somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

সুস্থ হয়ে উঠুক প্রকৃতি

০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




পান করি রবি শশী অঞ্জলি ভরিয়া--
সদা দীপ্ত রহে অক্ষয় জ্যোতি--
নিত্য পূর্ণ ধরা জীবনে কিরণে ॥

বসিয়া আছ কেন আপন-মনে,
স্বার্থনিমগন কী কারণে?
চারি দিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি,
ক্ষুদ্র দুঃখ সব তুচ্ছ মানি
প্রেম ভরিয়া লহো শূন্য জীবনে ॥
আনন্দধারা বহিছে ভুবনে,
দিনরজনী কত অমৃতরস উথলি যায় অনন্ত গগনে ॥
আমার তুমুল গান গাইতে ইচ্ছা করছে গলা ছেড়ে আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে গান গা্ইছি আমি আর ফিরে আসা হংস মিথুন সাঁতার কাটছে বরফ ভাঙ্গা পুকুরের জলে। মাছগুলো বেরুবে এবার গহীন তলে ডুবে থাকা থেকে। রঙ ছড়িয়ে হাসবে। শাপলার লতারা জাগবে ধীর লয়ে। পাখিরা আনন্দে নাচছে পাশাপাশি হাসাহাসি করে। ঘর বাঁধছে একে অপরকে ডেকে সহযোগীতায়। আবার অভিমানে মুখ ফিরিয়ে উড়ে যাচ্ছে দূরে। পাখিদের মান অভিমান ভালোবাসা দেখি মন ভরে। কাঠঠোকরাটা সারা শীতকাল ধরেই ঘুরেছে বাড়ির আসেপাশে এখন গাছের কুটোর থেকে দুটো ছানা বেরিয়ে হাঁটছে গাছজুড়ে প্রতিদিন। মা ঘুরছে নিজের মতন আর ছানা দুটি নিজেরাই খুঁজে নিচ্ছে খাবার।
প্রতি পাঁচ মিনিটে একটা প্লেন উড়ত বাড়ির উপর দিয়ে। এখন তারা উড়ছে না। সব দেশের সব প্লেন হ্যাঙ্গারের ভিতর দম ফেলছে শান্তিতে আর নিরবতা স্থির হয়ে আছে আমার সাথে পাখির কলতানে।
ম্যাগপাই রবিন ঘুরে ঘুরে এসে ছিটিয়ে দেওয়া দানা খেয়ে গেয়ে উঠছে। ছিটিয়ে দেওয়া দানা খেলে গান শুনানো যেন তার দ্বায়িত্বের মধ্যে পরে।
পাখিদের সাথে, মাছের সাথে, কীট পতঙ্গের সাথে, বনোফুল গাছের সাথে জীবন আমার। খোলা প্রান্তর আর ঘাসের বনে গড়াগড়ি খেয়ে বেশ কেটে যায়।
অনেকে ঈর্ষান্বিত হয়, অনেকে ভয় পায়। অনেকে বলে কেমনে পারি এই একা নিঝুমপুরিতে থাকা। অথচ আমি কখনো একা মনে করি না। বরং প্রকৃতির এত বৈচিত্র শীত, বসন্ত প্রীষ্ম, শরতের কাছে থেকে দেখি। বন্য প্রাণী যাদের দেখা কখনো পাওয়ার কথা না নাগরিক জীবনে তাদের সাথে ভাব করি কাছে থেকে। বুনো তিতির, সজারু, খরগোস, হরিণ, কচ্ছপ, সাপ, লুপ্ত প্রায় নানা প্রজাতির সোনালী সবুজ নীল ব্যাঙ। বিচিত্র রঙের কীট, পতঙ্গ, পাখি। সাদা প্যাঁচা। প্রহর হিসাব করে শুনি কায়োটির ডাকা। কখনো ছুটে যায় শিয়াল। আর জোনাকির আলো। অন্ধকার আকাশে অগনিত তারারা নেমে আসে আমার সাথে কথা বলবে বলে। বাতাসের কতরকম শব্দ শুনি। বৃষ্টি এবং কুয়াশার বৈচিত্র দেখি। দেখি পাতাদের উড়াউড়ি। নতুন করে জেগে উঠা যেন নতুন প্রাণ সঞ্চার করে জীবনে। আর নাগরিক জীবনের সুবিধা সে তো হাতের মুঠোর মধ্যেই থাকে। কোন কিছু থেকেই বঞ্চিত নই। বরং মাঝে মাঝে যখন বেড়িয়ে পরি চেনা রাস্তা নতুন সাজে দেখি বারে বারে। নাগরিক সুবিধার সাথে গ্রাম্য জীবনে অনেক বাড়তি পাওয়া প্রকৃতির সাথে বসবাস। জোছনার মায়ায় জড়িয়ে থাকা।

