somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

সিকান্দার + শরীফা বানু = আনভীর !

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।

প্রেম, যৌনতা বাদে মাকালফল!  এই যৌনতার ধরন নানান কিসিম এর। সেরকম একটা গল্প বলতে যাচ্ছি।

আমি তখন সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।সে সময়কার কথা বলছি।আমার নানা বাড়িতে পরিচিত এক মামা ছিল। তাদের অবস্থা ভালো বলতে গেলে খুব বড় গৃহস্থ।তাদের গ্রামে একটা নামডাক ছিল এবং আছে। তিনি তেমন কাম কাইজ করতেন না। গায়ে বাতাস লাগিয়ে চলতেন আর এ পাড়া ও পাড়ায় ঘুরে বেড়াতেন।

একদিন তার একটা স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ল।সেটা হলো, সে পাশের গ্রামের এক ভাবীর ঘরে আসা যাওয়া করতেন।সেই ভাবী আসলেই ছিল পরমাসুন্দরী।এক রাতে তিনি সেখানে অবস্থান করেন কিন্তু ভেজাল ঘটছে কে যেন বাহির থেকে শিকল দিয়ে দিছে।এখন ভোর এর দিকে দরজা খুলতে পারছেন না।এদিকে মানুষ বাহিরে জড়ো হয়ে গেছে।শেষমেশ তিনি অনেক কে রিকোয়েস্ট করে বের হন।এলাকার মানুষ পারলে মারতে যেতে চায়।ভদ্রমহিলার স্বামী বিদেশ থাকে।এ নিয়ে বহু ক্যাচাল শুরু হইল।তিনি কোনমতে প্রাণ নিয়া ফেরত আসেন।

সে সময় মানুষ ছিল পঞ্চায়েত নির্ভর বা গ্রামের শালিসি নির্ভর। তারা যা সিদ্ধান্ত দিবেন তাই যেন মেনে নেয়া হয়। সকলে করেও তাই।
থানা পুলিশ করতে যেতে চাইত না। টাকা পয়সা আবার যাতায়াতে কষ্ট। নানান চিন্তা করে আর কি!

এদিকে সেই নানার যেহেতু নামডাক ছিল। সে করল কি এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার দের গোপনে বলে দিল তোমাগোরে খুশী কইরা দিমুনে আমার ইজ্জত টা বাঁচাও!
এগুলো আমার মায়ের কাছ থেকে শুনেছি বহু পরে।

যখন ঐ মামার ব্যাপারে খুব জানতে আগ্রহী হতাম বা সে সব চেয়ারম্যান, মেম্বার দের ব্যাপারে। অথবা আমার নানা কেন তাদের গালমন্দ করতেন? তখন মা এই ঘটনা বলতেন।
যাক সেসব কথা, শালিসের দিন পুরা উঠান ভর্তি মানুষ ছিল।বিচার বসছে মেম্বার এর উঠোনে।

দুই পক্ষের কথা শুনলেন চেয়ারম্যান, মেম্বার। তারা বলল, আমরা যতদুর জানতে পারলাম, সিকান্দার ( মামার নাম )
ঐ বাসায় যাতায়াত করত শরীফা বানুর বাসায়। সিকান্দার এর বন্ধু যেহেতু শরীফা বানুর স্বামী তাহলে বন্ধুর বাসায় বন্ধু আসা যাওয়া নিষেধ তো নয়?কি কন আপনারা? সকলে কইল হ ঠিক আছে।
এখন আরেক টা কথা বাইরে থেকে শিকল দিছে কে? তখন দুইজন নারীর নাম আসল। তাদেরকে চেয়ারম্যান, মেম্বার জিজ্ঞেস করল " তোমরা নিজ চোখে কিছু দেখছ?
" তাদের সোজা উত্তর " না। " তারা আরও বলল, সিকান্দার রাইতে সে ঘরে কেন রইল? তাই আমরা বাইরে থেকে শিকল দিয়া হাতেনাতে ধরছি।

চেয়ারম্যান বলল, আন্দাজে কাজ করছ। আপত্তিকর অবস্থায় ধরতা তাইলে বুঝতাম। এক ঘরে থাকলেই কি কাম করে? এছাড়া শরীফা বানুর শাশুড়ী কিছু নাকি দেহে নাই।আরও যতদুর জানি আমরা, তোমাগো লগে শরীফা বানুর জমি জিরাইত নিয়া ভেজাল আছে তাই তোমরা শত্রুতা কইরা এই কাম করছ? কি কন আপনারা? এখন জনতা মুখ চাওয়াচায়ি শুরু করল। উলটো ঐ মহিলারা পড়ল বিপদে। তখন চেয়ারম্যান মামাকে ডেকে দুইটা চড় দিয়া কইল, অসভ্য! বাঁদর! বাপ মায়ের ইজ্জত যায় ঐ কাম কেন করবা। আর আজ থাইকা ঐ গ্রামের আশ পাশে যাইবা না। বিচার শেষ!

