somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারী কেন মডেল হয় !!!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মডেলিং পেশাটাকে আমাদের দেশে ভাল চোখে দেখা হয় না,তাই অনেক যোগ্যতা থাকা স্বত্তেও অনেকেই এ পেশায় আসতে চান না । এটা সত্য অনেক মডেলকেই উপরে উঠার জন্য ইচ্ছায় অনিচ্ছায় অনেক কুরুচিপূর্ণ কাজ করতে হয় । অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জের ধরে কেউ কেউ আবার আলোচনার প্রথম সারিতে চলে আসেন।এ কাজগুলো কেউ কেউ করেন ইচ্ছায় কেউ অনিচ্ছায় । অনেকে আবার নিজের ইচ্ছায়, যোগ্যতায় ,সততায় উঠে উপরে ।অনেকে হয়ে উঠে গুণী শিল্পী,হয়ে উঠে আইডল।সম্মান আর শ্রদ্ধা পায় দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। আমি বৈধ কোন পেশাকেই অসম্মান করি না তবে এই কিছু সংখ্যক মডেলদের জন্য পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে নোংরা বানানোর কোন মানেই হয় না ।

বেশ কয়েক বছর আগের কথা , আমি তখন হোস্টেলে থাকি, বেশিরভাগ মেয়েরা স্টুডেন্ট , আর কিছুসংখ্যক চাকরি করে ।একদিন নতুন এক মেয়ে আসল হোস্টেলে, আমার চেয়ে বছর তিনেক ছোট হবে ।পরিচয় হল নাম নীলা (ছদ্মনাম)। মা নেই বাবা ২য় বিয়ে করেছে, ওকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে তাই হোস্টেলে থাকে । পড়াশোনা ও লেভেল পরীক্ষা দিতে পারেনি।আমার আবার মায়া একটু বেশি তাই মায়া পড়ে গেল ওর উপর দিনে দিনে ভাল একটি সম্পর্কও হয়ে গেল। উল্লেখ্য মেয়েটি মডেলিং করত।মাঝেমধ্যেই শুটিং এর জন্য ঢাকার বাইরে যেত।ও যখন ফেরত আসত দেখা যেত সাথে থাকত নতুন কোন দামি ড্রেস, পার্স, জুতা। কখনো লেটেস্ট মোবাইল ,কোনদিন থাকত দামি ট্যাব । জিজ্ঞেস করলে বলত ওর জমানো টাকায় কেনা অথবা বড় ভাইয়ের দেয়া , আবার কখনো বলত বয় ফ্রেন্ডের দেয়া । আমি একটু বোকা টাইপের ছিলাম বলেই হয়ত সবার কথা বিশ্বাস করতাম।কিন্তু হোস্টেলের অন্যান্য মেয়েরা দেখতাম এইসব নিয়ে নানা কথা বলত। ওকে আমি পড়াশোনাটা আবার শুরু করতে বললাম।ওর কাছে টাকা নেই এই অজুহাত দেখাল । পড়াশোনার খরচ আমি দেব তুমি শুরু কর। তারপর ও সে রাজি হল না লেখাপড়া করতে ।দিনে দিনে আগের চেয়ে উগ্রভাবে চলাফেরা করতে লাগল। অনেক বার নোটিস দেয়ার পরে ও রাতে বাসায় আসত দেরি করে, মাঝেমধ্যে ড্রাংক হয়ে ।ওর এই অবস্থা দেখে একদিন আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম আচ্ছা তুমি মডেলিং কেন কর ? ও কোন ভনিতা না করেই বলল আপু মডেল হলে অনেক ভাল ভাল যায়গায় খাওয়া যায় , অনেক যায়গায় ঘোরা যায় তাই । আমি এতটাই আবাক হলাম ওর কথা শুনে যে আর কোন প্রশ্ন ওকে করতে ইচ্ছে করছিল না, কিছুদিন পরে শুনলাম হোস্টেলের আন্টি ওকে বের করে দিয়েছে।