সবার জীবন যখন ভয়ানক আতংকে বদলে গেছে নাগরিক জীবনের ছোঁয়াছুঁয়ি এড়িয়ে একা থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে যখন মানুষ ব্যাস্ত আমার জীবন তখন একই রকম আছে বন বনান্তে প্রকৃতির মাঝে ঠিক আগের মতন।
কিছুদিন আগে খুব ইচ্ছে করছিল রাস্তায় বেড়িয়ে পরি। পেরিয়ে যাই হাজার হাজার মাইল, দূরে ঘুরে আসি। এই ফাঁকা যানজটহীন সময়ে সারা দেশের প্রকৃতির সাথে আবার কথা বলে আসি। পাহাড় সমুদ্র সবুজের ঢেউ মাখি।
ভাবছিলাম মনে মনে কিন্তু একটাই সমস্যা হবে কোথায় খাবার পাবো, কোথায় থাকতে পাব এ সময়ে। একে একে পার্ক এবং দেখার জায়গাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব শহরে। হোটেল মোটেল খোলা কিনা জানা নেই। অনিশ্চিত অবস্থায় কেবল রাস্তা ধরে ঘুরতে হবে।
কেনমোর, মুস্কোকা, কেপ ব্রেটন হাইল্যান্ডস ক্যাবোট ট্রেইল ধরে চলে যাওয়া সাগর আর পাহাড়ের মাঝখানের রাস্তা ধরে পেরিয়ে যাওয়া সমুদ্রের ঢেউ আর পাহাড়ি বাতাস সাথে করে দারুন এক ঐকতান সময়। অনেক অনেক সুন্দর জায়গা। পাহাড়, সবুজ, নীল জলের লীলা ভূমি। আলবাট্রার কেনমোরে গিয়েছিলাম ২০০৬ এ ক্রস কান্ট্রি ট্রাভলের সময়। কেপ ব্রেটন ধরে ঘুরে ছিলাম ২০০৭ এ ডলফিন আর তিমির খেলা সাগর জলে আর পাহড়ের মাঝে মায়া হরিণীর চলাফেরা দেখার সাথে গোটা দ্বীপ চক্কর দেওয়া হয়েছিল। পাহাড় নদী ঝর্ণার অপরূপ সমাবেশ। সবুজ নীল গাছপালার মায়া বন্যপ্রাণীর আনাগোনা খুব কাছে থেকে দেখে। আর মুস্কোকাতে কতবার গেলাম হিসাব নেই।



নিরবে পরে থাকে বেশির ভাগ সময় এসব জায়গা । এখনো বরফে ঢেকে থাকার সময় । মানুষের পদচারণার সময় নয়। এই কটেজ কান্ট্রির ঘরগুলো শীতকালে একাকী পরে থাকে। সাধারনত বসন্ত শুরু হলেও আরো দেরীতে আলো ঝলমল করে বসন্তের ফুল ফুটে। এ বছর একটু আগেই দিনগুলো উষ্ণ হয়ে উঠছে মনে হয়। আর কটেজ কান্ট্রি নামে খ্যাত এ জায়গা গুলোতে অনেকেই পালাচ্ছে এ সময়ে শহর ছেড়ে। দূরে থাকার জন্য। অথচ এতটাই ভীড় হয়েছে যে শহরের মেয়র বলছেন, "এখন আসার সময় না রোগ নিয়ে কেউ এখানে এখন এসো না। আমি সব সময় মানুষকে স্বাগতম জানাই শহরের ঢুকার মুখে দাঁড়িয়ে থেকে। এবার বলছি না, এসো না। প্রচুর ভীড় হয়ে গেছে এসব চাই না।" তা ছাড়া খাবার পাওয়ারও অসুবিধা। দোকান পাটগুলো না খুললে। যারা যাবে তাদের অনেকটা দূরে চলাচল করতে হবে খাবার খোঁজে।



