somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ুদ্র ঋণের নতুন নীতিমালা সুদের হার সবোর্চ্চ ২৭ শতাংশ

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের
ুদ্র ঋণের সুদের হার ও সার্ভিস চার্জ নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। নয়া নীতিমালা প্রণয়ণ করেছে ুদ্র ঋন দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যবেক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটারী অথরিটি। নতুন নীতিমালায় ুদ্র ঋণের সুদের হার সবোর্চ্চ ২৭ শতাংশ। এছাড়া ক্রমান্বয়ে সুদের হার কমিয়ে আনার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সুদহার কমালে ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ প্রনোদনা দেয়া হবে।
সুদের হার ও তহবিল ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। গতকাল মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটারী অথরিটি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে। এখন থেকে নতুন নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। তবে, আগামি বছরের ৩০ জুনের আগে এসকল নির্দেশনা পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়ণ করা বাধ্যতামূলক।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ি, ঋণ নেয়ার সময় ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ঋণের আবেদন পত্র, গ্রাহক ভর্তি ফি, পাস বই ইস্যূ ইত্যাদি বাবদ সর্বোচ্চ ১৫ টাকার বেশি ফি আদায় করা যাবেনা। এছাড়া ুদ্রঋণকে জামানত বিহীন বলে নীতিমালায় উল্লেখ্য করে বলা হয়, এ ঋণ নেয়ার সময় কোন ধরনের জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা করার প্রয়োজন নেই। তবে, ুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প এ্যাক্ট অনুযায়ি ৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা নেয়া যেতে পারে।
ঋণগ্রহীতার নেয়ার দিন থেকে কমপক্ষে ১৫ দিন পরে প্রথম কিস্তি নিতে পারবে। ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণগ্রহীতার ব্যবসা বা কাজের ধরন অনুযায়ি এরচেয়ে দীর্ঘতর বিরতিকাল নির্ধারণ করতে পারবে।
নিয়ম অনুযায়ি এক বছর সময়ের মেয়াদে দেয়া সাধারণ ঋণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কিস্তি সংখ্যা হবে ৫০ সপ্তাহ। তবে, কিস্তি দেয়ার কোন ধরনের সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কিস্তি দেয়ার জমা দেয়ার সময় বকেয়া কিস্তিসহ একসঙ্গে দুই কিস্তি জমা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নিষিদ্ধ করা হয়েছে ঋণগ্রহিতা ঋণ নেয়ার সময় ঋণের অর্থ থেকে বাধ্যতামূলক সঞ্চয় বা বীমা অথবা অন্য কোন ধরনের অর্থ কেটে রাখা বা আদায় করা।
তবে, সপ্তাহ ভিত্তিক বাধ্যতামূলক সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ঋণগ্রহিতাকে ন্যূনতম ৬ শতাংশ সুদ দিতে হবে। ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আমানাতের বিপরীতে সুদের হার পূর্বে ঘোষনা করতে হবে এবং কোনভাবেই ঘোষিত সুদের হারের চেয়ে কম সুদ গ্রাহককে দিতে পারবে না।
নতুন নীতিমালায় ুদ্রঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ নেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়। তবে, এসুদের হার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়। সুদের হার ঋণগ্রহিতাদের ক্রমহ্রাসমান স্থিতির ভিত্তিতে হিসাব করতে হবে। এধরনের হিসাবের হার সকলকে জানানোর উদ্দেশ্যে আগে থেকেই ঘোষনা করতে হবে।
ুদ্রঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদের হার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে যেসকল প্রতিষ্ঠান দক্ষতার প্রমান রাখবে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ প্রনোদনা সুবিধা প্রদান করবে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটারী অথরিটি।
ুদ্রঋণ প্রদানকরী প্রতিষ্ঠানগুলোর ুদ্রঋণের সুদের হার ও মোট তহবিল ব্যয় বিবেচনা করে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। তা হল- ‘ক’ ক্যাটাগরি-ুদ্রঋণ প্রদানকারী যে সব প্রতিষ্ঠানের সুদের হার তাদের তহবিল ব্যয়ের অপেক্ষা সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি। ‘খ’ ক্যাটাগরি- ুদ্রঋণ প্রদানকারী যে সব প্রতিষ্ঠানের সুদের হার তাদের তহবিল ব্যয়ের অপেক্ষা ১০ শতাংশের উর্ধ্বে তবে, সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ। ‘গ’ ক্যাটাগরি- ুদ্রঋণ প্রদানকারী যে সব প্রতিষ্ঠানের সুদের হার তাদের তহবিল ব্যয়ের অপেক্ষা ১৫ শতাংশের বেশি। ###


সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পিটিভির আর্কাইভে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দেখা

লিখেছেন অর্ক, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫



‘খুব ভালো জঙ্গ চলছে। একের পর এক নাপাক হিন্দু সেনা হালাক (মৃত্যু) হচ্ছে। রাজাকার আলবদরদের নিয়ে পাকিস্তানের বীর সেনা যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দুয়েক দিনের মধ্যেই হিন্দুস্থান হাঁটু গেড়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপরোধের আগে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



একটা ক্ষণ,
ক্ষীণ, তবুও অবয়,
আমাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে সবুজ অটবীর আলেখ্যে,
তুমি এলে,
সেই পুরোনো মায়া হয়ে।

কতকাল পরে সম্মুক্ষে দু জোড়া চোখ?
সে প্রশ্নের প্লাবনে আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি আধুনিক যুগের জন্য প্রস্তুত।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৩

২০০৯ সাল থেকে সম্ভবত সকল সরকারি কর্মচারীদের ব্যাংকে বেতন হয়। এবং এই বেতন দেওয়ার পক্রিয়া ১০০% কম্পিউটার বেইস। সরকারি কর্মচারীদের বেতন সিজিএ অফিস হ্যান্ডেল করে। আর সম্ভবত আইবিবিএএস+ সার্ভার বেতন... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫৫ বছরে কেন আরেকটা রিফাইনারি হলো না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৪


রাশিয়া থেকে তেল আনতে হলে আমেরিকার অনুমতি লাগবে। এই একটা বাক্য পড়লে অনেকে ভাববেন এটা কোনো রাজনৈতিক ভাষণের অংশ, কিংবা অতিরঞ্জন। কিন্তু এটা ২০২৬ সালের বাস্তবতা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩



আপনারা কেমন আছেন?
আমি কেমন আছি, বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে কোনো অলৌকিক কিছু যেন জেনে ফেলেছি। না জানলেই বুঝি ভালো হতো। দুনিয়াতে যে যত কম জানে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×