
ওআইসির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ৭ টি।
১। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামী সংহতি বৃদ্ধি করা।
২। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহে সদস্যরাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা সংহত করা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামসমূহে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করা।
৩। বর্ণ বৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যহত রাখা।
৪। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করা।
৫। পবিত্র স্থান সমূহের নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত এবং সুসংহত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা এবং তাদের অধিকার আদায় এবং স্বদেশ রক্ষা করার কাজে সাহায্য প্রদান।
৬। মুসলমানদের মান মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অধিকার সংরক্ষণের সকল সংগ্রামে মুসলিম জনগণকে শক্তি যোগানো।
৭। সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সহযোগীতা এবং সমঝোতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।
জানলাম তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কি!কি জন্য এরা প্রতিষ্ঠিত।তা এরা দুনিয়ার চিপাচাপায় মুসলিম যে মারা যাচ্ছে বা মাইর খাচ্ছে এতে কি অমন মহান ভুমিকা রাখছে?
রোহিঙ্গা মরে উনারা চুপ। হ তয় দেয় কিছু যাকাত ফেতরা কাপড় খেঁজুর যা দিয়া বহুত বড় কাম করে। ফিলিস্তিন মরতাছে ৭৩+ বছর ধরে।কি করতাছে?
এটাতো আজকের সমস্যা না।কাঁচা বাল পাকা হয়ে গেলো তবুও এ সমস্যা গেলো না।চিনে মুসলিম বিপদে আছে চোখে দেখে না।
এদের অবস্থা আমগো মতন জ্ঞ্যান চর্চায় তেমন কোন অবদান নাই।ঐ আলু, খিরাই, গো মাংসে আল্লাহু খোঁজা মুসলিম!
এর প্রধান দপ্তর আবার সৌদিতে। যারা নিজেরা ওয়াহাবিজম কায়েমে ব্যস্ত। পাশের দেশ ইয়েমেনে হামলা করতে সদা ব্যস্ত। খালি ইসরায়েল ফিলিস্তিন ইস্যু তে তাদের উদিত ইসলামের দন্ড হামেশা অস্তগামী তেজ নাই নিরস্ত্র!
আরেকটা ভালো কথা হামাস টিকে থাকবে ইসরায়েল ইহুদিদের হবে। হামাস তারাই বাঁচায় রাখবে যাতে ইহুদিদের সকল আকাম এর ভার হামাসের উপর থাকে।মানে লাঠি ও ভাংল না সাপ মরল। আচ্ছা এটার ইংলিশ কি? ফাক ইউ !
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০২১ রাত ১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



