জানলাম তিনি একজন ডাক্তার ছিলেন। আত্মহত্যা করেছেন। স্ত্রীর পরকীয়া সহ্য করতে না পেরে এবং স্ত্রীকে ফিরাতে না পেরে।
উনি হয় তো আত্মহত্যা না করে অন্য ভাবে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারতেন। কিন্তু কতটা অসহায় হয়ে গেলে একজন মানুষ আত্মহত্যা করে! হয় তো আর কোন পথ ছিল না। দেয়ালে পিঠ ঠেকেছিল। আমাদের সমাজে নিজে বাঁচার আগে অন্যে কি বলল এই বিষয়টা মানুষ সবার আগে দেখে। কেউ নিজের জন্য বাঁচে না। সমাজ এবং মানুষের কথার জন্য বাঁচে।
হয় তো সব কিছু সামাল দিবার মতন শক্তিমান ছেলেটি ছিল না।
সমাজ ভীষণ ভাবে বদলে গেছে। নারীরা এখন স্বাধীন হচ্ছে এবং এই স্বাধীনতা মানে, তারা যথেচ্ছা যৌন আচরণ করছে, অনেকের সাথে খোলামেলা মিশছে। বিয়ের পরও অন্য সম্পর্ক বজায় রাখছে। আসলে নৈতিকতা বলে কিছু নেই।
স্বাধীনতার মানে যে শুধু অনেক পুরুষের সাথে মেলামেশা নয় এই বিষয়টা তারা জানে না। নিজের পায়ে চলার মতন শক্তি তারা অর্জন করে না স্বাধীনতার নামে। কিন্তু অনেক পুরুষের সাথে সম্পর্ক করে তাদের থেকে নানা রকম আর্থিক সুযোগ গ্রহণ করা এদের মূল স্বাধীনতার মন্ত্র।
অনেক নারীবাদী নারীরা যেমন বিবাহিত পুরুষদের গলায়ও ঝুলে পরেন এই লক্ষে। অনেক মেয়েরাও এই বিষয়টিকে মূলধন করে অনেক বন্ধু, প্রেমিক গড়ে তুলে। নারী স্বাধীনতার মূল অর্থ বিকৃত হয়ে পরছে এ কারণে।
একদিকে সমাজে যখন হিজাব বোরখার প্রসার ঘটছে অন্য দিকে অনেক প্রেমিক বা বিবাহিত হয়েও অন্য সম্পর্ক রাখাা একটা মহামারীর মতন ছড়িয়ে পরেছে।
অভিভাবক কন্ট্রোল করতে পারে না এই সব মেয়েদের এবং ছেলেদের। অনেকে একা থাকে স্বামী বিদেশ থাকার কারণে। অনেকে চাকরি বা পড়ালেখার কারনে একা থাকে। খুব কনর্জাভেটিব পরিবার থেকে আসা এই সব মেয়েরা কুয়ার ব্যাঙ সাগরে পরার মতন অবস্থা হয়ে যায়। বাঁধা দেয়ার কেউ থাকে না নিজেদের দায়িত্ব নিজেরা সবটা নিতে পারে না নৈতিকতা বজায় রেখে। তাই অবাধে ভেসে যায় অনেক ক্ষেত্রে।
পুরুষদের দোষ আছে স্ত্রীদের একা রেখে দেয়ার। তাদের প্রয়োজন মতন অর্থ দিতে না পারা। আর সবচেয়ে বড় বিষয়টি একটি মানুষের সাথে জীবন যাপন করতে এসে কখনো তারা প্রকৃত মানুষটির মনের খবর রাখে না। বিয়ে করে নিজের সুখে মশগুল হয়ে ভুলে থাকে পাশের মানুষটির নিজস্ব চাহিদা আছে। সেটা কি রকম হবে তা নিয়ে কোন ভাবনা তারা করে না। পুরুষরা নিজেদের শারীরিক উত্তেজনা শেষ হলেই খুশি কিন্তু অনেক স্বামী জানওে না তাদের স্ত্রীর চাহিদা সম্পর্কে।
নারীদের নানারকম অসুস্থতা শুরু হয় বিয়ের পরে। সাধারনত এটা নানা রকম মানসিক অশান্তি থেকে শুরু হয়।
এত যুগ মেয়েদের উপর নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে বেশ ভালোই চলে গেছে।
বর্তমানের চলে ফেরে ঘুরে, পড়ে, বেড়ানো মেয়েটিকে তারা আদীকালের দাদী, মায়ের মতন পেতে চায়। বিয়ে করলেই সব বাধ্যবাধকতায় চলবে এই ধারনা তাদের।