পরে জানতে পারলাম কয়েকটা ছেলের সাথে ওর অবৈধ সম্পর্ক ছিল এবং প্রতারণা করেছিল কারো কারো সাথে। কিছু ছেলে এসেছিল একদিন রাতে এসেছিল ওকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য, পরে আন্টি ব্যাপারটা দেখবেন বলে ওদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বিদায় করেছিল ,এবং সে রাতেই নীলাকে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল।এবং আরো অবাক করা ঘটনা হল ওর বাবা মা দুজনেই বেঁচে আছেন এবং ওনারা মিডিয়ায় মেয়ের কাজ করাকে সমর্থন করেন না বলে সে নিজেই বাসা ছেড়ে চলে এসেছে। এ ঘটনা প্রতারিত ছেলেদের একজন বলেছিল । যার সাথে তার দু বছরের সম্পর্ক ছিল এবং নীলার বাবা মায়েরও পছন্দ ছিল ওই ছেলেটিকে। এখন নীলা একজন বি গ্রেডের নামকরা মডেল, এবং একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতার কেপ্ট ।

এ তো শুধু মডেলের কথা,মডেল ছাড়াও আমাদের সমাজে বিশেষ করে ঢাকায় মেয়েরা ভাল ভাল রেস্টুরেন্টে খাওয়া, ভাল ফ্ল্যাটে থাকা ,দামি পোশাক পরা, দামি হোটেলে থাকা, দেশে বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানো, বিলাসী জীবনযাপন করা , প্লেনে ঘোরাফেরা করা , প্রভাবশালী লোকদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখা ছাড়াও আরও ছোটখাট অপ্রয়োজনীয় উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজেকে তারা বিকিয়ে দিচ্ছে। চোখ ধাঁধানো সুন্দরী মেয়েরা কোন কর্ম না করে রাতারাতি এলিট শ্রেণীতে নাম লেখানোর জন্য হচ্ছে মডেল ও পার্টি গার্ল। নিজের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা কোনটাই এদের নেই । ব্যাপারটা যে তারা বাধ্য হয়ে করছে এমন নয় , সবাই জেনে বুঝে শুনে ই করছে। নিজেদের ব্যাক্তিগত চাহিদা মেটানোই এদের উদ্দেশ্য।এ টাইপ মেয়েরা প্রচুর মিথ্যা বলে , অভিনয়ে সেরা এবং চরম মাত্রায় ভন্ড ও হয়।(যারা বাধ্য হয়ে করছে তারা আমার লেখার বিষয় নয়। )

ভিক্ষুকেরা যেমন কাজ না করেই বড়লোক হয় তেমনি আমাদের দেশের এ সমস্ত মেয়েরা ও কাজ না করেই আরাম আয়েসে দিন যাপন করে এবং কিছুদিন পর বেশকিছু টাকার মালিকও হয় আর ঘুরে বেড়ায় নিজের অথবা পরের গাড়িতে। এরা বিয়ে করলেও আগের জীবন ছাড়তে পারে না ফলে হয় ডিভোর্স এবং পরবর্তী জীবন হয় কাটে একা নয়ত কারো রক্ষিতা হয়ে নয়ত আবার বিয়ে !!! এতে আমার কোন আপত্তি নাই, বাংলাদেশের কালচার একদিন ইউরোপের কালচারকে ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।বাঙ্গালী হিসেবে আমার গর্ব হওয়ার কথা কিন্তু সমস্যা হল যদি এ ধারাবাহিকতা চলতেই থাকে তবে একদিন হয়ত বেশিরভাগ মেয়েরাই হয়ে যাবে রক্ষিতা অথবা পার্টি গার্ল! আর ভবিষ্যতে আমার আপনার বোন বা কন্যা সন্তানেরা ও যে এ একই পথ অনুসরণ করবে না তাদের উচ্চাশা পূরণের জন্য তার কোন গ্যারান্টি কি আমরা দিতে পারব ?মডেলিং পেশাটাকে আমাদের দেশে ভাল চোখে দেখা হয় না,তাই অনেক যোগ্যতা থাকা স্বত্তেও অনেকেই এ পেশায় আসতে চান না । এটা সত্য অনেক মডেলকেই উপরে উঠার জন্য ইচ্ছায় অনিচ্ছায় অনেক কুরুচিপূর্ণ কাজ করতে হয় । অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জের ধরে কেউ কেউ আবার আলোচনার প্রথম সারিতে চলে আসেন।এ কাজগুলো কেউ কেউ করেন ইচ্ছায় কেউ অনিচ্ছায় । অনেকে আবার নিজের ইচ্ছায়, যোগ্যতায় ,সততায় উঠে উপরে ।অনেকে হয়ে উঠে গুণী শিল্পী,হয়ে উঠে আইডল।সম্মান আর শ্রদ্ধা পায় দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। আমি বৈধ কোন পেশাকেই অসম্মান করি না তবে এই কিছু সংখ্যক মডেলদের জন্য পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে নোংরা বানানোর কোন মানেই হয় না ।

