somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোটা পৃথিবীকে এবার চমকে দিতে চলেছে সুইৎজারল্যান্ড

৩০ শে মে, ২০১৬ সকাল ১১:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এই ভাবনার শুরু ১৯৪৭ সালে। কিন্তু, সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। ১৭ বছর ধরে ১২ বিলিয়ন ডলার খরচা করে অবশেষে সেই ভাবনা আজ দিনের আলো দেখেছে। যার জন্য আজ বিশ্বকে গর্বিত করার সুযোগ দিতে চলেছে সুইৎজারল্যান্ড। কী সেই ভাবনা? আল্পসের বুক চিরে ৫৭ কিমি বা ৩৫ মাইল রেলওয়ে সুড়ঙ্গ। যা বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ। সুইৎজারল্যান্ডের রাজধানী জুরিখ এবং ইতালির অন্যতম প্রাচীন শহর মিলানকে একসুতোয় জুড়ে দেবে এই রেলপথ।

আল্পসের বুক চিরে এই রেলপথ বানানোর স্বপ্ন এতটাই কঠিন এবং ব্যায়বহুল ছিল যে, তা বাস্তবায়িত করতে বারবার হোঁচট খেতে হয়েছে সুইৎজারল্যান্ড সরকারকে।১৯৪৭ সালে এই রেলপথের ভাবনা ছবিতে এঁকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন সুইস ইঞ্জিনিয়ার কার্ল এডুয়ার্ড গার্নার। এর জন্য এমন এক রেল সুড়ঙ্গের কথা তিনি এঁকেছিলেন যা বিশ্বের দীর্ঘতম হবে।

কিন্তু, সুইৎজারল্যান্ড সরকারের মনে হয়েছিল গার্নারের এই ভাবনা শুধু অবাস্তবই নয়, পাগলামো। কিন্তু গত শতকের ৮০-র দশকের শেষ থেকে এই নিয়ে সুইৎজারল্যান্ডে উদ্যোগ শুরু হয়। ১৯৯২ সালে এর জন্য গণভোট হয়। কিন্তু, তাতে প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়। ১৯৯৮-এ ফের গণভোট নেওয়া হলে প্রকল্পে অনুমোদন দেন সুইসরা।
২০০০ সালে কাজ শুরু হওয়ার পর ২৪০০ জন কর্মী ২৮ মিলিয়ন টন পাথর কেটে আল্পসের ভিতর দিয়ে এই রেল সুড়ঙ্গ তৈরি করেন।এর ফলে, মাত্র ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে জুরিখ থেকে মিলানে পৌঁছে যাওয়া যাবে। ২০২০ সালের মধ্যে এই রেলপথে রোজ অন্তত ২০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করবেন বলে দাবি করছেন সুইস রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবারই খুলে দেওয়া হচ্ছে এই রেলপথ। যার মেগা উদ্বোধনে হাজির থাকছেন জার্মানির চ্যান্সেলর থেকে ইটালির প্রধানমন্ত্রী— ইউরোপের হুজ-হু’রা।



(বিদেশী পত্রিকা হতে সংগৃহীত )
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৬ সকাল ১১:৫৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজব পোশাক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬


এক দেশে ছিল একজন রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিপাহী-সামন্ত লোকলস্করে রাজপুরী গমগম। রাজার ধন-দৌলতের শেষ নেই। রাজা ছিল সৌখিন আর খামখেয়ালি। খুব জাঁকজমক পোশাক-পরিচ্ছদ পরা তার শখ। নিত্যনতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×