একটা গল্প বলি
একটা মানুষ
কয়েকটা শ্বাপদ
প্রচন্ড ক্রোধ আর আক্রোশ;
আরেকটা মানুষ,
অস্থির,আতংকিত,উদভ্রান্ত।
আর
মুক বধির জনারণ্য।
এরপর
শুধু রক্ত,তাজা রক্ত।
জানো?
ছোটবেলায় জেনেছিলাম রক্তের রং লাল।
অথচ আজ এই অদ্ভুত বড়বেলা আমাকে শেখায়,
রক্ত শুধু লালই হয় না,
সাদা,কালো,নীল,গোলাপী,
ধনাত্মক,ঋণাত্মক,
উত্তর,দক্ষিণ-আরো হাজার রংএর রক্ত আছে;
একজীবনে তুমি সব রং গুণেও শেষ করতে পারবে না।
শুনে আরো অবাক হবে,
সব রক্তের দর এক না।
একেক হাট-বাজারে এসব রক্ত আবার একেক দরে বিকোয়...
কী?
রক্তের গল্প ভাল লাগছে না?
ও আচ্ছা,
তুমি তো আবার নরম স্বভাবের;
রক্তের কথায়,রক্তের ঘ্রাণে,
তোমার মাথা ঝিমঝিম করে,
তোমার বমি বমি পায়!
থাক,বাদ দাও।
তোমাকে বরং অন্য গল্প বলি।
একটা ফুলের গল্প।
একটা ভুল জন্মের ফুল
যে কিনা সুবাস ছড়াতে শেখেনি,
সে বরং পাখি হয়ে যেত,ছোট্ট দোয়েল পাখি;
অথবা একটা সবুজ ঘাসফড়িং,
কিংবা ঘুলঘুলিভরা ঝলমলে রোদ।
কিন্তু জীবন প্রচন্ড বিভ্রান্তিকর।
ভুল জন্মের ফুল
কী করে টের পেয়ে যায়
পাখি,ফড়িং,রোদ-
এসবের কোনটাই না,
এ এক সরীসৃপের জন্ম;
যে কিনা বুকের উপর ঘষটে চলে
আর
সময়ে সময়ে
দেয়ালের ঘড়িটাকে নকল করে।
অথবা...
কে জানে!
হয়তো তাও না...
ভুল জন্মের ফুলের চারিপাশে
শুধু বিভ্রান্তি আর বিভ্রান্তি,
এত বিভ্রান্তির মাঝে বেঁচে থাকা
কী প্রচন্ড ক্লান্তিকর!
সময় পেলে
একটুখানি বিভ্রান্ত হয়ে দেখো,
তুমিও ঠিক বুঝে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৫ সকাল ১১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



