somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

সিদ্ধান্তহীনতা

২৮ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশেষ কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশে সবাই বলতে থাকেন প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। কেন প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তাকে কেউ গিয়ে বিষেয়টি জানাবে!
প্রধানমন্ত্রীর ঘরে কি কোন টেলিভিষণ নাই, ইন্টারন্টে রেডিও পত্রিকা ঢুকে না। কোন একটি জাতীয় খবর কি দেশ বিদেশের খবর জানার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজে দেখেন না শুনেন না। প্রধানমন্ত্রীর নিজেরই তো আগ্রহ থাকবে সব বিষয়ে নিজে আপটুডেট থাকার জন্য।
প্রথম দিন থেকেই যখন দেখি কানাডার প্রধানমন্ত্রী নিজে প্রতিদিন জনগনকে ব্রিফ করেন। স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে এমন কাজ বন্ধ, ঘরে থাকা সময়ে মানুষ সবচেয়ে বেশি চিন্তিত কি ভাবে ব্যয়গুলো করবে মাস শেষ হলেই যা পরিশোধ করতে হবে। ব্যবসা বানিজ্য কি ভাবে চলবে। কর্মিদের বিদায় দেওয়া হয়েছে তাদের বাদ দেয়া হবে না কি রাখা হবে, হলে কি ভাবে বেতন দেয়া হবে ব্যবসা বন্ধ অবস্থায় যখন ইনকাম আসছে না। বাচ্চাগুলোর স্কুল বন্ধ কিভাবে তাদের সময় কাটবে। এসব বিষয়ে জনগনের ব্যক্তিগত ভাবনাগুলো নিয়ে সরকারের লোকজন ভাবছেন এবং সে সব দায়িত্বগুলো নিজেরা নিয়ে সরাসরি জনগণকে তাদের কার্যক্রর্মের বিষয়গুলো জানাচ্ছেন। সরকারের সবাই দূরে আছেন কিন্তু কেউ কাজ না করে বসে নাই। দিন রাত কাজ করছেন জরুরী অবস্থায়। যে কাজগুলো করতে মাসের পর মাস যায় সিদ্ধান্ত নিতে সেই সিদ্ধান্তগুলো তারা দিনে দিনে কয়েক ঘন্টার মধ্যে নিয়ে নিচ্ছেন।
মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছেন। নির্দেশ দিচ্ছেন। অদৃশ্য শত্রুর সাথে যুদ্ধ করার জন্য এ মূহুর্তে ঘরে থাকার আবেদন করার সাথে সাথে মানুষের ব্যবহারগুলোও পর্যবেক্ষণ করছেন। এবং তাদের অনুরোধ আদেশে পরিবর্তন হচ্ছে প্রয়োজনের জন্য।
না লাঠি নিয়ে শারীরিক শাস্তি দিয়ে কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না।
এবং নিয়ম ভাঙ্গার শাস্তিটা যে অনেক বড় রকম হবে সেটাও জানিয়ে দিচ্ছেন।
প্রতি মূহুর্তে কতটা পরিবর্তন হচ্ছে অবস্থা। কতটা প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে, সব জানতে পারছি সরাসরি হাই অথরটির মাধ্যমে এবং সঠিক নিরপেক্ষণে কাজেই আজে বাজে ফেক খবর গুলো বিশ্বাস করার দরকার হচ্ছে না।
অনেক আজেবাজে ফেক খবর যা ভিত্তিহীন জনগণকে বিভ্রান্ত করছে তারা সে বিষয়েও চোখ রাখছেন এবং বন্ধ করছেন, ফে্ খবর গুলোও।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য যখন মাঠে নেমে কাজ করার দরকার ছিল। তখন কোন আমলা মন্ত্রী সচিব কেউ নিজেদের এলাকার মানুষকে সচেতন করতে নামেননি । দু একজন ব্যাতিক্রম ছাড়া।
কিছু সচেতন এমপি আমলা যারা নিজেদের এলাকার দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের উদ্যোগে কাজ করছেন। স্বচেতন জনগণ মানুষকে স্বচেতন করছেন। কিছু স্বেচ্ছা সেবী সংস্থা নিজের দায়িত্বে খাবার এবং খাবার উপাদান এমনকি মাস্ক, সেনেটাইজার বিলি করছেন। বিভিন্ন জায়গায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করছেন জনগনের জন্য। বিদ্যানন্দ প্রতিষ্ঠান বাসগুলো মুছে দিচ্ছিল। অথচ বাস মালিকরা কেববল পকেট ভরছেন পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর না দিয়ে।
নিজেদের দায়িত্বে সরকারি ভাবে সবাই তেমন ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানুষের দায়িত্ব নেয়ার কোন কাজ বাংলাদেশে হচ্ছে না। যেখানে বাংলাদের এক বিশাল অংশ মানুষ দিন আনা দিনা খাওয়া মানুষ। সরকারের উচিত তাদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা যেন তারা কদিন ঘরে বসে আরম করতে পারে। তাদের এই নিরাপত্তার কথা গুলো বলার জন্য কেউ তাদের কাছে না গিয়ে হঠাৎ তাদের ঘরে থাকতে বলে ঘর থেকে বের হলে শাস্তি দেওয়া শুরু করেছেন।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী এমন ডেঞ্জারস একটি রোগের কাছে চিকিৎসকদের পিপিই ছাড়া যেতে বলছেন। অদ্ভুত।
চিকিৎসক যারা এই দূর্যোগ মোকাবেলা করবেন তাদের সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা নাই। ইতমধ্যে বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন ডাক্তার আক্রান্ত হয়ে গেছেন কোভিড ১৯ এ।
আমলা মন্ত্রীরা কি কোন রোগীর চিকিৎসা করতে পারবেন যদি দেশে চিকিৎসকের অভাব পরে।
সময়ে না ভাবলেও এখনো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া যখন কোন কাজ হয় না। প্রধানমন্ত্রীর নিজেই সব বিষয়ে মনেনিবেশ করতে হবে। যখন আসে পাশে আছে সব অপোগণ্ড মূর্খ লোক।



সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:১৮
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নদাই আর গদাই এর গল্প! একটি মারমা উপকথা।

লিখেছেন অগ্নি সারথি, ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৪৫

পরবর্তী উপন্যাসের জন্য মারমা সমাজ-সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক রুপকথা-উপকথা সামনে আসছে, সংগ্রহ করছি, অনুবাদ করছি। আজকে যেটা শেয়ার করবো সেটা হলো একটা মারমা রুপকথা; নদাই আর গদাইয়ের গল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

জায়গা কখনো বদলায় না

লিখেছেন জিএম হারুন -অর -রশিদ, ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:১১


ত্রিশ বছর পর আমি যখন আমার শৈশবের পুরোনো দোতালা বাড়িটির পাশে দাঁড়ালাম
-আশপাশ দিয়ে যারা যাচ্ছেন
কেউই আমাকে চিনল না,
আমিও চিনলাম না কাউকে।
শুধু আমাদের ভাড়া বাড়িটাকে অনেক বয়স্ক ও ক্লান্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

করোনা ভ্যাকসিন না ও লাগতে পারে

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৩০


করোনা ভাইরাস এর আক্রমন থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য পুরো পৃথিবী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ইফেক্টিভ ভ্যাকসিন এর জন্য। এখন পর্যন্ত্য জানামতে প্রায় ১১৫ টা ভ্যাকসিন পাইপ লাইনে আছে- প্রাথমিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমকামিতার স্বরূপ অন্বেষনঃ সমকামি এজেন্ডার গোপন ব্লু-প্রিন্ট - আলফ্রেড চার্লস কিনসে [পর্ব দুই]

লিখেছেন নীল আকাশ, ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৮

অনেকদিন পরে আবার এই সিরিজ লিখতে বসলাম। লেখার এই পর্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে থেকে এর ব্যাপক বিস্তার ঘটানো হয়েছে খুব সুপরিকল্পিতভাবে। সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও এই জঘন্য আচরণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কমলাকান্তের কৃষ্ণ কন্যা (শব্দের ব্যবহার ও বাক্য গঠন চর্চার উপর পোস্ট)

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০৭ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫৯


শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কোনও অক্ষর দিয়ে শুরু শব্দাবলি ব্যবহার করেও ছোট কাহিনী তৈরি করা যায় তার একটা উদাহরণ নীচে দেয়া হোল। এটা একই সাথে শিক্ষণীয় এবং আনন্দদায়ক।

কাঠুরিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×