এর মধ্যে কিছু মেয়ে অতি উশৃঙ্খল। তাদের জীবনে যৌনতাই মূখ্য বিষয়। এবং সেটা পাওয়া যায় বন্ধু বানালেই সাথে উপরি পাওনাও থাকে বেড়াতে যাওয়া, খাওয়া, উপহার যা স্বামী বা প্রেমিক সরবরাহ করতে পারে না চাহিদা মোতাবেক। তাই দুজনের মতের মিল হয় না। এমন সংসারে অশান্তির চূড়ান্ত বিষয়ের মাঝে ডেকে আনা হয় অবুঝ কিছু শিশুকে। অনেকের ধারনা বাচ্চা হয়ে গেলে মাতৃত্বের জন্য সব মেনে নিবে।সংসার হবে সুখের। কিন্তু অনেক মেয়ে নিজের বালিকা স্বভাব থেকে বেড়িয়ে আসেনি তাকে বাচ্চা পালনের দায়িত্ব দিলে সে নিবে কেন। এসব মনস্তাত্বিক বিষয় গুলো আলোচনার একদম বাইরে থাকে পরিবারে সব সময়।
আমাদের দেশে লোক লজ্জা, সমাজের ভয়, পাছে লোকে কিছু বলে এমন সব কিছু মানা হয়। কিন্তু পাশের মানুষের মন কি বলে এই বিষয়টির খবর নেয়া হয় না।
যে মেয়েটি এখনো বিয়ের জন্য প্রস্তুত নয়, অভিভাবক দায় সেরে নেয়ার জন্য সে মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে দেন তার ইচ্ছার খবর না করে। শুরু হয় অশান্তি নানা ভাবে।
খুব কড়া শাসনে রাখা মেয়েটিকে বাবা মা কখনো কিছু গাইডেন্স দেন না ভালোবেসে কথা বলে। অনেক বাস্তব বিষয়ে কথা বলা আমাদের দেশে অশ্লিলতার সামীল। অথচ সে কথা বলা হতে পারে রক্ষা কবজ ,এই বিষয় না ভেবে অভিবাবক লজ্জায় মিয়ে থাকেন। নির্দেশ শুধু মেয়েদের দিতে হবে তা নয় ছেলেদেরও সমান ভাবে সচেতন করতে হবে সম্পর্কের বিষয়ে।
সন্তানকে শুধু প্রকৃতির নিয়মে বড় হতে দেন আর বিয়ে দিয়ে দেন। কিন্তু তাদের বাস্তবতার কথা বলেন না।
প্রায় দশ বছর আগে একজন বলেছিল আপা বিয়ের জন্য একটা পাত্রী দেখে দেন না বিদেশ থেকে। আমি ধমকেছিলাম। বিদেশি পাত্রী বিয়ে করে তার ঘাড়ে চড়ে বিদেশ আসতে চাও। সে জানিয়েছিল দেশি মেয়েদের আর বিশ্বাস নেই ওরা কার সাথে শোয় নিজেও জানে না। তাও বকেছিলাম একটা মেয়ে অন্য কারো সাথে শুয়েছে তাতে অসুবিধা কিন্তু একটা ছেলে যে অন্য মেয়ের সাথে শোয় তাতে অসুবিধা হচ্ছে না কেন।
বিদেশে যদি সম্পর্ক হয় সে সম্পর্কটা তারা পিউয়র রাখে যত দিন নিজেদের বোঝা পরা থাকে সে বিয়ে হোক বা প্রেম হোক। চিট করলে কেউ কাউকে মেনে নেয় না। সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। চিটারদের কেউ পছন্দ করে না।
অথচ আমাদের দেশে যুগের পর যুগ ধরে নারীরা চিটারদের সাথে সংসার করেছে মুখ বুজে। এখন উল্টো ভাবে কিছু নারী চিট করছে পুরুষদের।
তখন খুব অবাক হয়েছিলাম ছেলেটির কথা শুনে। কিন্তু পরিবর্তন অনেক হয়েছে সমাজে যা দেখে শুনেও এখনও চোখ বন্ধ, মুখ বন্ধ করে থাকেন অনেকে, ভাবেন সব ঠিক ঠাক আছে আগের মতনই। আগেই যে ঠিক ছিল সব তা কি ভাবে বলি। আগে হয় তো এতো বেশি পরিবারে এমন ঘটনা ঘটত না বা শোনা যেত না। মেয়েরা মুখ বুজে অনেক বেশি মেনে চলেছে এখন তেমন মানছে না বলে ঘটনাগুলো এখন ঘটছে।
