somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চিনে নিন স্বার্থপর মেয়েদের কে !!!

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শৈশব পেরনোর আগেই আমাদেরকে পরিবার থেকে শিক্ষা দেয়া হয় যে , তুমি মেয়ে ,তুমি বড় হচ্ছো।এখন থেকে ছেলেদের সাথে খেলাধুলা , গল্প করা, মেলামেশা বন্ধ করতে হবে। ওরা ভাল না , সুযোগ পেলে ওরা তোমার ক্ষতি করবে ... ব্লা ব্লা ব্লা ...
ছেলেরা খারাপ এ কথাটা শুধু সব মেয়েরাই জানে এমন না অনেক ছেলেরাও তাই বলে । আমার এ দীর্ঘ জীবনে আমি অনেক ছেলেদের এবং মেয়েদের সাথে মিশেছি । ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি ভন্ড এবং ভয়ংকর হয়। যারা প্রেম করছেন বা নতুন করে প্রেম করবেন বলে ভাবছেন তাদেরকে আজকে মেয়েদের ব্যাপারে কিছু গোপন তথ্য দিয়ে রাখি।

যে মেয়ে আপনাকে সারাক্ষন জানু , বেবি , কলিজা বলে কথা শুরু করবে এবং সামান্য ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া করে আপনাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করবে, রাস্তার ফকির বলে সম্বোধন করতে ও দ্বিধা করবে না এমন মেয়েদেরকে নিয়ে লং টাইম লাইফ লিড করার কথা ভুলেও ভাববেন না । কারণ আপনার সন্তান যখন দেখবে তার মা আপনাকে সম্মান দিয়ে কথা বলছে না তখন আপনার সন্তান ও আপনাকে সম্মান করবে না আর শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কথা না হয় বাদ ই দিলাম।

কিছু কিছু মেয়ে আপনাকে বলবে তুমি ই আমার সব ... তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না , কিন্তু আমার ফ্যামিলি যদি তোমাকে মেনে না নেয় তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না। তখন অবশ্যই বুঝে নিবেন সে আপনাকে ঝুলিয়ে রেখছে এর চেয়ে বেটার কিছু হলে সে মুহূর্তেই পলটি দিবে । কারণ কথায় বলে ভার্সিটির মেয়েরা প্রেম করে ক্লাসমেটের সাথে আর বিয়ে করে প্রফেসর কে ।

আপনার অতি ভালবাসার প্রেমিকা যদি আপনাকে প্রায়ই বলে আমাদের ফ্ল্যাটটাকে আমি নিজ হাতে সাজাব , আর আমারা দুজন নিজেদের মত করে থাকব। বেশি মানুষজন থাকলে প্রাইভেসি থাকে না ... তুমি কিন্তু অমত করো না । তার মানে বিয়ের আগেই সে আপনাকে আপনার বাবা মা থেকে আলাদা করার চিন্তা করছে । এবার আপনি চিন্তা করুন আপনি কি চান।

আপনার প্রেমের জীবনে অনেক দিবস থাকবে এবং সব দিবসে যদি আপনাকে মনে রাখেত হয় , গিফট দিতে হয় খাওয়াইতে হয় তাহলে সে আপনাকে নয় মনে রাখবেন আপনার গিফটের প্রতি তার আসক্তি বেশি। এই যেমন প্রথম ডাব খাওয়া দিবস, প্রথম শাড়ি পরা দিবস, প্রথম চুল ছাড়া দিবস ইত্যাদি ইত্যাদি... দিবসে আপনি হয়ত ব্যস্ততায় আপনার প্রেমিকাকে প্রথম শরবত খাওয়া দিনের কথা ভুলে গেছেন, এইটা নিয়াও সে ত্যানা প্যাঁচানো শুরু করবে। তুমি এইটা ভুলে গেলা ক্যান , আমাকে কোন গিফট দিলা ক্যান, খাওয়াইলা না ক্যান , ঘুরতে গেলা না ক্যান ... এই টাইপের ক্যান ক্যান মেয়েদের সাথে সম্পর্ক রেখে চিন্তা করেন নিজের গিবনটা শেষ করবেন ক্যান !!