বেশ কয়েক বছর আগের কথা , আমি তখন হোস্টেলে থাকি, বেশিরভাগ মেয়েরা স্টুডেন্ট , আর কিছুসংখ্যক চাকরি করে ।একদিন নতুন এক মেয়ে আসল হোস্টেলে, আমার চেয়ে বছর তিনেক ছোট হবে ।পরিচয় হল নাম নীলা (ছদ্মনাম)। মা নেই বাবা ২য় বিয়ে করেছে, ওকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে তাই হোস্টেলে থাকে । পড়াশোনা ও লেভেল পরীক্ষা দিতে পারেনি।আমার আবার মায়া একটু বেশি তাই মায়া পড়ে গেল ওর উপর দিনে দিনে ভাল একটি সম্পর্কও হয়ে গেল। উল্লেখ্য মেয়েটি মডেলিং করত।মাঝেমধ্যেই শুটিং এর জন্য ঢাকার বাইরে যেত।ও যখন ফেরত আসত দেখা যেত সাথে থাকত নতুন কোন দামি ড্রেস, পার্স, জুতা। কখনো লেটেস্ট মোবাইল ,কোনদিন থাকত দামি ট্যাব । জিজ্ঞেস করলে বলত ওর জমানো টাকায় কেনা অথবা বড় ভাইয়ের দেয়া , আবার কখনো বলত বয় ফ্রেন্ডের দেয়া । আমি একটু বোকা টাইপের ছিলাম বলেই হয়ত সবার কথা বিশ্বাস করতাম।কিন্তু হোস্টেলের অন্যান্য মেয়েরা দেখতাম এইসব নিয়ে নানা কথা বলত। ওকে আমি পড়াশোনাটা আবার শুরু করতে বললাম।ওর কাছে টাকা নেই এই অজুহাত দেখাল । পড়াশোনার খরচ আমি দেব তুমি শুরু কর। তারপর ও সে রাজি হল না লেখাপড়া করতে ।দিনে দিনে আগের চেয়ে উগ্রভাবে চলাফেরা করতে লাগল। অনেক বার নোটিস দেয়ার পরে ও রাতে বাসায় আসত দেরি করে, মাঝেমধ্যে ড্রাংক হয়ে ।ওর এই অবস্থা দেখে একদিন আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম আচ্ছা তুমি মডেলিং কেন কর ? ও কোন ভনিতা না করেই বলল আপু মডেল হলে অনেক ভাল ভাল যায়গায় খাওয়া যায় , অনেক যায়গায় ঘোরা যায় তাই । আমি এতটাই আবাক হলাম ওর কথা শুনে যে আর কোন প্রশ্ন ওকে করতে ইচ্ছে করছিল না, কিছুদিন পরে শুনলাম হোস্টেলের আন্টি ওকে বের করে দিয়েছে।