বসন্তময় প্রকৃতিকে এখন নিজের মতন থাকতে দাও। অনেক পদচারণায় মাড়িও না। প্রকৃতি মনে হয় মানুষের কোলাহলে পদচারণায় অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। ভাড় বইতে পারছিল না।
এই তো গেলো বছর প্রকৃতবাদী গ্রেটা টুইনবার্গ প্রকৃতির জন্য ভীষণ ভাবে অনুভব করে, প্রকৃতির কথা বলে মানুষের কাছে পৌঁছাল সুইডেন থেকে কানাডা আসল পালতোলা নৌকায় চড়ে বাচ্চা মেয়েটা।ওর কথায় নতুন প্রজন্মের মধ্যে একটা ঢেউ উঠল। আমাদের জন্য আমাদের আগামীর জন্য পৃথিবীকে ভালো রাখতে হবে। তার কথা খুব ভালোলাগলেও। কে আর মানতে পেরেছে তার কথা। যদিও উপলব্ধি করেছে মানুষ গ্লোবাল ওয়ার্মিং, পলিউশন থামাতে হবে কিন্তু মানুষ নিজের ব্যাস্ততা নিজেদের এক মূহুর্ত অবসর দিতে পারছিল না। ইঁদুর দৌড়ের ছুটাছুটিতে সারাক্ষণ ম্যারাথনে সামিল থাকতে হচ্ছিল। একদিন অবসরে গেলে একদিনের বেতন কাটা একদিন পিছিয়ে পরা আর সবার থেকে। তাই ইচ্ছা থাকলেও মানুষ থামতে পারছিল না ছোটা থেকে। ক্লান্ত হলেও অবসর মিলছিল না।
এই তো ফেব্রুয়ারি মাসে পাইপ লাইন বানানো আর না বানানো নিয়ে আদিবাসী আর শহরবাসীর মধ্যে দুটানা চলছিল। আদিবাসী তাদের জমিতে আধুনিক তেলবাহী পাইপ তৈরির কাজ করতে দিতে নারাজ। রেললাইন আটকে বসে থাকা আদিবাসীদের জোড় করেই উঠিয়ে দেয়া হচ্ছিল আইন দিয়ে। অথচ পলিউশনের কথা ভাবলেও অনেকেই পিছিয়ে যাচ্ছিল ট্রেন চলবে না জিনিসপত্র সাপ্লাই হচ্ছে না। কলকারখানার বিশাল ক্ষতি। মানুষ বেড়াতে যেতে পারছে না, কাজে যেতে পারছে না। সবটাই অপছন্দের ছিল। সহজ জীবনটাকে জটিল করার জন্য অনেকেই রেগে উঠছিল আদিবাসীর এই জমি আটকে দেশ অচল করে দেয়ার পদ্ধতিটা। অথচ তারা উঠে যেতে না যেতেই উড়ে এসে জুড়ে বসল ভাইরাস। এবার আইন করে সব বন্ধ সরকারই করতে বাধ্য হচ্ছে। আধুনিক মানুষের কথা না শুনে, আইন না মেনে বাইরে বেরুনোকে বলা হচ্ছে এনাফ ইজ এনাফ, এবার ঘরে ঢুকো, ঘরে থাকো। কী ভাবে দাবার গুটি উল্টে গেলো।
প্রকৃতি নিজের নিরাময়ের কাজ নিজেই করে নিচ্ছে। পৃথিবীর আয়ু নাকি অনেক বেড়ে গেছে এই কদিনে। ছুটে চলা মানুষকে একটু ঘরে আটকে রেখে নিজেদের ভিতর খুনশুটি করতে দিয়ে পৃথিবী যেন আনন্দের, স্বস্থির, নিঃশ্বাস নিচ্ছে।
এই যে ঢাকা শহর ফাঁকা হয়ে গেছে পলিউশন কমে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। ভীড় নেই। এ্ই পরিবেশটা ধরে রাখার জন্য যদি এখনই ভাবা হতো। গ্রামে ফিরে যাওয়া মানুষদের গ্রামে, কাজ দেয়া হতো। মানুষ নিজের বাড়িতে থেকে চাকরি করতে পারত। রেলগাড়ির ছাদে চড়ে ফিরতে না হতো মানুষকে। গাদাগাদি ঠাসাঠাসি করে থাকতে না হতো বস্তিতে।
এই যে আশ্রয়হীন মানুষের জন্য কাজ হচ্ছে তাদের খাবার দেয়ার চিন্তা হচ্ছে এই চিন্তাটা যদি সব সময়ের জন্য বাস্তবায়িত হতো। তাদের খেটে খাওয়া জীবনের জন্য সুন্দর কাজের ব্যবস্থা পরিচ্ছন্ন জীবন স্থায়ী ভাবে করা হতো। ধরে রাখা যেত এই পরিচ্ছন্নতার নিয়মটা সবার জন্য।
মানুষ তো বেশ জীবন যাপন শিখে যাচ্ছে বুয়া ছাড়া বাড়ির সবাই মিলে কাজ করে প্রাত্যাহিক নিজের কাজ নিজে করে ফেলছে। মানুষ শিখছে পরিচ্ছন্নতা পরিবেশ সুন্দর রাখা। এবং অপ্রোয়জনীয় জিনিস না কেনার বিষয়টি। এসবই ভালো দিক এ সময়ের। পারিবারিক জীবন কাছাকাছি পাশাপাশি থাকার আনন্দটুকুও অনেক দিন মানুষ পায়নি। পৃথিবীর বড় বড় শহর গুলোতে ধনী মানুষদের পাশে অনেক গরীব রাস্তায় রাত কাটায়। এমন না তারা অশিক্ষিত বা কাজ করতে পারে না। অর্থনীতিটা এমন বেয়াড়া হয়ে গেছে অনেকে বাড়ি ঘর পরিবারের খরচ টানতে পারে না। কত পরিবার ভেঙ্গে গেছে শুধু সামাজিক দায়গুলো সঠিক ভাবে পালন করতে না পারার অর্থ না থাকার জন্য। রাস্তায় থাকা এসব মানুষদের জন্য কারো চিন্তা ছিল না। এখন সে সব মানুষদের কথাও মানুষ ভাবছে। তাদের জন্য দেশে বিদেশে সব জায়গায় সব শহরে কিছু মানুষ থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করছে। ,