সবচেয়ে ভালো হয় যদি সম্পর্কের মধ্যে কোন আড়াল না থাকে। এবং একজন অন্যজনকে বুঝে সংসার করতে চায়। এবং সন্তানদের সাথে খোলাখুলি ভাবে সব বিষয়ে আলোচনা করা প্রতিটি বাবা মায়ের কর্তব্য।
অনেকে আছেন নিজেদের সাধ্যে নেই কিন্তু সন্তানদের নিজের অপারগতার কথা বলেন না। মুখ বুজে ধার দেনা করে সন্তানের চাহিদা পুরন করতে থাকেন। পাশের বাড়ির বন্ধুটির যে বিশাল দামী খেলনা আছে যা কিনে দেওয়ার সামর্থ অভিবাবকের নেই তা তারা মুখ ফুটে বলেন না সন্তানদের। বুঝতে দেন না বাস্তব অবস্থা।
সন্তানকে রাখেন একটা রূপকথার কল্পনা রাজ্যে। এই সব স্পয়েলড চাইল কখনো কনো রকমের বিষয় বুঝতে চায় না। তারা যা ইচ্ছে তাই চায় যে কোন কিছুর বিনিময়ে। অথচ সন্তানের সাথে বাস্তব জীবন নিয়ে আলোচনা করলে একা থাকা ছেলে বা মেয়েটিও গোপনে কোন কিছু করতে পারবে না। পারিবারিক বন্ধনে সম্পৃক্ত থাকার কারণে।
সন্তান ধারনের আগেই দুজনের মধ্যে অনেক বিষয় আলাপ আলোচনা করে নেয়া দরকার। অনেক দম্পতি সন্তান চান না কিন্তু পরিবারের অন্যদের চাপে নিতে বাধ্য হন। এই সব স্থুল মানসিকতা বাদ দিয়ে নিজে কতটা সমর্থ এবং ইচ্ছুক সে বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝে নিন। বিয়ে করার আগে। এবং যাকে বিয়ে করছেন তার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন বুঝুন তাকে মানুষ হিসাবে। সংসার টিকানোর জন্য সন্তান নয় । ভালোবেসে একটি মানুষকে সংসারে আনুন যার সব দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
যদি আপনি আপনার আর সব প্রেমিক প্রেমিকাদের ছাড়তে না পারেন বা অন্য বাড়ির মানুষদের আপন ভাবার মতন যোগ্যতা আপনার মধ্যে না থাকে তবে বিয়ের মতন সম্পর্কে জড়ানোর আগে ভালো করে ভাবুন।
যে দুটে দম্পতির কথা উপরে লিখলাম এরা প্রেম করেই বিয়ে করেছে। কিন্তু কেউ কাউকে বুঝতে পারে নাই। শিক্ষা রুচি ইচ্ছা অনিচ্ছার তফাত কতটা মানিয়ে চলা যায়। একজন পালিয়ে গেলেন আত্মহত্যা করে অন্যজন সামাজিকতা করে বাঁচিয়ে রেখেছেন সম্পর্ক, আবেগহীন রোবট জীবন যাপন করছেন।
সম্পর্ক বড় কঠিন বিষয়। তরুণ আবেগে কাউকে ভালোলেগে গেলে সেই একটা সম্পর্কই যে ধরে রাখতে হবে এর কোন যুক্তি নাই। দুটো মানুষ কখনো এক হতে পারে না। কিন্তু কিছু মূল্যবোধের বিষয় একসাথে করেই সম্পর্ক চলে। এখন আর সেই যুগ নাই যখন এক পক্ষ কেবল মেনে চলেছে অন্যের চাহিদা। এখন দু পক্ষের চাহিদাই সমান। তার মূল্যায়ন করেই সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে।
বিয়ে পর্যন্ত যাওয়ার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব বিষয়ে কথা বলে বুঝে নিন আপনার মনের মানুষের মনের চাওয়া পাওয়া কতটা মিলে আপনার সাথে। ভালোবেসে কতটা সঙ্গী হতে পারবেন একে অপরের সত্যিকারে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:২৭
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