পরে জানতে পারলাম কয়েকটা ছেলের সাথে ওর অবৈধ সম্পর্ক ছিল এবং প্রতারণা করেছিল কারো কারো সাথে। কিছু ছেলে এসেছিল একদিন রাতে এসেছিল ওকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য, পরে আন্টি ব্যাপারটা দেখবেন বলে ওদেরকে বুঝিয়ে শুনিয়ে বিদায় করেছিল ,এবং সে রাতেই নীলাকে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল।এবং আরো অবাক করা ঘটনা হল ওর বাবা মা দুজনেই বেঁচে আছেন এবং ওনারা মিডিয়ায় মেয়ের কাজ করাকে সমর্থন করেন না বলে সে নিজেই বাসা ছেড়ে চলে এসেছে। এ ঘটনা প্রতারিত ছেলেদের একজন বলেছিল । যার সাথে তার দু বছরের সম্পর্ক ছিল এবং নীলার বাবা মায়েরও পছন্দ ছিল ওই ছেলেটিকে। এখন নীলা একজন বি গ্রেডের নামকরা মডেল, এবং একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতার কেপ্ট ।

এ তো শুধু মডেলের কথা,মডেল ছাড়াও আমাদের সমাজে বিশেষ করে ঢাকায় মেয়েরা ভাল ভাল রেস্টুরেন্টে খাওয়া, ভাল ফ্ল্যাটে থাকা ,দামি পোশাক পরা, দামি হোটেলে থাকা, দেশে বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানো, বিলাসী জীবনযাপন করা , প্লেনে ঘোরাফেরা করা , প্রভাবশালী লোকদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখা ছাড়াও আরও ছোটখাট অপ্রয়োজনীয় উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজেকে তারা বিকিয়ে দিচ্ছে। চোখ ধাঁধানো সুন্দরী মেয়েরা কোন কর্ম না করে রাতারাতি এলিট শ্রেণীতে নাম লেখানোর জন্য হচ্ছে মডেল ও পার্টি গার্ল। নিজের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা কোনটাই এদের নেই । ব্যাপারটা যে তারা বাধ্য হয়ে করছে এমন নয় , সবাই জেনে বুঝে শুনে ই করছে। নিজেদের ব্যাক্তিগত চাহিদা মেটানোই এদের উদ্দেশ্য।এ টাইপ মেয়েরা প্রচুর মিথ্যা বলে , অভিনয়ে সেরা এবং চরম মাত্রায় ভন্ড ও হয়।(যারা বাধ্য হয়ে করছে তারা আমার লেখার বিষয় নয়। )

ভিক্ষুকেরা যেমন কাজ না করেই বড়লোক হয় তেমনি আমাদের দেশের এ সমস্ত মেয়েরা ও কাজ না করেই আরাম আয়েসে দিন যাপন করে এবং কিছুদিন পর বেশকিছু টাকার মালিকও হয় আর ঘুরে বেড়ায় নিজের অথবা পরের গাড়িতে। এরা বিয়ে করলেও আগের জীবন ছাড়তে পারে না ফলে হয় ডিভোর্স এবং পরবর্তী জীবন হয় কাটে একা নয়ত কারো রক্ষিতা হয়ে নয়ত আবার বিয়ে !!! এতে আমার কোন আপত্তি নাই, বাংলাদেশের কালচার একদিন ইউরোপের কালচারকে ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।বাঙ্গালী হিসেবে আমার গর্ব হওয়ার কথা কিন্তু সমস্যা হল যদি এ ধারাবাহিকতা চলতেই থাকে তবে একদিন হয়ত বেশিরভাগ মেয়েরাই হয়ে যাবে রক্ষিতা অথবা পার্টি গার্ল! আর ভবিষ্যতে আমার আপনার বোন বা কন্যা সন্তানেরা ও যে এ একই পথ অনুসরণ করবে না তাদের উচ্চাশা পূরণের জন্য তার কোন গ্যারান্টি কি আমরা দিতে পারব ?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৬
৮টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

ফ্যাসিস্ট আমলে পুলিশকে দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল- এ অভিযোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার অংশ।
জুলাইয়ের পর- সেই পুলিশ কি সত্যিই বদলেছে, নাকি শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×