ঢাকা শহর বেশ পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে কোভিড ১৯ এর কারণে। এই ভাইরাস সময় চলে যাওয়ার পরও পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাসটা রয়ে যাক মানুষের মধ্যে আশা করি। মানুষ দেশের বাড়ি চলে গেছে। এমন করে যদি বিকেন্দ্রীকরণ বড় শহরের জীবন যাপন হালকা করে নতুন ভাবে শুরু করা যায়। ঢাকা এবং বড় শহরগুলোর উপর চাপ কমবে। মানুষ যে পরিচ্ছন্নতা শিখল সেটা যদি রাখে তবে বিশাল এক পরিবর্তন হয়ে যায়।
এই ভাইরাস আমাদের মানুষের প্রকৃত রূপ দেখাচ্ছে্ অনেক মানুষ অর্থ বিত্ত না থাকার পরও মানুষকে সাহায্য করছে যতটুকু পারে। গায়ে গতরে। অনেকে নিজেকে সামলে নিয়ে বসে আছেন ।
প্রকৃতির সাথে বসবাসের জন্য আমার দিনযাপনে কোন পরিবর্তন ঘটেনি। তাই প্রাণ খুলে গাই বসিয়া আছো কেন আপনমনে স্বার্থ নিমগ্ন না হয়ে চারপাশ দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি ।
শুধুই দুঃসময় নয় বেশ কিছু ভালো কাজ শিখতে উৎসাহিত করছে আসলে এই সময়। অনেক দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠছে শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস তৈরি করে এ সময়ে। এই ধারা প্রচলিত রেখে নিজ দেশে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে স্বনির্ভর হওয়াটা খুব জরুরী।
অসুখের সময়টা কেটে গেলে সামনে যে সময়টা আসবে সেটা অনেক কঠিন হবে। তারজন্য প্রস্তুতি নেয়া এখনই জরুরী। বিদেশের মানুষের পাঠানো অর্থে অনেক পরিবার চলেন। বিদেশিরা অর্থ পাঠাতে পারবেন না অনেকটা সময়। তাদের ভাবতে হবে নিজেদের কাজ করার জন্য। শিল্প যা নিয়ে আগে ভাবা হয়নি সেরকম কিছু যদি তৈরি করা যায় তবে কেন নয় সয়ং সম্পন্ন কৃষি। মৎস্য, হাঁস মোরগ গরু ছাগল পালন। বাংলাদেশ তো এসবের উপরই স্বনির্ভর ছিল এক সময়।
এই যে জানা হলো ভালো রাখতে হবে স্বাস্থ্য। নতুন করে ফিরে আসলে উৎপাদনে আর নকল কিছু মিশাবে না মানুষ আশা করি। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য সবাই এক যোগে কাজ করবে দেশের মানুষ।
অর্থ থাকলেই বাঁচা যায় না এ বিষয়টা নিশ্চয়ই শিক্ষা হলো। আর এই দুঃসময়টাকে তাড়াতাড়ি পারি দেয়ার জন্য নিজেকে ঘরে আটকে রাখুন কিছু দিন। যত বেশি মানুষ নিয়মটা পালন করবে তত দ্রুত নিরাময় আসবে।
জাস্টিন ট্রুডো একটা সুন্দর কথা বলেছেন, আপনার গ্রাণ্ড ফাদার যুদ্ধ করেছেন দেশ স্বাধীন করতে, আপনার মা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতি নিয়ত যুদ্ধ করছেন সমাজে। এবার আপনার পালা নিজেকে ঘরে রাখুন সবাইকে বাঁচান।
আপনার যুদ্ধটা কত সহজ শুধুই কিছু দিনের জন্য ঘরে থাকা। একাত্তর সনে ঘরের ভিতর লুকিয়ে ছিলো বাংলাদেশের মানুষ তারপরও ঘরে ঢুকে মেরেছে পাকিস্থানীরা । এই ভাইরাস ঘরে ঢুকতে পারবে না যদি আপনি তাকে ঘরে না নিয়ে যান।
আপনার ঘরে থাকার সময়টা কথ সহজ রিলাক্স করুন কিছুদিন। হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট নিয়ে যোগাযোগ রাখুন পৃথিবীর সব বন্ধুদের সাথে। ক্রিয়েটিভ কিছু করুন ঘরে বসে, নিজেকে ব্যস্ত রাখতে রাস্তায়, টঙ দোকানের আড্ডায় না গিয়ে।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৬:৩৯
৮টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাদীস সংগ্রাহক

