somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চে গুয়েভারা - বিপ্লবের বরপুত্র

০৮ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৯:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আর্নেস্তো গুয়েভারা ডেলা সেরনা। দুনিয়ার মুক্তিকামী মানুষের উজ্জ্বল স্বাক্ষরে শুধুই পরিচিত নাম ‘চে’। তিনি জন্মে ছিলেন ১৯২৪ সালের ১৪ জুন আর্জেন্টিনার রোসারিও শহরে। তার পিতার নাম আর্নেস্টো গুয়েভারা লিঞ্চ এবং মায়ের নাম সিলিয়া দ্যা লা সেরনা। চে’র বাবা ছিলেন একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে চে ছিলেন সবার বড়। বেঁচেছিলেন মাত্র ৪৩ বছর। তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবরের রাত শেষে ৯ অক্টোবরের পড়ন্ত রাতের ১ টা ৩০ মিনিটে। চে’ একটি নাম। একটি বিপ্লব। যে নামের সঙ্গে বিপ্লব শব্দটির অদ্ভুদ সম্পর্ক। যে নামটি থেকে বিপ্লব শব্দটিকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই। চে’ নামটি শুনলেই শরীরের কোষগুলো বিদ্রোহ করে উঠে। তরুণ বয়সে ডাক্তারি ছাত্র হিসেবে চে সমগ্র লাতিন আমেরিকা ভ্রমণ করেছিলেন । এই সময় এই সব অঞ্চলের সর্বব্যাপী দারিদ্র্য তাঁর মনে গভীর রেখাপাত করে । বৃহত্তর বিপ্লবে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি ১৯৬৫ সালে কিউবা ত্যাগ করেন । টাইম পত্রিকার বিংশ শতাব্দীর সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় তাঁর নাম প্রকাশিত হয় । দিনের পর দিন। মাসের পর মাস। এভাবে পার হয়ে যায় বছর। শোষিত মানুষের মুক্তির জন্য বিপ্লবের নেশায় পাগল হয়ে ওঠেন তিনি। বন্ধু চিচিনার দেয়া ১৫ ডলার ও বন্ধু আলবার্তোকে সঙ্গে নিয়ে জরাজীর্ণ মোটর সাইকেলে চড়ে আর্জেন্টিনার ক্ষুদ্র গণ্ডি পেরিয়ে ঘুরে বেড়ান ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে। উদ্দেশ্য একটাই_ বিপ্লব। প্রত্যক্ষ করেন সেখানকার বাস্তবতা।
ঘুরে বেড়ান পেরু, ভেনিজুয়েলা, পানামা, ইকুয়েডর, মেক্সিকো, কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া ও কিউবাসহ আরো অনেক দেশে। এসব দেশে তিনি বিপ্লবী তৈরী ও বিপ্লব সংগঠিত করার জন্য বিপ্লবী কর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণ দেন। ১৯৫৩ সালে তিনি গুয়েতেমালার সরকার প্রধান জ্যাকোবা আরচেঞ্জের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সে দেশে যান। জ্যাকোবা আরচেঞ্জ ছিলেন আরেক বিপ্লবী। এ সময় বিপ্লবী কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুবিধার জন্য ছদ্মনাম নেন_চে’। এই নামেই তিনি আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছেন। দেশে দেশে বিপ্লবের নেশায় এক পর্যায় চে মেক্সিকোতে চলে যান। ১৯৫৪-৫৫ সাল পর্যন্ত চে নিজেকে ও বিপ্লবকে বাচিয়ে রাখতে সব ধরনের কষ্ট সহ্য করে টিকে থেকেছেন। ১৯৫৫ সালের মধ্যভাগে চে গুয়েভারার সঙ্গে পরিচয় হয় রাউল ক্যাস্ট্রোর। পরে ১৯৫৫ সালের জুলাই মাসে মারিয়া এন্টোনিয়ার বাড়িতে চে’র সঙ্গে পরিচয় হয় কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রোর। ফিদেল তখন ফুলজেনসিও বাতিস্তার স্বৈরশাসন থেকে কিউবাকে মুক্ত করার জন্য গেরিলা বাহিনী গঠনে ব্যস্ত। তিনি চে গুয়েভারাকে কিউবার বিপ্লবে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। চে তার আহ্বানে সাড়া দেন।