
একটা ভবঘুরে যাযাবর জাতিকে এস্টাবলিশ করতে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তিশালী রাষ্ট্র মদদ দেয়। তা আজ কত বছর হলো ৭৩ + !
এরা এত অস্ত্র নিয়ে বাহাদুরি করে অথচ এক গাজার মতন ছোট শহর দখলে নিতে পারে না। তবে এই মিত্র শক্তি একসময় পুরা আরব নিয়ে নিবে।
হাদিসে আছে মক্কা মদিনা বাদে সব তাদের দখলে চলে যাবে। অলরেডি হাতেই আছে শুধু সময় এর অপেক্ষা। ইসরায়েল খালি পুরাটা দখলে আসতে যতক্ষণ।
মুসলিমদের বড় দুর্বলতা হচ্ছে ঈমানের জোর কম।তাদের বিশ্বাস কচুপাতার পানির মতন। একটু হালকা বাতাসে নড়ে উঠে বা পড়ে যায়। তাই অন্যরা এত শক্তিশালী।
দেখেন না, বাংলাদেশ ৯৫ ভাগ মুসলিমের দেশ অথচ ইসলামের কতদূর আছে? নিজেদের খাবারে নিজেরা বিষ দেয়।সুদ, ঘুষ, হত্যা, ধর্ষণ সর্দি কাশির মতন লেগে আছে। পাঁচবার সবাই আল্লাহর কাছে মাথা নত করে! না, উঠবস করে মাথায় আসে না! সবল মারছে দুর্বল কে।ধর্ম প্রচার নামে ওয়াজ হচ্ছে কপিল শর্মা কমেডি শো! ভাবা যায়!
বর্তমান ইসরায়েল আমেরিকা, বৃটেন এর মদদ পেয়ে দুর্বল ফিলিস্তিন দের উপর তেমন অত্যাচার করছে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার আমাদের পাশের দেশ ইসরায়েলের খুব ভক্ত এবং সমর্থন করে।বাংলাদেশের জন্য এটা কতদূর সুখকর তা সময় বলে দিবে।
এখন এত বকবক করার পর প্রশ্ন করি যদি ইউরোপ, আমেরিকা খালি বলে সামান্য কিছু শর্তে ভিসা দেয়া হবে কে কে আসবেন?
ওদিকে ফিলিস্তিন বলল, আমাদের সাহায্য করেন কে কে আসবেন?
দেখবেন, দেশের বেশির ভাগ ইউরোপ, আমেরিকা যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে যাবে।এই আমাদের হলো ফিলিস্তিন পিরিতি!
তবে একসময় মুসলিম রা আবার যাযাবর হয়ে যাবে। সব সম্পদ হাত ছাড়া হয়ে যাবে। হওয়া দরকার। যাযাবর হওয়ার পর এরা আবার ইউরোপ আমেরিকায় আশ্রয় নিবে। তখন খেলা জমবে। বলছি দাঁড়ান অপেক্ষা করুন।
এই যে সৌদি এত তেল নিয়া শুয়ে বসে খাচ্ছে।কতদূর কি উন্নতি করছে জ্ঞ্যান-অর্জন বা বিজ্ঞানের জন্য।আল্লাহ তো তাদের কম দেয় নাই।পারত না বানাতে নাসার মতন একটা প্রতিষ্ঠান অথবা অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতন কিছু করতে!কি অবদান রাখছে? ইউরোপ, আমেরিকার কাছ থেকে অস্ত্র কিনে গরীব ইয়েমেন কে মারছে। মদ আর নারী নিয়ে মউজে আছে।বাংলাদেশ থেকে নারী শ্রমিক নিয়ে সকালে পিতা বিকালে ছেলে এমন জঘন্য ফুর্তি তে ব্যস্ত!
ইসরায়েল স্বাধীন হলে সবার আগে দেখবেন সৌদিরে সাইজ করবে।এখন সৌদিরে দিয়ে বাকি দের সাইজ করছে।
তো যা বলছিলাম ইউরোপের শক্তিশালী রাষ্ট্র বলতে বৃটেন, জার্মান, ফ্রান্স কে মুলত ধরা হয়।অথচ এখানে মুসলিম এর সংখ্যা কিন্তু কম না। দিন কে দিন বেড়ে চলছে। এ জন্য তারা কিছুটা ভয়েও থাকে। কখন এরা ভেতর থেকে বিদ্রোহী হয়ে উঠে।কথায় আছে না, ঘরের মানুষ বিদ্রোহী হলে সেই ঘর টিকে না।
হাদিস অনুযায়ী কিয়ামত শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সেই অনুযায়ী চলছে সব। একটা প্রি প্লান বাস্তবায়নের পথে আছে সকলে।
ধরেন, ইহুদি রা জিতে গেল আজ!তো সেখানে কি শান্তি আসবে? মোটেও না। যেখানে ধর্ম জড়িত। মুসলিম রা মরে গেলেও বায়তুল মোকাদ্দাস হাত ছাড়া হতে দিবে না।
ইহুদিরা দাজ্জাল ( এন্ট্রি ক্রাইস্ট ) আনার রাস্তা করছে আর মুসলিম রা ঠিক বুঝতে পারছে না কি করবে? এই অবুঝ মাইর খাওয়া জাতিকে রক্ষা করতে মরিয়ম পুত্র পুনরায় আসবেন।
তখন ১২০ পতাকা থাকবে ইহুদিদের পক্ষে।একটা ধর্মীয় যুদ্ধ বাঁধবে তাদের বিরুদ্ধে লড়বে মরিয়ম পুত্র আর ঈমাম মেহেদীর কালো পতাকা বহন করা মুসলিম দল।
সবশেষে মুসলিম জিতবে ইন শা আল্লাহ। তাই একটু সবুর করেন। আল্লাহ কে ডাকেন তিনি সব ঠিক করে দিবেন ইন শা আল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০২১ রাত ২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