» গাঁও গেরামের ছবি (মোবাইলগ্রাফী-৩৬)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২



ঘাসের উপর প্রজাপতির ছবি তুলতে গিয়ে, পিপড়েদের কবলে পড়েছিলাম। ঠিকমত ক্লিক দিতে পারছিলাম না তাই ঠাঁয় বসে ছিলাম হঠাৎ কুট কুট কামড় টের পেয়ে তাকিয়ে দেখি পা আমার লালে লাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

রফিক ভাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২



আমার বাসার সামনেই ফেনী ফার্মেসী।
ফার্মেসীর মালিক রফিক ভাই। রফিক ভাই আমার বন্ধুর মতোন। তবে তার বয়স আমার চেয়ে বেশী। আমি প্রায়ই ফেনী ফার্মেসীতে আড্ডা দেই। রফিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃষ্নচ্ছায়ায় স্বপ্নের অমনিবাস (অবরোহ)

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

আলোকিত আঁধার এক
ঘোর কৃষ্নচ্ছায়ায় গ্রাস করে স্বপ্নের অমনিবাস
আত্মমর্যদা বাক স্বাধীনতা
চিরন্তন মুক্তির স্বপ্ন মূখ থুবড়ে, চারিদিকে শকুনির উল্লাস!

ভেজানো পাটা’শের মতো খুলে খুলে আসে মূল্যবোধ
নীতি নৈতিকতা, পরম্পরা- হারিয়ে যায়
হাওয়াই মিঠাই স্বাদে! দুর্বৃত্তায়নের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদী অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে কারা আক্রমণ চালায়েছে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৩



গত শনিবার (সেপ্টেম্বর, ১৪) সৌদী আরবের আবকিক অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে ড্রোন-গাইডেড মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে; এতে সৌদীর দৈনিক তেল উদপাদন ক্ষমতা অর্ধেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাদ–লিবিয়া যুদ্ধ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৭



ছবি: যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে টয়োটা যুদ্ধের সময়ে একটি টয়োটা পিকআপ থেকে চাদীয় সৈন্যরা

চাদ–লিবিয়া যুদ্ধ ছিল ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে লিবীয় ও চাদীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত কয়েক দফা বিক্ষিপ্ত যুদ্ধ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×