১৯৫৭ সালের ২২ জানুয়ারি বিপ্লবীরা সরকারি সেনাবাহিনীর একটি ইউনিটকে পরাজিত করে বিপ্লবের নবপর্যায়ের সূচনা করে। এরপর প্রতিনিয়ত যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করে। ১৯৫৮-এর আগস্ট মাসে বিপ্লবী বাহিনী চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরু করে। ১৯৫৯ সালের ১ জানুয়ারি চে গুয়েভারার নেতৃত্বাধীন বাহিনী সরকারি বাহিনীকে পরাজিত করে সান্তক্লারা শহর দখল করে। ফলে স্বৈরাচারী বাতিস্তা সরকারের পতন ঘটে। বাস্তিা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। আমেরিকা মহাদেশে প্রথম সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় কিউবায়। সব সময় অতিরিক্ত ধুমপান করতেন চে। সহকর্মীরা তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তা করতেন। শেষ পর্যন্ত একদিন তাঁদের দিকে চেয়ে আপস করলেন চে গুয়েভারা; জানালেন, ‘আগামীকাল থেকে আমি কেবল একটা করে চুরুট খাবো।’ পরদিন কথামতো একটা চুরুট নিয়েই হাজির হলেন তিনি। তবে সেই চুরুটের দৈর্ঘ্য ছিলো প্রায় ১ মিটার।
১৯৫৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি চে’ গুয়েভারাকে কিউবার নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। ১৯৫৯ সালের ২ জুন চে আলেইদা মার্চকে বিয়ে করেন। চে কিউবায় রওনা হওয়ার পরই তার প্রথম স্ত্রী হিল্দা নিজ দেশ পেরুতে ফিরে যান। হিল্দা তার কন্যা হিল্দিতাকে চে’র কাছে পাঠিয়ে দেন।
কিউবার বিপ্লবের সাফল্যের পর ৩১ বছর বয়স্ক চে গুয়েভারা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।১৯৫৯ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে তিনি মিসর, সুদান, পাকিস্তান, ভারত, বার্মা, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, জাপান, মরক্কো, যুগোþöাভিয়া প্রভৃতি দেশে সরকারি সফর করেন। ১৯৬০ সালে চে কিউবার অর্থনৈতিক প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন, চেকোþেöাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, চীন ও উত্তর কোরিয়া সফর করেন। তিনি আঙ্কটাড সম্মেলনে কিউবার প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৬৪ সালের ডিসেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চে যোগ দেন। ১১ ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণে চে বলেন, ‘আমরা চাই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলতে। আমরা আমাদের নীতি হিসেবে ঘোষণা করেছি যে শান্তির লক্ষ্যে যারা কাজ করেছেন আমরা তাদের শরিক। আমরা নিজেদের মনে করি জোট নিরপেক্ষ গোষ্ঠীভুক্ত একটি দেশ হিসেবে। যদিও আমরা মার্কসবাদী-লেনিনবাদী, কিন্তু আমাদের মতোই জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোও সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে লড়াই করছে। আমরা শান্তি চাই। আমরা আমাদের জনগণের জন্য উন্নত জীবনমান গড়ে তুলতে চাই। আর চাই যতদূর সম্ভব ইয়াঙ্কিদের পরিকল্পিত প্ররোচনার উত্তর দেয়া এড়িয়ে যেতে। কিন্তু আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসকদের মানসিকতাকে ভালভাবেই জানি। তারা চায় এই শান্তির জন্য আমরা যাতে বড় ধরনের মূল্য দিতে বাধ্য হই। কিন্তু আমরা এর উত্তরে বলতে চাই, যে কোনো মূল্য কখনও সম্মানের চৌহদ্দির বাইরে যেতে পারে না।’