পরে দুই মাসের মধ্যে সেই নানা তড়িঘড়ি করে মামা কে সৌদি পাঠায় দেয়।আসলেই কিন্তু ভেজাল ছিল। শরীফা বানু গর্ভবতী হয়ে যায় গোপনে এক হাসপাতালে যেয়ে ভ্রুন হত্যা করে সে সতি হয়ে যায়।পুরা কাজ মামা তার এক পরিচিত বন্ধুর মাধ্যমে করিয়ে নেয়। শরীফা বানুর টাটানো রুপ যৌবন ছিল তাই বেশী অসুবিধা হয় নাই। তার স্বামীর বক্তব্য ছিল " মানুষ বেশ্যা নিয়া ঘর করে না! তোমগো সমস্যা কি! "

যাক ওসব পুরনো কথা। এখনকার কথা বলি, এই যে বসুন্ধরার এম, ডি কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টা কিন্তু সন্দেহজনক!কেন পাওয়া যাচ্ছে না?এদিকে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু হয়ে গেছে।পেপারে মিডিয়াতে মুনিরাকে খানকি, মাগী, বেশ্যা বানিয়ে ফেলা হয়েছে অত্যন্ত  সুকৌশলে।নাচের ভিডিও শেয়ার চলছে।

এত কিছুর ভীড়ে বিচার এর চেয়ারম্যান, মেম্বার গন গোপনে কোন বিমানে তুলে আনভীর কে বিদেশ পাঠিয়ে দেন নি তো!  বসুন্ধরার মান ইজ্জত বলে কথা!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ২:৪৩
১৭টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হঠাৎ অমাবস্যা

লিখেছেন স্থিতধী, ০৫ ই মে, ২০২১ বিকাল ৪:৪২



দৃষ্টি বিনিময় থেকে দেহ বিনিময়,
তুমি কি এই দুইয়ের মাঝেই প্রেম খোঁজো?

এটা কি তোর প্রশ্ন নাকি হেঁয়ালি?
প্রশ্ন!

তোর প্রশ্নের ভেতর কি উত্তর নেই?
আছে কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধারাবাহিক গল্পঃ পরভৃতা- ১১

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৫ ই মে, ২০২১ বিকাল ৫:২৩

পর্ব ১০




রসুল লোকটি রওনক সিকদারের বহু দিনের পুরাতন ভৃত্য। তাকে অবশ্য ভৃত্য না বলে সিকদার বাড়ির... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুখে থাকো জলমোতী ভালো থেকো শুভ্র

লিখেছেন কবিতা পড়ার প্রহর, ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৮:১৭


জলমোতী মেয়েটা জলে গড়া মুক্তোর মতই শুভ্র সুন্দর। দারুন ছটফটে। হাসিখুশি আর চোখের তারায় যেন তার কৌতুক ঝলকায় অবিরত। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি এত সুন্দর একটা মেয়ে শুভ্রের বউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ ব্লগারদের খোঁজে

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৯:৫৯



অনেক ব্লগার আছেন যারা ব্লগের পোস্ট পড়েন তারপর মন্তব্য করেন, পোস্টের বিষয়বস্তু জেনে শোনে বুঝে বিস্তারিত আলোচনার সারমর্ম নিয়ে মন্তব্য করে থাকেন। তারা নিঃসন্দেহে ব্লগের অলংকার। বিখ্যাত বন্দর নগরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্লোব বায়োটেককে কোভিড-১৯ এর টিকা তৈরিতে পদে পদে বাধা কেন? কাদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই বাধা?

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ০৬ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:১৩


যখন পুরো বিশ্ব করোনাভাইরাস মহামারীর কবলে পরে তখন অর্থাৎ শুরুর পর গত বছর ২ জুলাই ওষুধ প্রস্ততকারী গ্লোব ফার্মার সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড টিকা তৈরির কাজ শুরুর কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×