আপানার প্রমিকাকে আপনি যতই ভালবাসেন না কেন যদি মাঝরাতে আপনার ফোন বিজি পায় আর আপনি যদি বলেন আপনার বন্ধুর সাথে কথা বলছিলেন তাহলে সে আপনার রাতের ঘুম হারাম করে দিবে। ভাবটা এমন প্রেম করার আগে মনে হয় ওয়াদা করেছিলেন যতদিন বেঁচে থাকবেন রাতে আর কারো সাথে কথা বলবেন না ।
সে কিছুতেই বুঝতে চাইবে না আপনার ও একটা ব্যাক্তিগত জীবন আছে... যে আপনাকে আপনার স্বাধীনতা দিবে না ভেবে দেখুন আজীবন তার কাছে পরাধীন হয়ে থাকতে চান কিনা ?

কিছু কিছু মেয়েদের স্বভাব হল যে কোন সম্পর্কে সন্দেহ করা। আপনার কোন কাজিনের বা বন্ধুর সাথে আপনার ভাল সম্পর্ক আছে , সে এইটা নিয়া ও সে সন্দেহ করা শুরু করবে ... আবার আপনি যদি আপনার প্রমিকার কোন বন্ধু বা কাজিন নিয়া কিছু বলেন তাহলে সে আপনাকে বলবে ছিঃ তোমার মন এত ছোট ও আমার ভাইয়ের মত আর তুমি কিনা ওকে নিয়া আমাকে সন্দেহ কর ?
আসলে কোন সম্পর্কেই সন্দেহ থাকতে নেই । আর যে আপনার সম্পর্কে সন্দেহ করে সে তো সম্পর্কের মানে ই বোঝে না ।

যে মেয়ে আপনার সামর্থ্যর চেয়ে বেশি কিছু চাইবে তাকে কখনোই আপনি খুশি করতে পারবেন না । মনে রাখবেন লোভী মানুষ ভালবাসতে পারে না। যে আপনাকে ভালবাসবে সে আপনার আর্থিক দিকটাও বিবেচনায় রাখবে ।

মেয়েদের সবচেয়ে বড় শক্তি হল চোখের পানি । যখন সে কিছুতেই আপনার সাথে পারবে না তখন ই সে কান্না শুরু করে দিবে। আর তখন ই আপনার বরফের মত কঠিন মন গলতে শুরু করবে ।আর আপনি তখন যে কোন অন্যায় ই অনায়েসে করতে পারবেন প্রেমিকার মন রক্ষা করার জন্য। জেনে রাখা ভাল যে আপানার ভাল চায় সে কখনোই তার ভালবাসার মানুষের বিপক্ষে জিদ করে না । আবেগ দিয়ে নয় বাস্তবতায় বিচার করতে শিখুন ।


আপনার যদি হবি হয় খেলাধুলা তবে সে আপনার ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে । ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করায় মেয়েরা ওস্তাদ । হাজারো অভিযোগ থাকবে তার । কমন কিছু ডায়লগ হল - খেলা ই তোমার সব...আমাকে তুমি একটু ও ভালবাস না...আমাকে সময় দাও না ... আপনাকে যে সত্যি ভালবাসবে সে আপনাকে ঘরে বন্দি করতে নয় চাইবে আপনি আপনার লক্ষ্যে ঠিক রাখুন । যে কিনা আপনার পছন্দকে মূল্যায়ন করবে না সে আপনাকে কতটুকু ভালবাসে সেটা বোঝার দায়িত্ব আপনার ই ।

সব মেয়েই এক নয় ... সবাইকে একভাবে বিচার করবেন না ...
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২০
৪০টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”

বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×