somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু ভালো বইয়ের তালিকা

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের জীবন একটাই এবং সময় খুব অল্প ! অথচ অসংখ্য ভালো লেখক আর তাদের অগনিত ভালো ভালো রচনা আছে পড়ার জন্য যা এক জীবনে পড়ে শেষ করা যাবেনা।
অতএব, সেখান থেকেই বেছে বেছে পড়া শুরু করুণ।
নীচে কিছু ভালো বইয়ের তালিকা দিলাম, যেহেতু বই মেলার আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি, সম্ভব হলে এগুলি কিনে পড়ে দেখতে পারেন...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – শেষের কবিতা, গোরা, চোখের বালি, যোগাযোগ,
সৈয়দ মুজতবা আলী- শবনম, দেশ বিদেশে
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দত্তা, চরিত্রহীন, দেবদাস, শ্রীকান্ত,
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় – আরণ্যক, অপুর সংসার, পথের পাঁচালী, চাঁদের পাহাড়
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – পদ্মানদীর মাঝি, পুতুল নাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, অহিংসা
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় – কবি, হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, নাগিনী কন্যার কাহিনী, আরোগ্য নিকেতন
কাজী নজরুল ইসলাম – মৃত্যুক্ষুধা
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় – প্রথম আলো, সেই সময়, পূর্ব-পশ্চিম
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় – দূরবীন, পারাপার, মানবজমিন
অদ্বৈত মল্লবর্মণ – তিতাস একটি নদীর নাম
কাজী আনোয়ার হোসেন- ধ্বংস পাহাড়
হুমায়ুন আজাদ – পাক সার জমিন সাদ বাদ, ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল, সব কিছু ভেঙে পড়ে, শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ, ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ
সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ – লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো, চাঁদের অমাবশ্যা
আশাপূর্ণা দেবী – সুবর্ণলতা, প্রথম প্রতিশ্রুতি
শওকত ওসমান – ক্রীতদাসের হাসি, জলাঙ্গী
আহমদ ছফা – একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন, অলাতচক্র, পুষ্প-বৃক্ষ-বিহঙ্গপুরাণ, ওঙ্কার, অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
সমরেশ বসু – প্রজাপতি, গঙ্গা, মোক্তার দাদুর কেতু বধ
মীর মশাররফ হোসেন – বিষাদসিন্ধু
হুমায়ূন আহমেদ – কবি, অচিনপুর, নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারাগার, জোৎস্না ও জননীর গল্প
প্যারিচাঁদ মিত্র – আলালের ঘরের দুলাল
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – বিষবৃক্ষ, দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা
বেগম রোকেয়া – মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন
জীবনানন্দ দাশ – কারুবাসনা, মাল্যবান
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী – বেনের মেয়ে
সমরেশ মজুমদার – অগ্নিরথ, গর্ভধারিণী, সাতকাহন, উত্তরাধিকার
সৈয়দ সামসুল হক- খেলারাম খেলে যা
কমলকুমার মজুমদার – অন্তর্জলী যাত্রা, সুহাসিনীর পমেটম, নিম অন্নপূর্ণা
বুদ্ধদেব বসু – রাত ভর বৃষ্টি, তিথিডোর
কাজী ইমদাদুল হক – আবদুল্লাহ
মহাশ্বেতা দেবী – হাজার চুরাশির মা
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় – উপনিবেশ
সতীনাথ ভাদুড়ী – ঢোঁড়াই চরিত মানস
