যশোর-5 (মনিরামপুর) আসনে চারদলীয় জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী মনিরামপুর উপজেরা জামাতের আমির ও ঝিকরগাছার গাজীর দরগাহ ফয়জাবাদ দাখিল ও কামিল এতিমখানা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি ও নিজের দোষ ঢাকতে জোরপূর্বক অন্যকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সূত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ঐ মাদ্রাসায় গত 4 বছর আগে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার বিধবা মৌসুমী (35) তার একমাত্র সনত্দান মাহীনকে (10) ভর্তি করেন। এ সুবাদে সখ্য গড়ে ওঠে মৌসুমী ও অধ্যক্ষের মধ্যে। সখ্য অবৈধ সম্পর্কে রূপ নেওয়ায় গত 2 বছর ধরে মাও. হাবিবুর পেশায় সেবিকা মৌসুমীকে ভুয়া বিবাহ কাবিন দেখিয়ে গত 23 নভেম্বর বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পারায় অধ্যক্ষ হাবিবুর 2 লাখ টাকা উৎকোচ দিয়ে ঝিকরগাছার এক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান, তার ভাই ও কতিপয় মাসত্দানদের মাধ্যমে বিচারের নামে প্রহসন সৃষ্টি করে নিজের দোষ ঢাকতে মৌসুমীর 2 মাসের অনত্দঃসত্ত্বা হওয়ার দায়ে অভিযুক্ত করে ঐ মাদ্রাসার অবিবাহিত সুপার ওয়ালিউল্লাহকে। পরে মৌসুমীকে জোর করে তুলে নিয়ে ওয়ালিউল্লাহর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ঐদিন থেকে অধ্যক্ষ লাপাত্তা। এদিকে মৌসুমী ও সুপার ওয়ালিউল্লাহও নিখোঁজ।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষের মোবাইলে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে দেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