১৯৫৯ সালে চে গুয়েভারা কিউবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিযুক্ত হন। ১৯৬১ সালের ২৩ মে তিনি কিউবার শিল্পমন্ত্রী নিযুক্ত হন। কিন্তু তিনি মন্ত্রী ও ব্যাংকের হিসাবে ২,৫০০ ডলার বেতন প্রত্যাখ্যান করেন। শুধু মেজর হিসেবে ২৫০ মার্কিন ডলারের সমতুল্য মাসিক বেতন গ্রহণ করেন।
১৯৬৫ সালের ১৪ মার্চ কঙ্গো, ঘানা, তানজানিয়া ও মিসর সফর শেষে কিউবায় ফেরেন চে গুয়েভারা। ১৯৬৫ সালের ১ এপ্রিল চে গুয়েভারা তার সহযোদ্ধা ও কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ট্রোকে লেখা এক চিঠিতে কিউবার শিল্পমন্ত্রীর পদ, মেজরের পদ, কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ এবং কিউবার নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। তিনি তার বিদায়ী চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘ঠিক এই মুহূর্তে আমার অনেক পুরনো কথা মনে পড়ছে, সেই যখন তোমার সঙ্গে মারিয়া এন্টোনিয়ার বাড়িতে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল। সেদিন তুমি আমাকে বিপ্লবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিলে। তখনকার সেই উত্তেজনাকর সময়ের কথা মনে পড়ছে। একদিন প্রশ্ন উঠেছিল­ মৃত্যুকে বরণ করবে কে? এ প্রশ্নের উত্তর নিজেরাই পেয়েছিলাম। বুঝতে পেরেছিলাম যে বিপ্লবে যেমন বিজয়ের আনন্দ আছে, তেমনি আছে মৃত্যুর বেদনা। বিজয় অর্জনের সুকঠিন সংগ্রামে অনেক কমরেডকে হারাতে হয়। আমি মনে করি কিউবার বিপ্লবে আমার দায়িত্ব আমি পরিপূর্ণভাবে পালন করতে পেরেছি। হে বু আমার, কমরেডগণ ও কিউবার মানুষ, বিদায়। কিউবার কোনো আইন আজ আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। কিন্তু কিউবার সঙ্গে আমার অন্যরকম এক সম্পর্ক আছে, যা কোনদিনই ছিন্ন হবে না।’ এরপর আর কোনদিন তাকে জনসম্মুখে দেখা যায়নি। তিনি তখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকা ও আফিন্সকায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত করার। সম্মান, খ্যাতি, ক্ষমতা, প্রতিপত্তি­ সব ফেলে তিনি যাত্রা করলেন বিপ্লবের সুকঠিন পথে। তার লক্ষ্য ছিল বিশটি নতুন ভিয়েতনাম সৃষ্টি করা।
১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর মাত্র ৩৯ বছর বয়সে চির বিদায় নিলেন বিপ্লবের বরপুত্র আর্নেস্তো চে গুয়েভারা। মৃত্যুর পর ক্ষতবিক্ষত চে’র দেহ ভ্যালেগ্রান্দেতে নিয়ে যাওয়া হয় হেলিকপ্টারে করে; সেখান থেকে শেভ্রোলে ট্রাকে করে দ্রুত সেন ডি মাল্টা হাসপাতালে। এখানেই তাঁর দেহ থেকে ধুয়েমুছে রক্ত পরিস্কার করা হয়। তারপর বলিভিয়ার সেনাপ্রধান জেনারেল আলফ্রেদো ওবান্দোসহ অন্য সামরিক কর্মকর্তারা নিহত চে’কে দেখতে আসেন। ডাক্তার ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাজের শেষে সাংবাদিক, কৃষক আর সাধারণ মানুষ সারা রাত লাইন দিয়ে চে’কে দেখে যায়। তাঁর জ্যাকেটবিহীন খোলা দেহ, কোমর থেকে নিচ পর্যন্ত গেরিলা প্যান্ট। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, চে তখন আশ্চর্যজনকভাবে জীবন্ত ছিলেন। চোখ দুটি শুধু খোলাই ছিলো না, অসম্ভব রকম সুন্দর লাগছিলো। দুটি ঠোঁটে লেগেছিলো বিপ্লবের হাসি। (সরবরাহকৃত ও পরিমার্জিত)
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×