প্রমথনাথ বিশী – কেরী সাহেবের মুন্সী
বিমল মিত্র – কড়ি দিয়ে কেনা, সাহেব বিবি গোলাম
যাযাবার – দৃষ্টিপাত
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় – লুলু, কংকাবতী, ডমরু-চরিত
মৈত্রেয়ী দেবী – ন হন্যতে
অমিয়ভূষণ মজুমদার – মধু সাধুখাঁ, মহিষকুড়ার উপকথা
লীলা মজুমদার – মেঘের সাড়ি ধরতে নারি, নোটর দল
আবু ইসহাক – সূর্যদীঘল বাড়ি
রশীদ করীম – মায়ের কাছে যাচ্ছি
শংকর – বিত্তবাসনা, চৌরঙ্গী, নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি
শিবরাম চক্রবর্তী – ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা
ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় – শাপ মোচন
বনফুল – মৃগয়া
সুবোধ ঘোষ – শতকিয়া
জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী – মীরার দুপুর
শামসুদ্দীন আবুল কালাম – কাশবনের কন্যা
শহীদুল্লা কায়সার – সংশপ্তক
জহির রায়হান – শেষ বিকালের মেয়ে, বরফ গলা নদী, আরেক ফাল্গুন, হাজার বছর ধরে
গজেন্দ্রকুমার মিত্র – পৌষ ফাগুনের পালা, কলকাতার কাছেই
সৈয়দ শামসুল হক – খেলারাম খেলে যা, নিষিদ্ধ লোবান
আনোয়ার পাশা – রাইফেল রোটি আওরাত
দেবেশ রায় – তিস্তাপুরাণ, তিস্তাপারের বৃত্তান্ত
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় – কুবেরের বিষয় আশয়, দারাশিকো
সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় – কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি
সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ – অলীক মানুষ
শওকত আলী – প্রদোষে প্রাকৃতজন
হাসান আজিজুল হক – আগুনপাখি
আলাউদ্দীন আল আজাদ – তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস – খোয়াবনামা, চিলেকোঠার সেপাই
প্রেমাঙ্কুর আতর্থী – মহাস্থবির জাতক
মাহমুদুল হক – কালোবরফ, মাটির জাহাজ, খেলাঘর, অনুর পাঠশালা
মিহির সেনগুপ্ত – বিষাদবৃক্ষ
আবুল বাশার – ফুলবউ
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়- ব্যোমকেশ বক্সী
সত্যজিৎ রায়- ফেলুদা
হাসনাত আবদুল হাই – নভেরা
রিজিয়া রহমান – রক্তের অক্ষর, বং থেকে বাংলা
সেলিনা হোসেন – কাঠকয়লার ছবি, গায়ত্রী সন্ধ্যা, লারা, নীল ময়ূরের যৌবন, হাঙর নদী গ্রেনেড
অভিজিৎ সেন – রহুচণ্ডালের হাড়
সেলিম আল দীন – চাকা
শেখ আব্দুল হাকিম – অপরিণত পাপ
বুদ্ধদেব গুহ – হলুদ বসন্ত
বিমল কর – অসময়, এক অভিনেতার মৃত্যু
মুহম্মদ জাফর ইকবাল – প্রেত
নবারুণ ভট্টাচার্য – হার্বাট
চানক্য সেন – পুত্র পিতাকে
মলয় রায়চৌধুরী – নামগন্ধ
বাসুদেব – খেলাঘর
সুবিমল মিশ্র – ওয়ানপাইস ফাদার মাদার অথবা শতাব্দির শেষ ইউলিসিস
রবিশংকর বল – দোজখনামা
আলোক সরকার – জ্বালানী কাঠ জ্বলো
স্বপ্নময় চক্রবর্তী – চতুষ্পাঠী
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় – নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে, অলৌকিক জলযান
তিলোত্তমা মজুমদার – রাজপাঠ, বসুধার জন্য
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও ব্রাত্য রাইসু – যোগাযোগের গভীর সমস্যা নিয়ে কয়েকজন একা একা
সুচিত্রা ভট্টাচার্য – কাছের মানুষ
সেলিম মোরশেদ – সাপ লুডু খেলা
নাসরীন জাহান – উড়ুক্কু
শ্যামল ভট্টাচার্য – প্রজাপতির দুর্গ
শাহরিয়ার কবির – একাত্তরের যীশু
দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় – বিবাহবার্ষিকী
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×