
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মধুপুর গুদামপাড়া গ্রামে একটি পরিত্যাক্ত শ্মশানঘাটের মাটির ঢিবিতে হাতের মতো দেখতে এই উদ্ভিদটির জন্ম। খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে উদ্ভিদটি দেখতে এলাকার লোকজন ওই স্থানটিতে ভিড় করতে শুরু করে। আর ক্রমেই বেড়ে চলেছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। স্থানীয় হিন্দু সপ্রদায়ের লোকজন উদ্ভিদটিকে দেবতার হাত ভেবে পূজা শুরু করে দিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন
জানান, স্থানীয় দুন্দু নামে এক ব্যক্তি
সেখানকার একটি গাছ কেটে ফেলে
২/৩ বছর পূর্বে। সেই থেকে তার সন্তান
সূর্য অসুস্থ হয়ে পড়ে। সম্প্রতি দুন্দুকে
সেখানকার গ্রামঠাকুর স্বপ্নে দেখায়
যে, সেখানে দেবতার জন্য একটি ঘর
নির্মাণ করে দিতে হবে। তারই
আলোকে দেবতার হাত দেখতে পেয়ে
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন পূজা
শুরু করেছেন।
অসুস্থ সূর্য জানান, দেবতা তার সকল
রোগ সারিয়ে দিলে সেখানে
তিনি ঘর নির্মাণ করে দেবেন।
ঘটনাস্থলে হরিকৃষ্ণ নামে একজনকে
পূজা করতে দেখা যায়। লাহিড়ি
এলাকা থেকে আসা হরিকৃষ্ণকে
জিজ্ঞাসা করলে বলেন, ‘গাছের কথা
শুনে এখানে এসেছি। ভক্তি করলাম।
ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের উদ্ভিদ
বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান
মোখলেসুর রহমান সরদার বলেন, ‘অনুমান
করা হচ্ছে যে এটা বাঁশ গাছেরই অংশ।
কোনও কারণে সেটা হাতের
পাঞ্জার আকার ধারণ করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




