somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Love এর লাভ-ক্ষতি

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ওর এক ফ্রেন্ডের (যে কিনা এক কালে আমার ক্লাসমেট ছিলো) কথা বললো।ছেলেটা নাকি আগে অনেক ফেসবুকে থাকতো কিন্তু এখন আর তেমন থাকে না!কারণটাও খুব মজার ছেলেটার এখন রিলেসন হইছে সো ফেসবুকে ঢুকতেও এখন বিধি-নিষেধ চলে এসেছে।যে ছেলে মেয়েরা বাপ মার কথা শুনে কখনো ফেসবুক ছাড়ে নি তারা বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড এর কথা শুনে ঠিকই ফেসবুক ছেড়ে দেয়!বলতেই হয় ভালোবাসার অনেক ক্ষমতা।
আমার ২-৩ টা ফ্রেন্ডের ফেসবুক পাসওয়ার্ড আবার ওদের গার্লফ্রেন্ডরাও জানতো ,মাঝে মাঝে নাকি ওদের প্রোফাইলেও ওদের গার্লফ্রেন্ডরা ঢুকত।ভালো কথা,আমি বলছি না ওরা সন্দেহ করে এই কাজ করতো কিন্তু সমস্যা হলো চ্যাটে আমরা ফ্রেন্ডরা যেসব কথাবার্তা বলি আমার দৃঢ় বিশ্বাস এইগুলা কোন মেয়ে শুনলে নির্ঘাত হার্ট অ্যাটাক করবে।তাই একটু ভয় লাগতেছে কোনদিন না আবার মার্ডার কেসে পড়ে যাই।
সন্দেহর কথা যখন আসছে তখন আরেকটা মজার ঘটনা মনে পড়ে গেল।একবার আমার এক ফ্রেন্ড তার এক ফ্রেন্ডকে বললো মামা তোর গার্লফ্রেন্ডকে দেখলাম আরেকটা ছেলের সাথে খুব ঘনিষ্ট অবস্থায়।সাথে সাথে আমরা দেখলাম ওই ছেলে তার গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে অপমান করলো।তো যাওয়ার সময় আমার ফ্রেন্ডটা আমাকে বললো দোস্ত তোকে একটা কথা বলি কাউকে বলিস না।যে মেয়েটাকে দেখছিলাম সেই মেয়ে আর এই মেয়ে এক কিনা আমার কনফিউশন লাগতেছে।আমার এটা শুনে মজাই লাগছে।আমি বলছি না ছেলেটা ভুল বুঝে সন্দেহ করে ওর গার্লফ্রেন্ডকে অপমান করছে, হয়তো এটাই ভালোবাসা যেটা আমি বুঝি না।
আমার এক ফ্রেন্ড খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছিলো সবসময় হাসিখুশি, কিন্তু বেচারা এখন খুব শান্ত স্বভাবের হয়ে গেছে প্রেমে পড়ে।প্রেমে পড়ে না টেনশনে পড়ে তা কিন্তু আমি জানি না।আমার কাজিন একটা আছে ৩ বছরের মারাত্মক চঞ্চল, ভাবতেছি ওইটাকেও একটা প্রেম করাই দিবো,শান্ত হয়ে যাবে।
এখন আসি ব্রেক আপের বিষয়ে।আমার এক ফ্রেন্ডের ব্রেক আপ হইছে সুন্দর একটা কারণে।ওর গার্লফ্রেন্ডের দাবি ওর ফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ড ওর ফ্রেন্ডকে যে পরিমাণ সময় দেয় তা নাকি আমার ফ্রেন্ড তার গার্লফ্রেন্ডকে দিতে পারে না।শুনে হাসি পাইছিলো অনেক।মেডিক্যাল,ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়া পাবলিকের কাছে সময় চায় যাদের কাছে সময় হলো সোনার হরিণ।
আমার আরেক ক্লাসমেটের ব্রেক আপ হইছে কারণ ওর গার্লফ্রেন্ড ২ বছর পর বুঝতে পারছে যে তাদের মাঝে আন্ডারস্ট্যান্ডিং নাই,২ জন ২ রকমের ইত্যাদি ইত্যাদি।তো আমার প্রশ্ন হলো এটা বুঝতে ২ বছর লাগলো?আর বুঝলেই যখন তখন মানিয়ে নিতে পারলে না?যদি মানিয়ে নিতে নাই পারলা তাহলে সেটা আর কিসের ভালোবাসা!চাইলে সবই পারা যায় এবং সেজন্য ইচ্ছাশক্তি লাগে।মনে করুন আপনি একটা শার্ট গিফট পেয়েছেন কিন্তু শার্টটা আপনার পছন্দ না।যেহেতু শার্টটা আপনার হয়েই গেছে সুতরাং আপনি চেষ্টা করবেন শার্টটাকে ভালো লাগানোর এবং কিছুদিন পর দেখবেন শার্টটা আপনার ভালো লেগে গেছে।পৃথিবীর কোন কিছুই বিশ্রী না সব হলো আপনি জিনিসটা কিভাবে নিচ্ছেন কিভাবে দেখছেন তার উপর।মানুষ চাইলেই ভালোবাসতে পারে অপছন্দের মানুষকেও পছন্দের বানিয়ে ফেলতে পারে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এইসব প্রেম ভালোবাসা বিরোধী,এইসব প্রেম ভালোবাসা আমার কাছে ভুয়া লাগে।নিজের জীবনের টেনশন নিয়েই পারা যায় না তার উপর নিজ ইচ্ছায় আরেকজনের পেইন কে গলায় নেয়!নিজের জীবনটা আরেকজন নিয়ন্ত্রণ করবে সেটাই বা কোন পাগলে চাইবে।তারপরও সবাই যখন ভালোবাসাকে এতো ভালোবাসে তো আমিও তাদের ভালোবাসার প্রতি সম্মান রেখেই বলি ভালোবাসবেনই যখন তখন একজনের সব খারাপ দিককেই ভালোবাসুন,দেখেন পারেন কিনা।ভালো দিককে তো সবাই ভালোবাসতে পারে খারাপ দিককে কয়জন ভালবাসতে পারে?যদি পারেন তাহলে সেটাই হবে আসল ভালোবাসা
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×