
দাবানল থেকে এক বনে আগুন লেগেছে। মাইলের পর মাইল পুড়ছে। আগুনের তাণ্ডব কাছ থেকে–দূর থেকে সবাই দেখছে। থামাতে গিয়ে সকলে ব্যর্থ। তাই হাল ছেড়ে দিয়েছে সবাই।
বনের সমস্ত পশু কী করবে? কোন উপায় না পেয়ে নদীর দিকে ছুটছে। ওদিকে আগুন নেই। তাছাড়া তীব্র গরমে সকলের নাভিশ্বাস উঠে গেছে।
এমন সময় শিয়াল দেখছে, একটা কচ্ছপ ধীরে ধীরে উল্টো দিকে যাচ্ছে। শিয়ালটি তখন তাড়াতাড়ি কচ্ছপের সামনে গিয়ে হাজির। কচ্ছপকে বলতে শুরু করলো—
শিয়াল: আরে, কী করছো? কোথায় যাচ্ছো?
কচ্ছপ: কেন? কী হয়েছে?
শিয়াল: সবাই দেখো, নদীর দিকে ছুটছে। ওদিকে শান্ত জল আছে। পিপাসা মেটাতে পারবে। জীবন বাঁচবে!
কচ্ছপ: মিটিমিটি হাসে।
শিয়াল: ভ্যাবাচ্যাকা খায়!
কিছুক্ষণ পর শিয়াল শুনতে পায় নদী থেকে ভেসে আসা অন্যান্য পশুদের চিৎকার! কারণ কী?
নদীর কুমিরগুলো জানতো,পশুগুলো নদীর দিকে আসবে। যখনই নদীর গভীরে এসে পড়বে, অমনি একে একে ধরে ছিঁড়ে–বিঁড়ে খাবে!
শিয়াল আর কোন কথা বললো না।
কচ্ছপ যেদিকে যাচ্ছে, সেদিকেই যেতে লাগলো। কিছু দূর যাওয়ার পর দু’জনে এক জায়গায় থামলো। সে জায়গায় কোন ঘাস নেই, প্রাণ নেই—চারপাশ পুড়ে কয়লা–ছাই।
তারপরও শিয়াল–কচ্ছপ দু’জন একসাথে হাসে, কারণ ওরা বেঁচে আছে।
তখন কচ্ছপ বললো-
সব সময় সবাই যেদিকে যায়, সেদিকে যেতে হয় না। আর মনে রাখবা—আগুন কখনো পিছনে ফিরে আসে না!
আবার সব হবে, শুধু সময় দাও। সময়ের অপেক্ষা।
অফটপিকসঃ
বিদ্যুৎহীন খাম্বাগুলো নির্লজ্জের মতো দাঁড়িয়ে আছে! – গোলাম মাওলা রনি।
শা মা ওবায়েদের ভাষণ চলাকালে বিদ্যুৎ গায়েব! যা আমাকে আজ সবচেয়ে বেশি হাসিয়েছে—
যখনই ভিডিওটি দেখেছি, গান গেয়েছি—
মেরে দিল ইয়ে পুকারে আজা!
পাজী নজরুলের স্ত্রী এস এস সিতে ফেইল! দুঃখ করোনা বালিকা, জামাই সাবেক এম পি!
নীলফামারির ডিমলায় কাঠের সাঁকো ভেঙে দুই পায়ের কয়েকটি প্রাণী নিচে পড়ে যাওয়ার পর “মাগো” ডাক শুনে ৭১-এর কত মা–বোনের “মাগো” ডাক যে শুনতে পেয়েছি!
ভালো কথা—আমি কিন্তু সব সময় কচ্ছপের দলে!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