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:২৬



হাদীস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন মুসলমানদের জন্য।
যদিও দুষ্টলোকজন হাদীসের ভুল ব্যাখ্যা করে থাকেন। তাতে সমাজে বিরুপ প্রভাব ফেলে। ইসলামকে আঁকড়ে ধরতে হয় মহাগ্রন্থ আল কুরআন এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুড ওল্ড নাইন্টিজ

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৭ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪২



আমরা গল্প করছিলাম সাত্তার মিয়ার চায়ের দোকানে বসে। সাত্তার মিয়া জঘন্য চা বানায়। আমার বন্ধু সোবহানের মতে এই চা ঘোড়ার মুতের সমতূল্য। সাত্তার মিয়ার সামনেই এসব আলোচনা করা হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাহায্যও নাকি আবার বেআইনী হয়? দুনিয়ার ম্যাঁওপ্যাঁও

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৭ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



আমি কুইন্স বরোর সীমানার সাথে লাগানো, লংআইল্যান্ডের একটা এলাকায় বেশ কিছু সময় চাকুরী করেছিলাম; এক সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পথে এক সাদা রমনীকে সাহায্য করে, ধন্যবাদের বদলে হুশিয়ারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি নিয়ে আসলে রাজনীতি করেছে কারা, ছবির জন্য নামাজ পড়িয়েছে কারা

লিখেছেন গুরুভাঈ, ২৭ শে মে, ২০২০ রাত ৮:২৪



ছবি দেখুন। আমাদের যে ছবিটা দেখানোর জন্য এই নামাজের আয়োজন করা হয়েছে আমরা শুধু সেই ছবিটাই দেখেছি এবং অনেকে দ্বিদ্ধানিত আছি এই ভেবে যে হয়ত আসলেই শুকনা জায়গা ছিলোনা বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেমন কাটালাম এবারের ঈদ!

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৭ শে মে, ২০২০ রাত ৯:১৩

(পোস্টটা গতকালের লেখা)

গতকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর গত হয়ে গেল! মনের মাঝে আনন্দ বিষাদের বিচিত্র সব অনুভূতি খেলা করে চলছিল সেই সকাল থেকেই। এবারের রোযার মাসটা আল্লাহতা’লার অশেষ রহমতে খুব ভাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×