দুঃখ?
না মোটেও কোন দুঃখ হয়নি।
কি এমন হয়ে গেলো যে দুঃখ করবো?একটা তেরো বছরের ছেলেইতো মারা গেছে কিছু পশুর হাতে।
এতে এতো দুঃখ কিসের?
এর চেয়ে কতশত ভয়ংকর ঘটনা প্রতিনিয়ত হচ্ছে পৃথিবীর কোন না কোন প্রান্তে।
শুনতে শুনতে আর দেখতে দেখতে এখন আমাদের চামড়া এতটাই পুরু হয়েছে যে এ রকম ছোটখাট ঘটনাতে আগের মতো ছোখে জলও আসেনা বা মনও খারাপ হয়না।
দিন দিন আমরা সেই আদিমযুগের বর্বর জাতিতে পরিনিত হয়ে যাচ্ছি।
আমরা এখন বড় স্বার্থপর,মানুষের দুঃখে এখন আর আমরা দুঃখ পাইনা।
যেখানে গর্ভজাত বাচ্ছার হাতে মা ধর্ষিত হচ্ছে,সধ্য কবর দেয়া মা-বোনের লাশের সাথে কবর খুঁড়ে রাতের বেলা রতি-ক্রিয়া করা হচ্ছে,কবর খুঁড়ে লাশ বের করে রান্না করে খাওয়া হচ্ছে,বাবা খেলার ছল করে নিজের অবুঝ মেয়েকে দিয়ে তার কামনা মেটাচ্ছে,পরকীয়ার ফাধে পা দিয়ে মা তার নিজের বাচ্ছাদের খুন করছে,প্রেমে বাঁধা হতে পারে এই চিন্তায় মেয়ে/ছেলে তার মা-বাবাকে খুন করছে,ক্ষমতার লোভে যেখানে প্রতিনিয়ত মানুষকে গুম করে হত্যা করা হচ্ছে;সেই পৃথিবী বা সমাজে চোর সন্দেহও করে একটা তের বছরের অবুঝ বাচ্ছাকে পিঠিয়ে খুন করাকে আমি খুব বড় একটা অন্যায় হয়েছে বলে মনে করিনা।
কি করেছে ছেলেটা ?
চুরি? কি চুরি করেছে?
না হয় কিছু টাকা কিংবা কিছু খাবার অথবা কোন জিনিষ।
সেই জিনিষ বা টাকা বা খাবার টা কি এই ছেলের জীবন থেকে বেশী দামি ছিল?
আমার তা মনে হয়না?
যাইহোক দেখলাম সবাই ঐ পশুগুলোর ফাঁসির দাবী করছে।।
হাসি আসে এইসব দেখে।
এই বর্বরতার শিকার কি শুধু এই ছেলেটিই হয়েছে?
না,হয়নি এই ছেলে ছাড়াও আরও অনেক মেধাবী,ভালো ছেলেরা নির্মমভাবে হত্যা হয়েছে।
ফাঁসির দাবী তখনও হয়েছে এখনও হচ্ছে কিন্তু তা কি আদৌ কার্যকর হবে?
হলে তা কবে?
জানার প্রতীক্ষায় থাকলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৭:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




